মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাট্যশিল্পে করুণ পরিণতি ও নায়িকার আত্মবলিদানের তাৎপর্য

কৃষ্ণকুমারী নাটকের ট্র্যাজেডি:

মহাকবি মধুসূদনের নাট্য-প্রতিভার শ্রেষ্ঠ স্ফুরণ হলো কৃষ্ণকুমারী নাটক। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম ট্র্যাজেডি নাটক। শুধু প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নয, এটি মধুসূদনের নাট্য-প্রতিভার অন্যতম কীর্তি। তবে ট্র্যাজেডি হিসেবে স্বীকার করার আগে আমাদের জানতে হবে নাটক হিসেবে তা কতটুকু সার্থক। কেননা আগে নাটক পরে ট্র্যাজেডি। নাটকের জন্য দরকার সুনির্দিষ্ট কাহিনি, সার্থক চরিত্র, সুনির্ধারিত গঠন-কৌশল, সংলাপ, আরম্ভ-প্রবাহ-উৎকর্ষ-গ্রন্থি-মোচন-উপসংহার সম্বলিত কাহিনি, মঞ্চ ব্যবস্থা, দৃশ্যপট, অভিনয় যোগ্যতা, ত্রি-ঐক্য ইত্যাদি উপাদান। ‘কৃষ্ণকুমারী’ নাটকে এ সবের কোনো ঘাটতি নেই। তাই নাটক হিসেবে স্বীকার করতে কেউ ক্ন্ঠুা বোধ করে না।

মাইকেল মধুসূদন দত্ত
কৃষ্ণকুমারী নাটকের ট্র্যাজেডি


ট্র্যাজেডি বলতে সাধারণত বিয়োগান্ত, বিষাদাত্মক কাহিনী বা দৃঃখ-বেদনায় আবৃত চরিত্রের করুণ পরিণতিকে বোঝায়। আত্মদ্বন্দ্বে পরাভূত মানব জীবনের করুণ কাহিনিই ট্র্যাজেডি। এরিস্টটল বলেন, রঙ্গমঞ্চে নায়ক-নায়িকার গতিমান জীবন কাহিনীর দৃশ্য পরস্পরায় উপস্থাপনকৃত যে নাটক দর্শক হৃদয়ে উদৃক্ত ভীতি ও করুণা প্রশমন করে তার মনে করুণ রসের আনন্দ সঞ্চার করে তাই ট্র্যাজেডি।

ট্র্যাজেডি দুই প্রকার। গ্রিক ট্্র্যাজেডি ও শেক্সপেরীয় ট্র্যাজেডি। গ্রিক ট্র্যাজেডিতে মর্মান্তিক পরিণতিতে নিয়তির ভূমিকা দেখা যায়। জাগতিক জীবনে নৈতিক নিয়ম ভঙ্গ করলে ঘটনাবলির অনিবার্য প্রবাহ নিয়তির রূপ ধরে মানবজীবনকে বিপর্যস্ত করে তোলে। যেমন, ইডিপাস নাটকে নিয়তির অমোঘ বিধানের কারণে পিতাকে হত্যা ও মাতাকে বিবাহ করে এবং জীবনে করুণ পরিণতির মুখোমুখি হয়। আর শেক্সপিয়ারের ট্র্যাজেডিতে চরিত্রের ত্রুটির কারণে জীবনে করুণ পরিণতি নেমে আসে। যেমনÑ ওথেলো চরিত্র।

ট্র্যাজেডির নায়ক তার জীবনের ত্রুটির কারণে বিপর্যয় ডেকে আনে। নিজের চারপাশে প্রতিকূল পরিবেশ তৈরি করে। নায়ক সর্বশক্তি দিয়ে প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে। সংগ্রাম চলে ভিতরে ও বাইরে। ক্ষত-বিক্ষত হয়। দর্শক নায়কের এ পরিণাম দেখে ভীত হয়, মনে করুণার জন্ম হয়। রহস্যময়তার সৃষ্টি হয়। চরিত্রের মধ্যেই থাকে ট্র্যাজেডির বীজ। বাইরের কোনো শক্তি জীবনে বিপর্যয় আনলে তা প্রকৃত ট্র্যাজেডির আদর্শ নয়। এবার বিচার করে দেখা যাক ট্র্যাজেডির উক্ত বৈশিষ্ট্যের আলোকে কৃষ্ণকুমারী কতখানি ট্র্যাজেডির লক্ষণ ধারণ করে আছে।

কৃষ্ণকুমারী নাটকের প্রথমেই দেখি উদয়পুরের প্রবল শক্তিশালী রাজা ভীমসিংহ বর্তমানে অর্থ ও শক্তিতে দুর্বল। তার এ দুর্বলতার জন্য আশেপাশের শক্তিদের তোয়াজ করে চলতে হয়। ভীমসিংহের অপরূপা সুন্দরী কন্যা রাজনীতির ঘূর্ণাবর্তে পতিত। তার জীবন সংশয়ের মুখে পড়ে। কন্যার এ পরিণতির কথা ভেবে ভীমসিংহ ও রাণী অহল্যা বিষাদে আচ্ছন্ন। মহিষী অজ্ঞাতসারে পদ্মিনী দেবীর কথা তুলে নিয়তির বাণী ব্যক্ত করেছেন। রাণা ভীমসিংহও বিভিন্ন দুর্যোগের কথা তুলে নিজের ও দেশের আসন্ন বিপদের ইঙ্গিত দিয়েছে।

জয়পুরের রাজা জগৎসিংহ নারীলোলুপ। ধনদাসের কাছে কৃষ্ণার ছরি দেখে মুগ্ধ হয়ে কৃষ্ণাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। বিলাসবতী চায় জগৎসিংহকে। দাসী মদনিকা সখী বিলাসবতীকে প্রতিশ্রুতি দেয় যেভাবেই হোক জগৎসিংহকে পাইয়ে দেবে। সে কৃষ্ণার সাথে জগৎসিংহের বিচ্ছিন্নের জন্য চরম ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করে। কৌশলে কৃষ্ণাকে মরুদেশের রাজা মানসিংহের প্রতি আকৃষ্ট করে তোলে। এবং কৃষ্ণার জবানিতে মানসিংহকে মদনিকা চিঠি লিখে জানায় সে যেন জগৎসিংহের হাত থেকে কৃষ্ণাকে রক্ষা করে।

জগৎসিংহ ও মানসিংহ দুজনেই উদয়পুর আক্রমণের প্রস্তুতি নিয়ে অগ্রসর হয় এবং প্র¯তাব দেয় তাদের হাতে কৃষ্ণাকে তুলে না দিলে উদয়পুর ধ্বংস করবে। সংকট দেখে রাণা ব্যাখ্যা করে Ñ ‘এই যে প্রমোদ অগ্নির সূত্র হলো, একি রক্তস্রোত ব্যতীত আর কিছুতে নির্বাণ হবে ?’ কৃষ্ণার জীবনের অনিবার্য বিপদ দেখে মদনিকা পর্যšত শঙ্কিত হয়ে পড়ে Ñ এ যে দাবানলের রূপ ধরে এ সুলোচনা কুরঙ্গিনীকে দগ্ধ না করে। ’

এই যে নিয়তির রূপ ধরে রাজপরিবার বা কৃষ্ণার পরিণামকে বিষাদান্ত পরিণতির দিকে ঠেলে দিয়েছে তা বিশ্বনীতির কোনো অংশ নয়। এর সাথে কোনো কল্যাণ জড়িত নয়। এ এক অন্ধ অপ্রতিরোধ্য বহিঃশক্তির আক্রমণ। এটি ট্র্যাজেডির কোনো বৈশিষ্ট্যের মধ্যে পড়ে না। তবু কথা থাকে।

এ নাটকে বিষাদের সূচনা কৃষ্ণাকে কেন্দ্র করে। আপনা মাংসে হরিণা বৈরির মতো কৃষ্ণার রূপই তার বড় শত্রু। জগৎসিংহের ভাষায় Ñকোন ঋষির অভিশাপে এ জলধিতলে এসে বাস করিতেছে।’ মদনিকাও বলেছে Ñ এমন রূপ লাবণ্য পৃথিবীতে আর কোথাও নেই। রূপের লোভে জগৎসিংহ ও মানসিংহ যে সংকটের সৃষ্টি করেছে তা প্রতিরোধ করার মতো শক্তি রাজা ভীমসিংহের নেই। এক অজ্ঞাতনামা পত্রে কৃষ্ণার জীবন উৎসর্গের কথা আসে। পদ্মিনীও ছায়ামুর্তির রূপ ধরে কৃষ্ণাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়।

পরিবার ও রাজ্য রক্ষার্থে কৃষ্ণাও মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত হয়। রাতে কাকা বলেন্দ্রসিংহের কাছ থেকে রাজ্যের বিপদের কথা শুনে পদ্মিনীর নির্দেশ মতো কুলমান রক্ষার্থে কৃষ্ণা প্রাণ বিসর্জন দেয়। এ মৃত্যু কৃষ্ণার কাছে বিভীষিকা নয়, বরং অমরত্বের বার্তাবহ বলে সে প্রসন্ন চিত্তে তা গ্রহণ করে। পিতৃপ্রদত্ত রক্তের ঋণ সে পিতা ও রাজ্যের কল্যাণে আত্মবিজর্সন দেয়। কিন্তু কৃষ্ণার এ আত্মত্যাগ কতটা ট্র্যাজেডির বৈশিষ্ট্যকে ধারণ করেছে তা দেখা যাক।

কৃষ্ণার প্রেম ও পিতৃঋণের যে মানসিক দ্বন্দ্ব, তা যদি নাট্যকার ভালোভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারতেন তাহলে ট্র্যাজেডি রস যেমন গাঢ়তর হতো, তেমনি চরিত্রও সবল হতো। মানসিংহের প্রতি কৃষ্ণার পূর্বরাগ জন্মালেও কাকা বলেন্দ্রসিংহের কাছে তার নির্ধারিত পরিণতির কথা জেনে কৃষ্ণার মনে প্রেম ও কর্তব্যবোধের মধ্যে কোনো দ্বন্দ্ব দেখা যায় না। জীবন সম্পর্কে তার মায়া ও বন্ধন স্বাভাবিক, তাই আত্মহননের আগে তার মনে গভীর আলোড়ন ও সংঘাত সৃষ্টি খুব স্বাভাবিক। নাট্যকার এ দিকটি পরিহার করায় ট্র্যাজেডির মানবিক আবেদন ক্ষুণœ হয়েছে।

অন্যদিকে নাটকের নামকরণ কৃষ্ণার নামে করলেও নাটকের মূল প্রত্যয়ের সাথে কৃষ্ণার কোনো সক্রিয়তা নেই। তাই ট্র্র্র্যাজেডির নায়িকা হওয়ারও যোগ্যতা হারিয়েছে। প্রেম ও রাজ্য রক্ষা, এর মধ্যে কোনো দ্বন্দ্ব না দেখানোর কারণে বেদনার গভীরতা নেই। তাছাড়া কৃষ্ণার মৃত্যুর কথা নাটকের প্রথম থেকেই আভাসে-ইঙ্গিতে প্রকাশ পাওয়ায় বেদনার ভারটি তীক্ষè হয় নি। তাই ট্র্যাজেডির পরিণতিতে দর্শকদের মনে ভীতি, করুণা, রহস্য ও বিষ্ময়ের সৃষ্টি করে না।

পদ্মিনীর ছায়ামূর্তির আবির্ভাব নাটকে অতিপ্রাকৃতের ঘটনার জন্ম দিয়েছে। পদ্মিনী কৃষ্ণাকে আত্মনিবেদনে সহায়তা করেছে। এ কল্যাণকর কাজ সে করেছে সুরলোকে যাবার মানসে। পিতার ঋণ শোধ করার মানসে। বাবার রাজ্য রক্ষার জন্য সে যদি কোনো ধরনের প্রতিবাদ করতো তাহলেও ট্র্যাজেডির রসকে তীব্র করতো। বরং এক নেতিবাচক দিক বেছে নেওয়া হয়েছে রাজ্য রক্ষার জন্য।

ভীমসিংহ রাজা। যতই দুর্বল হোক, কুলের মর্যাদা ও জাতির কল্যাণ সাধনে পরিণাম নিশ্চিত জেনেও তার প্রতিরোধ গড়ার দরকার ছিল। তাতে অন্তত ট্র্যাজেডির বীজ রোপিত হতো। ভীমসিংহ বহুবার অতীত গৌরবের কথা বলে নিজের অসহায়তার কথা বলেছে। পিতৃস্নেহ তাকে মানবিক পর্যায়ে টেনে নিয়ে গেছে। বিরূপ ভাগ্যের বিরুদ্ধে তার কোনো সংগ্রাম নেই। পিতৃস্নেহের সাথে যদি একটু দুর্যোগের বিরুদ্ধে সংগ্রাম থাকতো তাহলে ট্র্যাজেডির আবেদন গভীর হতো। তার অসহায়ত্ব কারুণ্য সৃষ্টি করলেও ট্র্যাজেডির রসকে ক্ষুণœ করেছে।

অজ্ঞাতনামা চিঠিতে কৃষ্ণার মৃত্যুর কথা উঠলে ভীমসিংহের মনোবল একেবারে ভেঙে পড়েছে। প্রজাবর্গের কল্যাণ ও বংশের মান রক্ষার্থে কৃষ্ণাকে বিসর্জনে মন্ত্রীর পরামর্শ দান ও কন্যা স্নেহে পিতৃহৃদয়ের আলোড়নে ভীমসিংহ ভারসাম্য হারিয়ে উন্মাদ হয়েছে। ফলে ট্র্যাজেডির মর্মভেদী বেদনা তাকে স্পর্শ করে নি। সুতরাং বাবা ভীমসিংহ বা কন্যা কৃষ্ণা উভয় ক্ষেত্রেই প্রবল অšতর্দ্বেন্দ্বের অভাব ও প্রতিকূল ঘটনার বিরুদ্ধে সংগ্রামের পরিচয় না থাকায় এ নাটকের পরিণতি সার্থক ট্র্যাজেডি হয়ে ওঠে নি।

কন্যা কৃষ্ণা ও রাণী অহল্যার মৃত্যু শোক ভীমসিংহকে সহ্য করতে হয় নি। আগেই উন্মাদ হয়েছে। ফলে মৃত্যুর মাধ্যমে যে ট্র্যাজেডি তাতে কাব্যমূল্য থাকলেও ট্র্যাজেডির মূল্য কমে গেছে।

তবে এ নাটকে ট্র্যাজেডি যা আছে তা ভীমসিংহের। কেননা কন্যা ও রাণীর মৃত্যুর পর যতটুকু বেদনা ও শোক তাকে সহ্য করতে হয়েছে, তাতে তার বেদনা কম নয়।

পরিণতিতে বংশ ও রাজ্য রক্ষার্থে কৃষ্ণা আত্মত্যাগ করলেও তা দর্শকের মনে ভীতি ও করুণার সৃষ্টি করতে পারে নি। তাই বলা চলে কৃষ্ণকুমারী বাংলা সাহিত্যের প্রথম ট্র্যাজেডি নাটক হলেও সার্থক ট্র্যাজেডির মর্যাদা যেন অর্জন করতে পারে নি।

কৃষ্ণকুমারী নাটকের ট্র্যাজেডি: আলোচনা শেষে কন্টেন্টের কাঠামো:

ভূমিকা

বাংলা নাটকের ইতিহাসে কৃষ্ণকুমারী (১৮৬১) একটি উল্লেখযোগ্য ট্র্যাজেডি।  এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের একমাত্র মৌলিক ঐতিহাসিক নাটক। এখানে দেশপ্রেম, আত্মত্যাগ ও করুণ পরিণতির সংমিশ্রণ ঘটেছে

কাহিনির সারসংক্ষেপ

রাজপুত রাজকন্যা কৃষ্ণকুমারী জয়পুরের কুমারীরূপে চিত্রিত।   রাজনীতি ও বিয়ের রাজনীতির দ্বন্দ্বে রাজপুত রাজ্য বিপন্ন হয়।   জয়পুর ও মারওয়ার—দুই পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব মীমাংসায় কৃষ্ণকুমারী আত্মাহুতি দেয়।

কৃষ্ণকুমারী নাটকের ট্র্যাজেডি: নাটকে ট্র্যাজিক উপাদান

কৃষ্ণকুমারী নাটকের ট্র্যাজেডি: কৃষ্ণকুমারীর আত্মাহুতি ও করুণ রস

কৃষ্ণকুমারী নাটকের ট্র্যাজেডি: নাট্যকৌশল ও নৈতিক দ্বন্দ্ব

কৃষ্ণকুমারী নাটকের ট্র্যাজেডি: সমকালীন তাৎপর্য

  1. দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের মূর্ত প্রতীক হয়ে ওঠে কৃষ্ণকুমারী।
  2. বাংলা সাহিত্যে প্রথম ঐতিহাসিক ট্র্যাজেডি হিসেবে নাটকটি চিহ্নিত।  
  3. রাজনীতি ও প্রেমের দ্বন্দ্বকে সাহিত্যিকভাবে উপস্থাপনের এক অনন্য নিদর্শন।

উপসংহার

কৃষ্ণকুমারী শুধু একটি নাটক নয়; এটি বাঙালির সাহিত্যধারায় প্রথম পূর্ণাঙ্গ ট্র্যাজেডি।   নায়িকার আত্মাহুতি মানবতার, দেশপ্রেমের ও আত্মত্যাগের প্রতীক হয়ে অমর হয়ে আছে।

কৃষ্ণকুমারী নাটকের ট্র্যাজেডি: পয়েন্ট আকারে তথ্য (সারসংক্ষেপ)

প্রফেসর মো: আখতার হোসেন, বাংলা বিভাগ, সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজ, যশোর।

রেফারেন্স গ্রন্থতালিকা

  1. দত্ত, মাইকেল মধুসূদন। কৃষ্ণকুমারী। কলকাতা: ১৮৬১।
  2. সেন, সুকুমার। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস। কলকাতা: আনন্দ পাবলিশার্স, ১৯৭৭।
  3. ভূঁইয়া, আবদুল করিম। বাংলা নাটকের ইতিহাস। ঢাকা: বাংলা একাডেমি, ১৯৮৫।
  4. দাশগুপ্ত, শক্তিনাথ। মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাটক। কলকাতা: মিত্র ও ঘোষ, ১৯৯০।
  5. আলম, আবুল কালাম মোহসেন। বাংলা ট্র্যাজেডি নাটকের ধারা। ঢাকা: ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড, ২০০২।

One Response

  1. tejamkor yondashuvlar orqali kengaytirish mumkin. turli xil taqdim etadi.
    Pul tikish jarayoni. foyda olishlari mumkin.
    Mukofotlar yordam beradi. bo’yicha joylashgan maqolalar mavjud.
    Ishtirokchilar xavfsizligi . himoya qilinadi . ishonch bilan kirishlari mumkin.
    starz 888 casino [url=https://888starzuzs.com/]https://888starzuzs.com/[/url]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *