রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্পে চিত্রিত দাম্পত্য-সম্পর্ক বিচ্ছিন্নতায় আক্রান্ত। অর্থাৎ দাম্পত্য-সংকট প্রকট।

প্রফেসর মো: আখতার হোসেন, বাংলা বিভাগ, সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজ, যশোর

দাম্পত্য-সংকটের পরিচয়:

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই বাংলা সার্থক ছোটগল্পের স্রষ্টা ও শিল্পী। তাঁর হাতেই যথার্থ জন্মলাভ করে ছোটগল্প ফুলে ফলে বিকশিত হয়ে ওঠে। বিষয়বস্তু, রচনাকৌশল এবং জীবনের বিভিন্ন স্তর ও যুগ বৈশিষ্ট্যের নিরিখে রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্পগুলো ভিন্নধর্মী ও নানা ব্যঞ্জনাময়। হাজারও বিষয়বস্তু ও জীবনের নানা বৈচিত্র্য তাঁর গল্পের আঙিনায় ভিড় করে আছে। সমাজ-বাস্তবতা, পল্লী-জীবন ও সমাজ, রোমান্টিকতা, গীতিধর্মিতা, প্রকৃতি, প্রেম-প্রণয়, অতিপ্রাকৃত ঘটনা প্রভৃতি বিষয় তাঁর ছোটগল্পে আছে। আছে দাম্পত্য প্রেমের গল্প। তবে রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্পে চিত্রিত দাম্পত্য-সম্পর্ক বিচ্ছিন্নতায় আক্রান্ত, অর্থাৎ দাম্পত্য-সংকট প্রকট। উক্তিটি কতটুকু যথার্থ, তা বিচার করে দেখা যেতে পারে।

খোলা পাতা বাংলা সাহিত্য ও শিক্ষামূলক ব্লগ

প্রেম-প্রণয় নিয়ে গল্প লেখা রবীন্দ্রনাথের একটি প্রিয় দিক। জয়পরাজয়, কঙ্কাল, একরাত্রি, দুরাশা, মধ্যবর্তিনী, নস্টনীড়, মহামায়া ইত্যাদি নিটোল প্রেমের গল্প। স্ত্রীর পত্র, অপরিচিতা, পয়লানম্বর, মধ্যবর্তিনী, নষ্টনীড়, মানভঞ্জন ইত্যাদি দাম্পত্য প্রেমের গল্প। এছাড়াও অন্যান্য বিষয়-প্রাধান্য গল্পের মধ্যেও দাম্পত্য-জীবনের কথা আছে। গল্পে বর্ণিত দাম্পত্য-জীবনের পরিণতি সুখের নয়, প্রায়ই বিচ্ছিন্নতায় আক্রান্ত। দাম্পত্য-সংকট গল্পগুলোকে ভিন্নমাত্রা এনে দিয়েছে।

দাম্পত্য-সংকট ভিত্তিক সবচেয়ে উজ্জ্বল গল্প নষ্টনীড়। বাঙালি মধ্যবিত্ত সমাজের পুরুষেরা বিভিন্ন বাহ্য বিক্ষোভের তাড়নায়, তাদের প্রাত্যহিক কাজকর্মের আকর্ষণে এতই আকৃষ্ট ছিল যে, সংসারের প্রতি তারা একেবারে ছিল উদাসীন। এই উদাসীনতার ফলে দাম্পত্য-সংকট সৃষ্টি এবং দাম্পত্য-জীবন কীভাবে নষ্ট হয়েছে, তারই চিত্র অঙ্কিত এখানে। নষ্টনীড় গল্পের ভুপতিকে খবরের কাগজ ও রাজনৈতিক নেশা এমনভাবে পেয়ে বসেছিল যে,

সে যতদিন কাগজ লইয়া ভোর হইয়াছিল, ততদিনে তাহার বালিকা বধূ চারুলতা ধীরে ধীরে যৌবনে পদার্পণ করিল। খবরের কাগজের সম্পাদক এই মস্ত খবরটি ভালো করিয়া টের পাইল না।

ফলে যা ঘটার তাই ঘটলো। আবহমান বাঙালি নারীদের মত পতি বিরহে না কেঁদে চারুলতা তার উপযুক্ত প্রতিশোধ নিল।

চারুলতা যৌবনের উন্মেষকালে স্বাভাবিক হৃদয়বৃত্তির তাড়নায় অবসর যাপনের সঙ্গী, খেলা ও সাহিত্যচর্চার সহচর অমলকে হৃদয়ে জায়গা দেয় নিজের অজান্তে। অমল বিলাতে চলে গেলে চারুলতা তার হৃদয়ে অমলের অবস্থান টের পায়, গোপনে নিভৃতে অমলের জন্য অর্ঘ্য নিবেদন ছাড়া চারুলতার আর কোনো গতি থাকে না।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

অন্যদিকে ভূপতি কাগজ ব্যবসায় লোকসান দিয়ে শান্তির অন্বেষায় স্ত্রীর কাছে আত্মসমর্পণ করতে চায়। চারুলতা বাহ্যিকভাবে হাসি-খুশির মাধ্যমে স্বামীর সেবা-যতœ করলেও ভূপতির হৃদয়ের ভালোবাসার পিপাসা মিটলো না। ভূপতি বুঝলো তার সংসার নষ্ট হয়ে গেছে। স্ত্রীকে রেখেই মনের শান্তি খুঁজতে অন্যত্র চলে গেল।

মধ্যবর্তিনী গল্পেও দাম্পত্য-সংকট রয়েছে। দাম্পত্য প্রণয় ও বিচ্ছিন্নতার কথা প্রকাশ পেয়েছে। ম্যাকমেরান কোম্পানির হেডবাবু নিবারণ এবং তার স্ত্রী হরসুন্দরীর মধ্যে দাম্পত্য সম্পর্কটা এক রকম চলছিল। তাদের দাম্পত্য প্রণয় দৃঢ়ও নয় , আবার শিথিলও হয় নি। নিঃসন্তান হরসুন্দরী স্বামীর জীবনের পূর্ণতা আনতে শৈলবালা নামে ছোটখাটো এক মেয়ের সাথে স্বামীর বিয়ে দেয়।

হরসুন্দরী নিজে দাসীবৃত্তি মেনে নিয়ে তাদের মিলনের পথ করে দয়ে। নিজের সব গয়না শৈলবালাকে দিয়ে দেয়। ছোট বউয়ের বায়না মেটাতে গিয়ে নিবারণকে তহবিল তসরূপ করতে হয়। তহবিল তসরূপের কারণে বংশানুক্রমিক প্রাপ্ত চাকরিটি হারালো, পৈতৃক বাড়ি বিক্রি করে জেলে যাওয়া বন্ধ করলো। এত করেও শৈলবালাকে বাঁচানো গেল না। সন্তান প্রসবের আগেই গর্ভপাতের কারণে সে মারা যায়। শৈলবালা নেই , হরসুন্দরী ও নিবারণ আবার তাদের আগের বিছানায়, তবে পরিণতি এ রকম Ñ

উহারা পূর্বে যে রূপ পাশাপাশি শয়ন করিত এখনো সেইরূপ পাশাপাশি শুইল, কিন্তু ঠিক মাঝখানে একটি মৃত বালিকা শুইয়া রহিল।

দেনাপাওনা গল্পটিতে সামাজিক ব্যাধি পণ-প্রথার নিষ্ঠুর ছবি চিত্রিত। এখানে নব্য শিক্ষিত বাঙালি রায়বাহাদুর-পুত্র পণপ্রথার বিরুদ্ধে অবস্থান করে বলে –

কেনাবেচা-দরদামের কথা আমি বুঝি না; বিবাহ করিতে আসিয়াছি, বিবাহ করিয়া যাইব।

– এ উক্তির মধ্যে দাম্পত্যজীবন দৃঢ় হবার একটা ইঙ্গিত মেলে। চিরবঞ্চিত বাঙালি নারীর প্রতিভূ নিরুপমাও স্বামীর অবর্তমানে এ প্রথার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছে। নিরুপমার স্বামী কর্মস্থলে বাসাবাড়ি ঠিক করে স্ত্রীকে নিয়ে যাওয়ার জন্য। নিরুপমার স্বামী বাড়িতে তার স্ত্রীর উপর অত্যাচারের কথা জানতো না। ফলে বিনা চিকিৎসায় নিরুপমার মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে দাম্পত্যজীবনের সমাপ্তি ঘটে। দাম্পত্য-সংকট এ গল্পে যতটা প্রকট অন্য গল্পে ততটা নয়।

স্ত্রীর পত্র গল্পে পুরুষ শাসিত সমাজের বিরুদ্ধে নারীর প্রতিবাদের মধ্যে দিয়ে দাম্পত্য-সংকট শুরু। অসহায় এক মেয়ে বিন্দুকে তার অধিকার ফিরিয়ে দিতে গিয়ে মৃণাল সমাজে-সংসারে তার অবস্থানটা আসলে কোথায় সে সম্পর্কে তার দৃষ্টি আশ্চর্যজনকভাবে খুলে যায়। মৃণাল স্বামী সংসার ত্যাগ করে এবং বলে –

আজ বাইরে এসে দেখি আমার অহংকার রাখার জায়গা নেই।

পয়লা নম্বর গল্পেও দাম্পত্য-জীবনের ব্যর্থতা অর্থাৎ দাম্পত্য-সংকট প্রকাশ পেয়েছে। স্বামী অদ্বৈতচরণের উদ্বেগহীন অবহেলায় অনিলার নারী হৃদয়ে প্রতিশোধের আগুন জ্বলে ওঠে। সে আগুনে দগ্ধ হয় অদ্বৈতচরণ। অনিলা যে নারী, এবং নারী হৃদয় কী চায়, তা একাগ্র জ্ঞানান্বেষী অদ্বৈতচরণ কোনো দিন ভাবেনি। বরং মন্ত্রে পাওয়া স্ত্রীর উপর স্বামীর প্রভূত্ব ফলাতে চেয়েছে।

অনিলার অন্তরের সাথে অদ্বৈতচরণের সংযোগের এত অভাব ছিল যে, অনিলার পরম স্নেহের ভাই সরোজ যে কবে, কীভাবে, কেন আত্মহত্যা করল এবং সে মৃত্যুতে অনিলার জীবনে কীরূপ পরিবর্তন আসে, পÐিতপ্রবর অদ্বৈতচরণ কোনো সন্ধানই রাখে নি। প্রয়োজন শূন্য দাম্পত্য জীবনে প্রবেশ করে সীতাংশু মৌলি। পতিপ্রেমের তৃষ্ণায় তৃষ্ণার্ত অনিলার হৃদয়ব্যথা উপলব্ধি করেছে সীতাংশু মৌলি।

অনিলার হৃদয় পাওয়ার জন্য পচিঁশখানা পত্র লেখে, যা অনেকটা বন্দনা বা স্তব। স্বামীর কাছে অবহেলা পেয়ে দুঃখ পেয়েছে, আবার অবহেলিত নারীত্বের প্রতি সীতাংশু মৌলি যে লুব্ধ দৃষ্টি দিয়েছিল, তাতেও অনিলা দুঃখ পেয়েছে। অনিলা সীতাংশুর মাঝেও অদ্বৈতচরণের প্রতিচ্ছবি দেখতে পেয়েছে। অনিলা স্বামীগৃহ ত্যাগ করে, সীতাংশুর গৃহেও সে যায় না। উভয়ের কাছে নীল কাগজে চিঠি লিখে রেখে যায় এবং লেখে –


আমি চললুম, আমাকে খুঁজতে চেষ্টা করো না, করলেও খোঁজ পাবে না ।

মানভঞ্জন গল্পেও দাম্পত্য-সংকট, দাম্পত্য-জীবন বিচ্ছিন্নতায় শেষ হয়েছে। গিরিবালার স্বামী গোপীনাথ রঙ্গমঞ্চের অভিনেত্রীদের আকর্ষণে ঘরের স্ত্রীকে উপেক্ষা করে বাইরে রাত কাটায়। গিরিবালা যথন কিছুতেই স্বামীকে আয়ত্ত করতে পারলো না, এমন কি একটি রাতের জন্যও স্বামীকে কাছে পাবার অত্যন্ত আন্তরিক আবেদন ঘৃণার সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করে তাকে লাথি মেরে স্বামী চলে গেল, তখন গিরিবালাও তার প্রতিশোধ নেবার জন্য রঙ্গমঞ্চে অভিনেত্রী রূপে যোগ দেয়।

গিরিবালা মঞ্চে যখন ঘোমটা খুলে, রূপের তরঙ্গ তুলে গ্রীবা বাঁকিয়ে দর্শকদের প্রতি বিশেষ করে সামনের সারিতে বসা গোপীনাথের প্রতি চকিত বিদ্যুতের ন্যায় অবজ্ঞায় তীক্ষè কটাক্ষ নিক্ষেপ করে, তখনই গোপীনাথ দাঁড়িয়ে গিরিবালা গিরিবালা করে চিৎকার করে ওঠে। নাট্যরসভঙ্গের কারণে গোপীনাথকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। স্বামীত্বের যূপকাষ্ঠে দাসীরূপ স্ত্রীর বলিদান এভাবে সব সময় হয় এবং পতœীপ্রেমের পবিত্র ধারাজল অকালে শুকিয়ে যায়।

উনিশ শতকে পরিবর্তনশীল সমাজব্যবস্থার কারণে সৃষ্ট মধ্যবিত্ত সমাজসহ সকল ক্ষেত্রে সামাজিক ব্যাধি হিসেবে পণ-প্রথা ও সংস্কারের মোহে নারী নির্যাতন প্রকট আকার ধারণ করে। পণ-প্রথা ও কুসংস্কারের বলি হৈমন্তী। বয়স সতের, এই পাপের জন্য তাকে জীবন দিতে হয়েছে। আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত যুবক অপু বহু দিনের শিক্ষা ও সংস্কারকে অক্ষুন্ন রাখতে লোকধর্মের কাছে সত্য ধর্মকে ঠেলে দিয়েছে এবং ঘরের কাছে ঘরের মানুষকে বলি দিতে কুণ্ঠিত হয় নি। অপুর ক্লীবত্ব ও দুর্বলতা তাদের মধুর দাম্পত্য-জীবনকে সুখময় না করে ব্যর্থতায় ভরিয়ে দিয়েছে।

শাস্তি গল্পটিও ভিন্নমাত্রার দাম্পত্য-ব্যর্থতার কথা প্রকাশিত। দুখিরাম ও ছিদাম দুই ভাই অভাব অনটনের মধ্যেও সংসার জীবনে এক রকম বসবাস করছিল। রাগের মাথায় ভাতরান্না না হওয়ার কারণে স্ত্রীকে অকস্তাৎ আঘাত করে বসে এবং সেই আঘাতে বড়বউ মারা যায়। কিংকর্তব্যবিমূঢ় দুই ভাই হঠাৎ করেই সেই হত্যার দায়ভার ছোঠবউ চন্দরার ঘাড়ে চাপায়।

চন্দরা চঞ্চলা, জীবন সম্পর্কে তার দারুণ কৌতূহল, শত অভাবের মধ্যেও স্বামীকে ক্ষেপিয়ে, উত্তেজিত করে স্বামীর ভালোবাসা আদায় করে নিত এবং মুখরা হয়েই দিন কাটাতো। চন্দরা পুরুষতন্ত্রের জবরদস্তিমূলক আচরণের বিরুদ্ধে নারীর সংক্ষুব্ধ চেতনার প্রকাশ ঘটিয়ে মৃত্যুকে বরণ করে নেয় । চন্দরা মরণ উক্তি দ্বারা সমাজ ও সংসারের স্বামী প্রতিনিধিদের প্রতি তীব্র ক্ষোভ ও ঘৃণা প্রকাশ করেছে।

সংসার-জীবন সম্পর্কে চন্দরার ছিল কৌতুকমিশ্রিত বিষ্ময়, কিন্তু সে চরম বিষ্মিত হয়েছে স্বামী তাকে খুনের দায় নিতে বললে। নারী সমাজ ছিল পুরুষ তান্ত্রিক সমাজের ইচ্ছাধীন, আর তাই তারা নিজেদের স্বাধীন মতকে প্রতিষ্ঠা করতে পারে না। মৃত্যুকে গ্রহণ করে সে স্বাধীন মতকে গ্রহণ করেছে।

লৈঙ্গিকতায় যে শাস্তি তার ওপর বর্ষিত হয়েছে, তাকে ফিরিয়ে নিতে যখন চারপাশ থেকে শত অনুরোধ এসেছে, সে তা গ্রাহ্য করে নি। সে তার স্বাধীন মত ভাবেই প্রকাশ করে, এবং মৃত্যুকে বেছে নেয়।

একরাত্রি গল্পটি প্রেমের গল্প। এখানে সুরবালা শিক্ষিত উকিল স্বামী নিয়ে পরম সুখে সংসার করছে বলেই পাঠকের বদ্ধমূল ধারণা ছিল। কিন্তু প্রাকৃতিক দুর্যোগের রাতে সেই সুরবালা যখন ভাঙা স্কুলের সেকেন্ড মাস্টার ছেলেবেলার খেলার সাথীকে, এবং সেকেন্ড মাস্টার তার সুরবালাকে বাঁচানোর তাগিদে যেভাবে ছুটে এসেছে, তখন পাঠকের সেই বদ্ধমূল বিশ্বাসে ফাটল ধরে। হয়তো সুরবালা এখনও অবসর মুহূর্তে সেকেন্ড মাস্টারের স্মৃতিচারণ করে । অর্থাৎ প্রত্যক্ষভাবে না হলেও পরোক্ষভাবে এখানেও দাম্পত্য-সংকট।

সমাপ্তি গল্পেও দেখা যায় সমস্ত গল্পের শেষ প্রান্তে গিয়ে মৃণ¥য়ী-অপূর্বর দাম্পত্য-বিচ্ছিন্নতা চোখের জলের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়েছে। সুভা বোবা তাই তার সংসার হয় নি। ল্যাবরেটরি গল্পেও দাম্পত্যজীবন বিচ্ছিন্নতায় ভরা। এখানেও দাম্পত্য-সংকট।

এভাবে আলোচনা করলে দেখা যাবে যে, রবীন্দ্র ছোটগল্পে নর-নারীর সংসার জীবনে দাম্পত্য-সংকট রয়েছে। রবীন্দ্র-ছোটগল্পে বর্ণিত দাম্পত্য-সম্পর্ক বিচ্ছিন্নতায় আক্রান্ত। যুগসমস্যা, সামাজিক সমস্যা, মানসিক বৈকল্য Ñ যে কারণেই হোক না কেন দাম্পত্য জীবন সুখের চিত্রে চিত্রিত নয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সংসার জীবনের গভীর তলদেশে ডুব দিয়ে আমাদের সামাজিক ও পারিবারিক জীবনের নানা সমস্যাকে তুলে ধরেছেন। মনস্ততাত্তি¡ক বিশ্লেষণও করেছেন।

One Response

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *