প্রেম ও বিরহের রূপায়ণে কাজী নজরুল ইসলামের চক্রবাক কাব্য অদ্বিতীয়।

প্রফেসর মো: আখতার হোসেন, বাংলা বিভাগ, সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজ, যশোর
খোলা পাতা – বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ব্লগ

চক্রবাক কাব্যের প্রেম ও বিরহ:

বিংশ শতাব্দীর তৃতীয় দশকে রবীন্দ্রবলয়ে থেকেও  বাংলা সাহিত্যকে উন্নতির চরম শিখরে নিয়ে গিয়েছিলেন  কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬)। বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহের কবি হিসেবে পরিচিত হলেও মূলত তিনি প্রেমের কবি, বিশুদ্ধ প্রেমের কবি। প্রেমই তাঁর কাব্যলেখায় উৎসাহ ও প্রেরণা জুগিয়েছে। নজরুলের কাব্য দুই ধারায় প্রবাহিত দ্রোহ ও প্রেমের।

চক্রবাক কাব্যের পিডিএফ পেতে ক্লিক

https://bengaliebook.com/wp-content/uploads/2021/07/%E0%A6%9A%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%95.pdf

‘চক্রবাক’ কাজী নজরুল ইসলামের প্রেমের কাব্য। এ কাব্যের মূল সুর প্রেম ও বিরহ । এ কাব্যের ভিতর দিয়ে কাজী নজরুল ইসলাম প্রেমের স্বরূপ উদ্‌ঘাটন করার চেষ্টা করেছেন। বিদ্রোহী কবির প্রেমসত্তার চরম বিকাশ ঘটেছে এ কাব্যে। নজরুল যে প্রেমের কবি তার একটা উজ্জ্বল প্রমাণ এ ‘চক্রবাক’ কাব্যগ্রন্থ। ‘চক্রবাক’ নজরুলের শ্রেষ্ঠ প্রেমমূলক কাব্য গ্রন্থগুলির অন্যতম। ‘চক্রবাক’ কাব্যের সমালোচনা করতে গিয়ে সমালোচক বলেছেন-

‘প্রেম আর প্রকৃতি নিয়েই কবির কারবার, কবি নিজের প্রিয়াকে দেখেন প্রকৃতির ভিতরে। প্রকৃতি আর প্রিয়া এক হয়ে যায়। ‘চক্রবাক’-এর মূল সুর তাই।  এখানে বিপ্লবী কবির বজ্রনির্ঘোষ শোনা যায় না, শোনা যায় না তাঁর সোচ্চার উক্তি। এখানে ওঠে সারেঙ্গীর টুংটাং, গজলের গুনগুনানি; আছে সজল মেঘের ছায়া, কর্ণফুলির ছলছল ব্যথা, চক্রবাক-চক্রবাকীর মুখর বিরহ। এ কবিতা সেদিক থেকে নতুন নয়, অভিনব।’

কাজী নজরুল ইসলাম
চক্রবাক কাব্য

কবি উদ্বেল যৌবনে একদিন চট্রগ্রামে নিমন্ত্রিত হয়েছিলেন। সেদিন ‘তলোয়ার আর শিঙা’ ফেলে রেখে গিয়েছিলেন নগরীর কোলাহলের ডামাডোল ফেলে নির্জন প্রকৃতির সান্নিধ্যে নজরুল জীবনে, সংগ্রামের ক্ষণিক বিরতি ঘটেছিল। চট্রগ্রামের পাহাড়ি-প্রকৃতির লোভনীয় মোহে নিজেকে সঁপে দিয়েছিলেন। ভেসে গিয়েছিলেন প্রেম ও বিরহের স্বর্গলোকে। সেই মোহনীয় প্রকৃতির সুধা উপভোগের  দিনের স্মরণে এই গীতি কবিতাগুচ্ছ।

‘চক্রবাক’ কাব্যগ্রন্থে মোট ২১টি কবিতা আছে। কবিতাগুলির মূল সুর হল প্রেম ও বিরহ। এখানে প্রকৃতি ও প্রিয়া, প্রেম ও প্রকৃতি মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে।  কবি তাঁর প্রিয়াকে প্রকৃতির মধ্যে অন্বেষণ করে বেড়াচ্ছেন। পুরাতন স্মৃতি তাঁর চিত্তকে মথিত করছে। হৃদয় চক্রবাক-চক্রবাকীর জন্যে প্রকৃতির মধ্যে বিচরণশীল। চক্রবাকীর উদ্দেশে তিনি বলছেন-

‘যখন প্রভাব থাকিবে না আমি এই সে নদীর ধারে,

ক্লান্ত পাখায় উড়ে যাব দূর বিস্মরণীয় পারে,

খুঁজিতে আমার এই কিনারায় আসিবে যখন তুমি

খুঁজিবে সাগর মরু প্রান্তর গীরি দরী মরুভূমি।

তাহারি আশায় রেখে যাই প্রিয়, ঝরা পালকের স্মৃতি

এই বালুচরে ব্যথিতের স্বরে আমার বিরহ-গীতি।’

বাংলা কবিতায় প্রেম ও বিরহ নিয়ে যে রোমান্টিকতা তার শুরু বিহারীলালের হাতে।  প্রেমের এই রোমান্টিক বিষণ্ণতা বাংলা কাব্যে বিহারীলালই প্রথম নিয়ে আসেন। রবীন্দ্রনাথের হাতে এই বিষণ্ণতার সুর শিল্পোৎকর্ষ লাভ করে। পরবর্তী বাংলা কাব্যে প্রেমের ক্ষেত্রে দেহকামনা ও মনের সুখ-দুঃখ এক সাথে যুক্ত হয়ে এই সুর বিশেষ প্রাধান্য পায়। বিষণ্ণ ব্যথায় কাতরতা ও অনন্ত প্রতীক্ষার স্বরূপ রাগিনী নজরুলের অনেক প্রেমের কবিতাতেই ঝংকৃত। নিঃসঙ্গ একাকিত্বের দুঃসহ বেদনা তাঁর বহু কবিতাকে বিরহের দীর্ঘশ্বাসে ভরে দিয়েছে। কবিতাগুলো চিরবিরহিনী আত্মার দোসর হয়ে উঠেছে।

‘তোমাকে পড়েছে মনে’ কবিতা:

বর্ষার সাথে প্রেম ও বিরহের একটা নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে বাংলা সাহিত্যে। এ কবিতায় বর্ষার বর্ষণমুখর ও বিহরকাতর রাত্রিতে প্রিয়াকে কবির মনে পড়ে। মরণ পারের প্রিয়া, যাকে তিনি জীবনে পাবেন না, তার উদ্দেশে তিনি গান রচনা করেছেন। তাঁর বিরহ ব্যথা শতগীত সুরে নিখিল বিরহীকণ্ঠে ধ্বনিত। এই কবিতায় তাঁর বিরহের হতাশ্বাস তীব্রমধুর। কবি ও তাঁর প্রিয়া এই উভয়ের বিরহ ব্যথার নিখিল-বিরহের মহাসংগীত বিধৃত। বর্ষা ও প্রকৃতিকে নিয়ে বিরহের কবিতা বাংলা সাহিত্যে চিরদিনের সেই সংস্কৃত সাহিত্যের  মেঘদূত থেকে শুরু করে মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের সর্বত্র বর্ষা, প্রেম ও বিরহ যেন পরিপূরক হয়ে উঠেছে। চক্রবাক কাব্যে নজরুল বেদনার স্বরূপ ফুটিয়ে তুলেছেন –

‘আমার বেদনা আজি রূপ ধরি শতগীত সুরে

নিখিল বিরহী কণ্ঠে বিরহিনী তব তরে ঝুরে।

এপারে ওপারে মোরা, নাই নাই ফুল।

তুমি দাও আঁখি জল, আমি দিই ফুল।’

কবির ধারণা আনন্দ-কোলাহলে প্রেমের প্রকৃত মূর্তি ফোটে না। তাই তিনি বিরহের গভীর প্রেমের ধ্যানে উৎসুক।

 ‘বাতায়ন পাশে গুবাক তরুর সারি’  কবিতা:

এ কবিতাটি প্রকৃতি প্রেম ও বিরহের কবিতা হিসেবে স্মরণীয়। আবেগের গাঢ়তা, আন্তরিকতার গভীরতা ও সর্বোপরি স্মৃতিস্বপ্নের বর্ণবিন্যাস কবিতাটিকে এক আশ্চর্য অপূর্বতায় মণ্ডিত করেছে। এখানে প্রিয়া আর প্রকৃতি যেন একই।  কবির প্রিয়া প্রকৃতির সঙ্গে একাকার হয়ে যাওয়াতে তিনি প্রকৃতির সঙ্গে প্রণয় বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। মেঘদূতের দক্ষ যেমন বিরহের আবেগে মেঘের সাথে হৃদয়ের বার্তা লেনদেন করেছে, এখানে নজরুলও গুবাক তরুর সারির সঙ্গে তিনি অন্তরঙ্গ ভাষণে রত। একে ছেড়ে যেতে হবে বলে তিনি ব্যথায় অভিভূত। তার উদ্দেশ্য কবিকণ্ঠে ধ্বনিত হয়েছে-‘তোমার পাতায় দেখেছি তাহারি আঁখির কাজল রেখা,

তোমার দেহেরই মতন দীঘল তাহার দেহের রেখা।

তব ঝির ঝির মিরমির যেন তারি কুণ্ঠিত বাণী,

তোমার শাখায় ঝুলানো তারির শাড়ির আঁচলখানি।’

‘ কর্ণফুলী’ কবিতা:

কর্ণফুলী কবিতাটি হৃদয় আবেগের স্ফূরণ বলা যেতে পারে।  কবিতায় কবির বিরহের সুর ঝংকৃত। কবি কর্ণফুলীকে তাঁর প্রিয়ার সাথে এক করে ফেলেছেন-

‘তুমি কি পদ্মা, হারানো গোমতী, ভুলে যাওয়া ভাগীরথী

তুমি কি আমার বুকের তলার প্রেয়সী অশ্রুমতী।’

কবির কাছে এই পার্বতী কন্যা বিরহে উদাসিনীর স্রোত যেন কোনো পাহাড়ের হাড়-গলা জল আঁখিজল। কর্ণফুলী নদী নারী বলেই পাষাণ নরের রেশ অনুভব করতে অক্ষম।

‘পথচারী’ কবিতায়, নদী নিয়ত বয়ে চলে, অনন্ত পথচারী। পথচারী নদীর গতির মধ্যে নজরুলের কবিমানসের গতিশীলতা স্পন্দিত। এর প্রতিটি ছত্র কবির আবেগে উদ্বেলিত, মহাবেদনার উচ্ছ্বাস।  সমুদ্রের সঙ্গে মিশে যাওয়ার জন্য কবি জীবনের প্রতীক নদী ছুটে চলেছে পৃথিবীর এই পংকিল ব্যথার অশ্রু বহন করে। নজরুলের ‘পথচারী’ নিরন্তর ছুটে চলেছে-

‘ওরে বেনোজল, ছল ছল ছল ছুটে চল ছুটে চল।

হেথা কাদাজল, পড়িল তোরে করিতেছে অবিরল।’

‘গানের আড়াল’-এ প্রেমিক হৃদয়ের বিচিত্র ভাবকামনা ব্যক্ত হয়েছে। এই কবিতায় প্রেমিকের চিরন্তন আবেদন প্রকাশ পেয়েছে। কবির গানকে লোকে গ্রহণ করে। কিন্তু সে গান সৃষ্টির পেছনে তাঁর ব্যথা-বেদনা ও ক্রন্দনকে কেউ লক্ষ করে না। কবির গান বহুলোকের ভূষণ হলেও তা তাদের সামগ্রী হয়ে ওঠে না। তাই তাঁর মিনতি তিনি তাঁর গানের ভিতর দিয়ে যেন প্রেমিকার অন্তরের কাছে যেতে পারেন। কবির প্রেম ও বিরহ যেন শত জনমের-

‘ভোলো মোর গান, কি হবে লইয়া এই টুকু পরিচয়,

আমি শুধু তব কণ্ঠের হার, হৃদয়ের কেহ নয়।

জানায়ো আমারে, যদি আসে দিন, এইটুকু শুধু যাচি-

কণ্ঠ পারায়ে হয়েছি তোমার হৃদয়ের কাছাকাছি।’

‘তুমি মোরে ভুলিয়াছ’ কবিতায় প্রেম ও বিরহের বিচিত্র রহস্যময় উপলব্ধি ধরা পড়েছে। মিলনের পর প্রিয়া যদি কবিকে ভুলে যায়ও কবি তাকে কখনও ভুলতে পারবেন না। তিনি তাদের মিলনের স্মৃতি নিয়ে কাব্য রচনা করে যাবেন আর তার মধ্যেই কবি অমর হয়ে থাকবে। ভুলে যাওয়ার মধ্যেই একদিন সংঘটিত মিলন সত্য হয়ে যাক, এটাই কবির আকুতি। প্রিয়া কবিকে ভুলে গেলেও তিনি তার সঙ্গে মিলনের ফলে প্রিয়া আবও সুন্দর হয়ে উঠেছেন, এ কথা তাঁর প্রিয়া জানতে পারলো না এটাই তাঁর আক্ষেপ। তবুও কবি প্রিয়া অমর ভুলে গেছে-

‘তুমি মোরে ভুলিয়াছ, তাই সত্য হোক।

নিশি শেষে নিভে গেছে দীপালী আলোক।’

‘সাজিয়াছি বর মৃত্যুর উৎসবে’ নজরুলের শ্রেষ্ঠ প্রেমের কাহিনিমালার অন্যতম পুষ্প। প্রেমের ভিন্ন একটা আমেজ অসাধারণ ভঙ্গিমায় ধরা পড়েছে। প্রেম ও বিরহের একটা ভিন্ন মাত্রা প্রকাশিত এ কবিতায়।  এখানে তাঁর ধ্যান দৃষ্টিতে প্রেম ও মৃত্যু অভিন্ন হয়ে গিয়েছে। তাঁর চিরজনমের প্রিয়া আজ মিলন গোধূলীলগ্নে রাঙামৃত্যু রূপে আবির্ভূত। এই ব্যর্থ গৌধুলীলগ্ন শুধু এই জন্মেই আসেনি বারে বারে জন্ম জন্মান্তরে এসেছে।

‘ব্যর্থ মোদের গোধূলী-লগন এই সে জনমে নহে,

বাসর-শয়নে হারায়ে তোমায় পেয়েছি চির-বিরহে।’

এ জন্মে কবি মৃত্যুর উৎসবে বর সেজে অভিসারে এসেছেন। তিনি আশা করেন, তাঁর প্রিয়া সমস্ত পদধূলি মুছে মরণের পারে তাঁকে বুকে তুলে নেবে। মরণের মধ্যে বিবাহের আগমন বার্তা শুনতে পাচ্ছেন তিনি। নবজীবনের বাসরদ্বারে প্রিয়া বধূবেশে আসবে এই আনন্দেই তিনি মৃত্যুর উৎসবে বরবেশ ধারণ করেছেন।

‘নবজীবনের বাসর-দুয়ারে কবে ‘প্রিয়া’ ‘বধূ’ হবে-

সেই সুখে, প্রিয় সাজিয়াছি বর মৃত্যুর উৎসবে।’

‘আড়াল’ কবিতায় কবি তাঁর প্রিয়াকে নিখিল বিশ্বের সমস্ত সুষমা দিয়ে সাজিয়েছেন। তাঁর প্রেমেই প্রিয়ার প্রেমের মুক্তি ঘটেছে। প্রিয়াকে ঘিরে রচিত তাঁর গানের কখনো মৃত্যু হবে না। কবির মৃত্যুর পরেও তাঁর গান নিখিল কণ্ঠের মধ্যে ধ্বনিত হবে। এখানে কবির সৃষ্টি সম্পর্কে একটি চিরন্তন সত্য ফুটে উঠেছে। ব্যক্তিকে নিয়ে সৃষ্টি কবির গান সমষ্টির অনুভূতির সামগ্রী হয়ে ওঠে এবং এখানেই তাঁর অমরতা। তাই কবি প্রিয়াকে বলতে পারেন-

‘তোমারে চাহিয়া রচিনু যে গান কণ্ঠে কণ্ঠে লভিবে তা প্রাণ

আমার কণ্ঠ হইবে নীরব, নিখিল কণ্ঠ মাঝে

শুনিবে আমারি সেই ক্রন্দন সে গান প্রভাতের সাঁঝে।’

চক্রবাক‘ কবিতাটিতে কাব্য সৃষ্টির মূল কথাটি ব্যক্ত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথে ভাষা ও ছন্দ কবিতায় কবিতাসৃষ্টির এ কাহিনি ব্যক্ত হয়েছে। নজরুল নতুন করে তা আবার পাঠকের সামনে তুলে ধরেছেন।  প্রেমজনিত বেদনা থেকে কাব্যের জন্ম। ব্যাধের শরে ক্রৌঞ্চমিথুনের একটি নিহত হলে অপরটির শোক দেখে আদি কবি বাল্মীকির মুখে প্রথম শ্লোক উচ্চারিত হয়েছিল। রামায়ণের রচয়িতা বাল্মীকির এই কাহিনির ইঙ্গিত কবিতায় দেখা যায়। এখানে চক্রবাকীর জন্য বিরহী চক্রবাকের দুঃখকে কবি অনুভব করে লিখেছেন-

এপার ওপার জুড়িয়া অন্ধকার

মধ্যে অকুল রহস্য পারাপার

তারি এই কূলে নিশি কাঁদে জাগি

চক্রবাক সে চক্রবাকীর লাগি।’

তারপর তাঁকে বলতে শোনা যায়-

‘আমাদের পটে তাহারি প্রতিচ্ছবি

সে গান শুনাই- আমার শিল্পীকবি।’

পরিশেষে বলা যায় যে, ‘চক্রবাক’ কাব্যের বিভিন্ন কবিতায় কবির প্রেম ও বিরহ সম্পর্কে বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি অত্যন্ত সুন্দর, সার্থক, জীবন্ত ও প্রাণবন্ত হয়ে ধরা পড়েছে। এ কাব্যে কবির প্রেমের বেদনা আছে। প্রেম ও বিরহের কাব্য হিসেবে ‘চক্রবাক‘ কাব্যগ্রন্থ নিঃসন্দেহে বাংলা সাহিত্যের অদ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ।

প্রফেসর মো: আখতার হোসেন বাংলা বিভাগ সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজ, যশোর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *