প্রেম ও প্রতাপের দ্বন্দ্ব এবং হৃদয়ের প্রেমের জয়

বিসর্জন নাটকের দ্বন্দ্ব

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত বিসর্জন নাটকটি একাধারে ধর্ম, রাজনীতি, প্রেম এবং মানবতার সংঘাতকে নাট্যরূপ দিয়েছে। এ নাটকের প্রধান সুর হলো প্রতাপশক্তি ও হৃদয়ের প্রেমের দ্বন্দ্ব, যার সমাধান ঘটে প্রেমের চূড়ান্ত বিজয়ের মাধ্যমে।

বিসর্জন নাটকের দ্বন্দ্ব: মূল বিষয় বিশ্লেষণ

সমগ্র রবীন্দ্র-নাট্যসাহিত্যে ‘বিসর্জন’ অন্যতম। আখ্যান বস্তুর সুনিপুণ বিন্যাস কৌশলে, ঘটনার দ্রুত প্রবাহে, নাটকীয় চমৎকারিত্বে, পাত্র-পাত্রীর অন্তরস্থিত ভাব ও বাইরের কাজের মধ্যে দ্বন্দ্বে, বেগবান রূপের প্রকাশে মঞ্চাভিনয়ের উপযোগিতায় ‘বিসর্জন’ নাটক এক বিশিষ্ট স্থান দখল করে আছে। শিল্পময় নাটকের প্রাণ হলো দ্বন্দ্ব। বিরুদ্ধ শক্তির সংঘাতই নাটকের আত্মা। ‘বিসর্জন’ নাটকের মূল দ্বন্দ্ব হলো ধর্মের অন্ধ সংস্কার ও চিরাচরিত যুক্তিহীন প্রথার সাথে নিত্যসত্য মানবধর্ম বা হৃদয়ধর্মের, মিথ্যা ধর্মবোধের সাথে উদার মনুষ্যত্বের, মানুষের তৈরি আচার-বিধির সঙ্গে হৃদয়ের পরম সত্য প্রেমের; হিংসার সাথে অহিংসার।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর



বিসর্জন নাটকের দ্বন্দ্ব: নাট্যকারের মতামত:

বিসর্জন নাটকের দ্বন্দ্ব প্রসঙ্গে নাট্যকারের মতামত


এই নাটকে বরাবর এই দুটি ভাবের মধ্যে বিরোধ দেখা যায়; প্রেম আর প্রতাপ।

রঘুপতির প্রভূত্বের ইচ্ছার সঙ্গে গোবিন্দমাণিক্যের প্রেমশক্তির দ্বন্দ্ব বেঁধেছে। রাজা প্রেমকে জয়ী করতে চেয়েছে আর রঘুপতি চেয়েছে তার ইচ্ছা জয়ী হোক। নাটকের শেষে রঘুপতির চৈতন্য ফিরে এসেছে। এবং হার মেনে নিয়েছে। এভাবে প্রেমের জয় দেখানো হয়েছে।

বিসর্জন নাটকের দ্বন্দ্ব
ত্রিপুরার রাজা গোবিন্দামণিক্যের নিঃসন্তান রাণী দেবীর কাছে সন্তান প্রার্থনা করে এবং শর্ত দেয় যে, প্রতিবছর শত শত প্রাণীর রক্তে দেবীর চরণ ধুয়ে দেবে। রাণীর নির্দেশে রঘুপতি অপর্র্ণার সন্তানতূল্য ছাগশিশু বলি দেয়। অপর্ণা রাজার কাছে সন্তান হারানোর ব্যথা নিয়ে ফরিয়াদ জানায়। রাজার মনে হয়েছে বিশ্ব মাতাই অপর্ণার বেশ ধরে মূল সত্য জানিয়ে গেল। রাজা রাজ্যে প্রাণী হত্যা বন্ধ করে দেয়। রাজার সাথে রঘুপতির দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। রঘুপতির শিষ্য জয়সিংহ অপর্ণার বেদনায় চমকে ওঠে। বুঝতে পারে প্রাণী হত্যা অমানবিক।

বিসর্জন নাটকের দ্বন্দ্ব

অন্যদিকে রঘুপতির প্রতি কৃতজ্ঞতা ; এ দুয়ের মধ্যে পড়ে জয়সিংহের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। রঘুপতি আপন অস্তিত্ব ও ক্ষমতা রক্ষার্থে আশ্রয় নেয় ষড়যন্ত্র, কৌশল ও মিথ্যার। রঘুপতি তার সন্তান তুল্য শিষ্য জয়সিংঞকে বলে যে দেবী রাজবক্ত চায়, ভক্ত হিসেবে তার উচিত রাজরক্তের ব্যবস্থা করা। অন্যদিকে সে রাণী গুণবতীকে রাজার বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তোলে। গোবিন্দমাণিক্যের অনুজ নক্ষত্ররায়কে রাজা হবার জন্য প্ররোচিত করে, বিনিময়ে গোবিন্দমাণিক্যের রক্ত পেতে চায়।


জয়সিংহ রাজাকে হত্যা করতে উদ্যত হলে রাজা তাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে, মূলত দেবী রক্ত চায় না, কণ্ঠ অনুকরণ করে রঘুপতিই রাজরক্ত চায়। এর পর রঘুপতি রাজার পালিত পুত্র ধ্রুবকে দেবীর পায়ে বলি দিতে ষড়যন্ত্র করে। কিন্তু রাজার হাতে ধরা পড়ে। রঘুপতি ও নক্ষত্ররায়ের আট বছরের নির্বাসন দ- দেওয়া হয়। রঘুপতি দুটো দিন সময় ভিক্ষা চায়। এদিকে রঘুপতি জয়সিংহকে প্রতিজ্ঞা করিয়ে নেয় যে , সে শ্রাবণের শেষ রাতে রাজরক্ত এনে দেবে।

বিসর্জন নাটকের দ্বন্দ্ব
নক্ষত্ররায় মোগলদের সাথে যোগ দিয়ে ত্রিপুরা রাজ্য আক্রমণের ঘোষণা দেয়। গোবিন্দমাণিক্য ভাইয়ের সাথে যুদ্ধ চায় না। তিনি রাজ্য ত্যাগ করার ঘোষণা দেন। জয়সিংহ অন্তর্দ্বন্দ্বে পরাজিত হয়ে উপলব্ধি করল পরম সত্য। তাই সে বলেছেÑ

আমি রাজপুত, পূর্ব-পিতামহ
ছিল রাজা, এখনো রাজত্ব করে মোর
মাতামহ বংশ- রাজরক্ত আছে দেহে
এই রক্ত দিব। এই যেন শেষ রক্ত
হয় মাতা। এই শেষ রক্তে মিটে যেন
অনন্ত পিপাসা তোর, রক্ত তৃষাতুর।

জয়সিংহ আত্মহত্যা করে বুকের রক্তে দেবীর পা সিক্ত করে দেয়। জয়সিংহের মৃত্যুর পর লোভী, স্বার্থপর রঘুপতি সন্তান হারানোর ব্যথা বুঝতে পারে। নিশ্চল প্রতিমাকে গোমতিজলে নিক্ষেপ করে নিজের ভুল বুঝতে পেরে অপর্ণাকে নিয়ে রঘুপতি মন্দির ত্যাগ করে। রাণী গুণবতী ফিরে আসে রাজার বুকে। রঘুপতি ও রাণীর মন থেকে লোভ ও হিংসা দূর হয় ; বিসর্জিত হয় হিংসার হোলি খেলা।

বিসর্জন নাটকের দ্বন্দ্ব -কাহিনি বিশ্লেষণ

‘বিসর্জন’ নাটকের কাহিনী পর্যালোচনা শেষে এটা পরিষ্কার যে, প্রেম ও হিংস্রতার মাঝে যে বৈপরিত্য ও চিরস্থায়ী দ্বন্দ্ব রয়েছেÑ তা-ই অঙ্কিত হয়েছে এ নাটকে। যারা হিংসার পূজারি তারা নিজ স্বার্থ চরিতার্থ করতে হিংস্রতা প্রকাশ করতে যে কোনো পথ অবলম্বন করে। রঘুপতি ও গুণবতী তাই করেছে। রঘুপতি তার অস্তিত্ব প্রতাফ রক্ষা করতে গিয়ে গুণবতীকে স্বামীর বিরুদ্ধে দাঁড়াতে প্ররোচিত করেছে, নক্ষত্ররায়কে ভাইয়ের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিয়েছে। বালক ধ্রুবকে বলি দিতে চেয়েছে। জয়সিংহকে পর্যন্ত হিংসার বলি হতে হয়েছে। অন্যদিকে যারা প্রেমে বিশ্বাসী তারা প্রেমের মাহাত্ম্যকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরার জন্য আত্মবিসর্জন দিতেও কুণ্ঠিত হয় নি।

জয়সিংহের আত্মবিসর্জনের মধ্যে দিয়ে হিংসা বিসর্জিত হয়েছে এবং প্রেমের বিজয় পতাকা উড়ানো হয়েছে এ নাটকে। রঘুপতির মধ্যে মিথ্যা ধর্মবোধ ও অন্ধ সংস্কার তার প্রচ- শক্তি নিয়ে চিত্রিত হয়েছে। রাণী গুণবতীর স্বার্থ বিজড়িত সংস্কার ও প্রথামূলক ধর্মবোধ রঘুপতিকে সাহায্য করেছে। আর সেই সাথে যুক্ত হয়েছে নক্ষত্র রায়ের রাজ্যলোভ। এ দলের সমস্ত চিন্তা ও কর্ম রঘুপতির বুদ্ধি দ্বারা পরিচালিত। অন্যদিকে, রাজা গোবিন্দমাণিক্য উদার সত্যধর্ম ও চিরন্তন হৃদয়ধর্মের ধারক-বাহক। হৃদয়হীন নিষ্ঠুর ধর্মপ্রথার জীবন্ত প্রতিবাদী।

প্রেম ও হৃদয়ধর্মের প্রতীক অপর্ণা রাজাকে সহায়তা করেছে। এই দুই বিরুদ্ধ শক্তির মাঝখানে আছে জয়সিংহ। জয়সিংহ আজন্ম লালিত হয়েছে প্রথাগত ধর্ম ও সংস্কারের মধ্যে। গুরুর প্রতি তার অচল ভক্তি; কিন্তু মনুষ্যত্ব ও হৃদয়ধর্ম তাকে বিচলিত করেছে। দ্বন্দ্বে পড়ে সে একবার এ পক্ষে আর একবার অন্যপক্ষের মধ্যে দোলায়িত হয়েছে। কোনো পক্ষকে সে আঁকড়ে ধরতে পারে নি। ফলে, তার আত্মবিসর্জনের মধ্যে দিয়েই জয়সিংহের তথা নাটকের মূল দ্বন্দ্বের অবসান ঘটেছে।

রাণী গুণবতীর সন্তান কামনার মধ্যে দিয়েই এ নাটকের মূল দ্বন্দ্বের সূত্রপাত ঘটেছে। রাণী সন্তানের জন্যে ব্যাকুল। অথচ শত শত প্রাণ ধ্বংস করতে বদ্ধ পরিকর। হৃদয়ের সহজ ধর্ম প্রাণের জন্য ভালোবাসা, কিন্তু অন্ধ সংস্কার তাকে রুদ্ধ করেছে। রাণীর সন্তান কামনার মধ্যে দিয়েই কিন্তু সত্য ও হৃদয়ধর্মের জয় ঘোষিত হয়েছে। ছাগবলিই এ নাটকের বিরোধের বীজ। এ বীজ বিস্তৃতি পেয়েছে রাজার মনে। তারপর বর্ধিত ও পল্লবিত হয়েছে আদেশের মধ্যে। এ ভাবের বীজ জয়সিংহের আজন্ম লালিত প্রথাধর্মের প্রতি এবং অটল বিশ্বাসের উপর ফাটল ধরিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে ধর্মের বাহ্য অনষ্ঠান সত্য না হৃদয়ধর্ম সত্য। নিজের আত্মবিসর্জনের মধ্য দিয়ে জয়সিংহ হৃদয়ধর্মকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

এটি নিঃসন্দেহে বলা যায় যে, এ নাটকের মূল দ্বন্দ্ব প্রেম ও প্রতাপের দ্বন্দ্ব। প্রথার চেয়ে মানুষ যে অনেক বড় তা এ নাটকে রূপায়িত হয়েছে। প্রেমের পক্ষ আর প্রতাপের পক্ষ মুখোমুখি হয়েছে। এই দ্বন্দ্বের মধ্যে দিয়ে কাহিনী আবর্তিত হয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত প্রেমের জয় চিত্রিত হয়েছে।

বিসর্জন নাটকে রবীন্দ্রনাথ দেখিয়েছেন, রাজকীয় প্রতাপ ও বলপ্রয়োগ সাময়িক হলেও প্রেম ও দয়া চিরন্তন। হৃদয়ের প্রেমই মানুষের সত্য বিজয় এনে দেয়, আর সেই প্রেমের মধ্য দিয়েই নাটকটি তার অনন্ত মানবিক বাণী উচ্চারণ করে।

বিসর্জন নাটকের দ্বন্দ্ব- আলোচনার সারসংক্ষেপ:

প্রতাপশক্তির রূপ

রাজা গোবিন্দমানিক্যের চরিত্রে প্রতাপ ও শক্তির প্রকাশ
রাজনীতির স্বার্থে বলিদান প্রথা চালু রাখার প্রবণতা
ক্ষমতার অহংকার ও রাজকীয় গৌরবের প্রভাব
ধর্মীয় রীতিনীতি ও অন্ধ বিশ্বাসের সঙ্গে প্রতাপের মিশ্রণ

প্রেমের রূপ

রানী গান্ধারীর মানবিক প্রেম
গোবিন্দমানিক্যের অন্তর্নিহিত মমতা ও দয়া
বিজয়ের প্রতি স্নেহ এবং হৃদয়ের আবেগময় আকর্ষণ
প্রাণের প্রতি প্রেম, দয়ার প্রতি আকর্ষণ, মানবতার প্রতি টান

দ্বন্দ্বের প্রকৃতি

রাজকীয় প্রতাপ বনাম ব্যক্তিগত মানবিকতা
ধর্মীয় বলিদান বনাম প্রাণের প্রতি প্রেম
ক্ষমতার আইন বনাম হৃদয়ের আবেগ
শক্তির প্রভাব বনাম দয়ার আহ্বান

সমাধান প্রেমের জয়

গোবিন্দমানিক্যের আত্মসমর্পণ প্রেম ও মানবতার কাছে
বলিদান প্রথার অবসান হৃদয়ের প্রেমের শক্তিতে
মানবতার মহত্ত্ব রাজনীতির প্রতাপকে অতিক্রম করে
রবীন্দ্রনাথ প্রেমকে মানবমুক্তির একমাত্র সত্য শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন

বিসর্জন নাটক ও রবীন্দ্রনাট্য বিষয়ক রেফারেন্স গ্রন্থ তালিকা

  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বিসর্জন। বিশ্বভারতী প্রকাশন, শান্তিনিকেতন।
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। রবীন্দ্র রচনাবলী (খণ্ড ৯–১০: নাটক সমগ্র)। কলকাতা: বিশ্বভারতী, ১৯৬১।
  3. ড. রফিকুল ইসলাম। রবীন্দ্রনাথ ও বাংলা নাটক। ঢাকা: বাংলা একাডেমি, ১৯৮৫।
  4. ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ। রবীন্দ্র-নাটকের রূপ ও প্রকৃতি। ঢাকা: মাওলা ব্রাদার্স, ২০১০।
  5. ড. সেলিনা হোসেন। বাংলা নাটকের ইতিহাস। ঢাকা: প্রথমা প্রকাশন, ২০০৮।
  6. ড. সৈয়দ আকরম হোসেন। রবীন্দ্রনাট্যের মূল্যায়ন। ঢাকা: অনুপম প্রকাশনী, ২০০৬।
  7. সুবোধ সরকার। রবীন্দ্র-নাট্যচিন্তা। কলকাতা: আনন্দ পাবলিশার্স, ১৯৯৮।
  8. ড. মালবিকা দত্ত। রবীন্দ্রনাট্যের অন্তরঙ্গ পাঠ। কলকাতা: দে’জ পাবলিশিং, ২০০৩।
  9. অশোক মিত্র। রবীন্দ্রনাট্য আলোচনা। কলকাতা: গ্রন্থনিকেতন, ১৯৭২।
  10. হীরেন্দ্রনাথ দত্ত। রবীন্দ্রনাট্য: ভাবনা ও বিশ্লেষণ। কলকাতা: প্রকাশ ভবন, ১৯৮০।
  11. শ্রীযুক্ত হীরেন মুখার্জি। রবীন্দ্রনাট্য: সমাজ ও রাজনীতি। কলকাতা: প্রগতিশীল প্রকাশন, ১৯৭৫।
  12. ড. নীলিমা ইব্রাহিম। বাংলা নাটক: ইতিহাস ও রূপ। ঢাকা: বাংলা একাডেমি, ১৯৮৯।
  13. ড. গোপাল হালদার। রবীন্দ্রনাট্যের দর্শন। কলকাতা: প্রগ্রেসিভ পাবলিশার্স, ১৯৭১।
  14. ড. অরুণকুমার মুখোপাধ্যায়। রবীন্দ্র-নাট্য পর্যালোচনা। কলকাতা: মিত্র ও ঘোষ, ১৯৮৪।
  15. ড. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত। বাংলা নাটকের রূপরেখা। কলকাতা: দে’জ, ১৯৯০।
  16. ড. এনায়েতুল্লাহ খান। বাংলা নাট্যধারা ও রবীন্দ্রনাট্য। ঢাকা: অগ্রণী প্রকাশনী, ২০০১।
  17. ড. দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়। রবীন্দ্রনাট্য: সমাজ ও দর্শন। কলকাতা: গণপ্রকাশনী, ১৯৭৮।
  18. ড. মুজিবুর রহমান। বাংলা নাট্যচর্চা ও রবীন্দ্রনাট্য। ঢাকা: বিদ্যাপ্রকাশ, ১৯৯৯।
  19. ড. শ্যামলকুমার সরকার। রবীন্দ্রনাট্য: মানবতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি। কলকাতা: সাহিত্য সংসদ, ২০০৫।
  20. ড. অরিন্দম চক্রবর্তী। রবীন্দ্রনাট্যে ধর্ম ও রাজনীতি। কলকাতা: গঙ্গা প্রকাশনী, ২০১১।

প্রফেসর মো: আখতার হোসেন,

বাংলা বিভাগ,

সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজ, যশোর।

One Response

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *