মাইকেল মধুসূদন দত্তের মহাকাব্যে রসতত্ত্বের প্রয়োগ


মেঘনাদবধ কাব্যের রস বিচার — মাইকেল মধুসূদন দত্তের (১৮২৪-১৮৭৩) অমর সৃষ্টি মেঘনাদবধ কাব্য। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম এবং একমাত্র সার্থক মহাকাব্য। এ কাব্যের মধ্যে দিয়েই বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার সূত্রাপাত ঘটে। মহাকাব্য বীর রসের কাব্য এবং মধূসূদন ঘোষণাও দিয়েছিলেন-বীর রসের “মহাগীত” গাইবেন, কিন্তু সমালোচকেরা বলেন যে, মেঘনাদবধ কাব্য বীররসের কাব্য নয়, করুণ রসের কাব্য, সমালোচকের এ উক্তি কতটুকু সার্থক তা বিচার করে দেখা যেতে পারে।

মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত

মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত মেঘনাদবধ কাব্য বাংলা মহাকাব্যের ইতিহাসে এক অনন্য সৃষ্টি। এতে রামায়ণের কাহিনি অবলম্বন করা হলেও চরিত্রগুলির চিত্রণ, কাব্যের দৃষ্টিভঙ্গি ও রসবোধ সম্পূর্ণ নতুন। কাব্যের প্রধান শক্তি এর রসবিচারে নিহিত, কারণ মহাকাব্যের প্রয়োজনীয় ভব্যতা, উদারতা ও নায়কোচিত বীরত্ব এর রসে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত।

বাংলা মহাকাব্যের শিখরে অবস্থান করছে মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত মেঘনাদবধ কাব্য। রামায়ণের কাহিনি অবলম্বন করেও কবি এখানে দিয়েছেন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ও নবীন রসবোধ। মহাকাব্যের গাম্ভীর্য, বীরত্ব এবং করুণতার এক অনন্য মিশ্রণ দেখা যায় এই কাব্যে।

রামায়ণ গ্রন্থ
গ্রিক মহাকবি হোমার

মেঘনাদবধ কাব্যের রস

নরেন বিশ্বাসের কাব্যতত্ত্ব অন্বেষা

মেঘনাদবধ কাব্যের রস বিচার করার আগে দেখা যাক এ কাব্যের পরতে পরতে কী কী রস আছে।

বীর রস: যেখানে নায়কের সাহসিকতা, ন্যায়রক্ষা ও মহত্ত্বের প্রকাশ ঘটে সেখানে বীর রসের উদ্ভব হয়। মেঘনাদবধ কাব্যের মেঘনাদের যুদ্ধবীর্য ও বীরত্বপূর্ণ মৃত্যু, ইন্দ্রজিতের শত্রুর প্রতি সম্মান প্রদর্শন, রাবণের রণক্ষেত্রে অদম্য সাহসিকতা ইত্যাদি ক্ষেত্রে বীর রস রয়েছে। রাবণের মুখে —
“যাহারে মৃত্যু ভয় দেখায় না, মৃত্যুই তাহারে ভয় পায়।”

ফলে কাব্যে এক গৌরবময় ও উদার নায়কোচিত আবহ সঞ্চার করে।

করুণ রস:বেদনা, দুঃখ ও সহানুভূতির উদ্রেক করাই করুণ রসের কাজ।মেঘনাদের মৃত্যু ও রাবণের বেদনায় পূর্ণ শোক প্রকাশ। মেঘনাদবধ কাব্যে প্রমীলার স্বামীহারা বেদনা, রাবণের ট্র্যাজিক পরিণতি পাঠকের মনে করুণানুভূতির সঞ্চার ঘটিয়ে কাব্যকে গভীর বেদনাবিধুর গাম্ভীর্যে আবিষ্ট করে।

হায় হায় স্বামী, হায় হায় প্রাণ, হায় হায় প্রিয়া!
মেঘনাদ! কোথায় তুমি, কোথায়?”
(সপ্তম সর্গ)

রৌদ্র রস ক্রোধ, প্রতিহিংসা ও ধ্বংসযজ্ঞের প্রকাশ যেখানে ঘটে সেখানে রৌদ্র রস। রাবণের ক্রোধোন্মত্ত যুদ্ধপ্রস্তুতি, লঙ্কার রাজপুরুষদের প্রতিহিংসা ও জ্বলন্ত ক্রোধ ইত্যাদি যুদ্ধের ভয়াবহতা ও শত্রু-বিনাশের দৃশ্য কাব্যকে উদ্দাম ও শক্তিশালী করে তোলে।

অগ্নি সম ক্রোধ জ্বলে, দগ্ধে দিগন্ত চতুর্দিকে।
(পঞ্চম সর্গ)

শান্ত রস – যেখানে সকল দ্বন্দ্বের শেষে প্রশান্তি ও পরম সত্যের উপলব্ধি ঘটে, সেখানেই শান্ত রস। মেঘনাদের মৃত্যুর পর এক প্রকার গাম্ভীর্যপূর্ণ নিস্তব্ধতা , ট্র্যাজেডির পরিণতি হিসেবে জীবনের অনিত্যতার উপলব্ধি পাঠককে শান্ত রসের আবেশ দেয়।

যুদ্ধের শেষে নীরব লঙ্কা, নিস্তব্ধ রণাঙ্গন।
(সপ্তম সর্গ)

গৌণ রস হিসেবে বিভৎস রস (যুদ্ধক্ষেত্রে রক্তক্ষয়ী বর্ণনা ও দেহচ্ছেদের দৃশ্যে) ও অদ্ভুত রসের ( দেবশক্তি ও অলৌকিক ঘটনার বর্ণনায়)কথা বলতে হয়।

বিভৎস রসের উদাহরণ — “রক্তে লাল ভূমি, দেহচ্ছেদে গঠিত ভয়াল দৃশ্য।”

অদ্ভুত রসের উদাহরণ — “দেববাণী ভেসে আসে আকাশ হতে।”

মেঘনাদবধ কাব্যের রস : কোন রস প্রাধ্যন্য পেয়েছে?

বীররসের না করুণ রসের কাব্য এ নিয়ে বিতর্ক হওয়ার কারণও রয়েছে। পাশ্চাত্য কবিরা বীররস প্রধান মহাকাব্য লিখেছেন। মধুসূদন তাদের অনুসরণ করেই মেঘনাদবধ কাব্যকে বীররস প্রধান করে তুলতে চেয়েছিলেন। কাব্যের শুরুতে কবি বলেছেন-


“গাইব মা, গীত বীর রসে ভাসি
মহাগীত, উরি, দাসে দেহ পাদছায়া।”


আপাত দৃষ্টিতে এ কাব্যকে বীররসের বলেই মনে হয়। কেননা কাব্যের প্রথম থেকেই একজন বীরের কথা আছে-


সম্মুখ সমরে পড়ি, বীর চূড়ামনি
বীরবাহু, চলি যবে গেলা যমপুরে
অকালে, কহ, হে দেবি, অমৃতভাষিণী,
কোন্ বীরবরে বরি সেনাপতিপদে,
পাঠাইলা রণে পুনঃ রক্ষঃকুলনিধি
রাঘবারি।


এই বীরবাহু মাতৃভূমির সম্মান রক্ষার্থে বীরের মতো জীবন দান করেছে।

       বীরবাহুর মৃত্যুতে রাবণ বেদনাহত হলেও বীরত্ব-চেতনা সৃষ্টিতে তার ভূমিকা কম নয়। সম্মুখ সমরে পড়ে বীরবাহু মৃত্যু বরণ করেছে। পৃষ্ঠে নাহি অস্ত্রলেখা’, পুত্রের বীরত্বগাথা রাবণসহ অন্যদেরকে উজ্জীবিত করেছে। তাই রাবণ বলেছে-

“সাবাসি দূত! তোর কথা শুনি,
কোন্ বীর-হিয়া নাহি চাহে রে পশিতে
সংগ্রামে? ডমরুধ্বনি শুনি কাল ফণী
কভু কি অলসভাবে নিবাসে বিবরে?

       এরপর রাবণ পুত্রশোক মনের গভীরে রেখে যুদ্ধের উদ্যোগ নিয়েছে। এতে পাতাল, মর্ত্য,েস্বর্গে উৎসাহ ভাব জেগেছে। রাবণের সাথে মেঘনাদের যে কথোপকথন, তাতেও বীররস ফুটে উঠেছে। তৃতীয় স্বর্গে প্রমীলা ও তার নারী বাহিনীর লঙ্কাপুরীতে প্রবেশের সময় বীরত্ব প্রকাশ পেয়েছে। ষষ্ঠ স্বর্গে মেঘনাদের মৃত্যুতে  শোকের বন্যা বয়ে গেলেও মেঘনাদের কথায় ও আচরণে বীরত্বের পরিচয় পাওয়া যায়। ৭ম সর্গে ছড়িয়ে রয়েছে রাবণের বীরত্বগাথা। শোক তার বীরত্ব ও যুদ্ধের আগ্রহকে দমাতে পারে নি। তাই যুদ্ধযাত্রাকালে পদতলে পতিত মন্দোদরীকে রাবণ বলে-

যাও ফিরি শুন্য ঘরে তুমি;
রণক্ষেত্র যাত্রী আমি, কেন রোধ মোরে?
বিলাসের কাল, দেবি, চিরকাল পাব।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে বীর রসের মূলগত ভাব যে উৎসাহ ও তার ব্যঞ্জনা, তা এই কব্যের প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পাওয়া যায়।
বীরত্বের তালিকা থাকলেও বীররসের কাব্য বলার পক্ষে তা যথেষ্ট্য নয়। প্রতিটি সর্গে বীরত্বগাথা থাকলেও সমগ্র কাব্যটির মধ্যে দিয়ে করুণ রস ফল্গুধারার ন্যায় প্রবাহিত হয়েছে। প্রথম স্বর্গে রাবণের আর্তনাদ-
কি পাপ দেখিয়া মোর, হে দারুণ বিধি
হারিলি এ ধন তুই? হায় রে, কেমনে
সহি এ যাতনা আমি।

রাবণের শোকের মধ্যে দিয়ে সৃষ্ট করুণ রসের নদী ক্রমাগত বেদনার সাগরে পরিণত হয়েছে। পুত্রহীনা চিত্রাঙ্গদার কান্না রাজদরবার ভিজিয়ে সিক্ত করে দিয়েছে। দ্বিতীয় সর্গে বৈদিহীর দুঃখে স্বর্গবাসীদেরও হৃদয় ফোটে চৌচির হয়েছে। ৪র্থ স্বর্গ সীতা সরমার চোখের জলে সিক্ত হয়েছে। সর্গটি করুণ রসে প্লাবিত।

রাজার নন্দিনী আমি রাজ কুলবধূ
তবু বদ্ধ কারগার। কাঁদিলা রূপসী
সরমার গলা ধরি, কাঁদিলা সরমা।


পঞ্চম সর্গে যুদ্ধে যাবার প্রক্কালে মেঘনাদ যখন মায়ের কাছ থেকে বিদায় নেয়, তখন মায়ের অন্তর ভেদ করে বেদনার ঢেউ উঠেছে। প্রমিলা তার স্বামী মেঘনাদকে বিদায় দিতে গিয়ে অশ্রুসিক্ত হয়েছে। ষষ্ঠ স্বর্গে মেঘনাদের মৃত্যুর বর্ণনা-
লঙ্কার পঙ্কজ রবি গেলা অস্তাচলে।

শুধু পাঠকই বেদনার্ত হয়না, কবি নিজেও বেদনায় ভেঙে পড়েন। সপ্তম সর্গটি রাবণের বীরত্বগাথা হলেও লক্ষ্মণের মৃত্যুতে রামের কান্নার ঢেউয়ে বীররস করুণ রসের প্লাবনে আচ্ছন্ন হয়ে গেছে। নবম স্বর্গে মেঘনাদের চিতার সামনে দাঁড়িয়ে রাবণের হাহাকার সীমাহীন শোকের সৃষ্টি করেছে। তাঁর আক্ষেপের মধ্যে করুণ রস গভীর ও ব্যাপক হয়ে ধরা দিয়েছে।


সেবিনু শিবিরে আমি বহু যত্ন করি,
লভিতে কি এই ফল?
অথবা,
ছিল আশা, মেঘনাদ, মুদিব অন্তিমে
এ নয়নদয় আমি তোমার সম্মুখে;
সপি রাজ্যভার, পুত্র, তোমায়, করিব
মহাযাত্রা। কিন্তু বিধি- বুঝিব কেমনে
তাঁর লীলা ? ভাঁড়াইলা সে সুখ আমারে।


স্বামী অনুগামিনী প্রমীলার বিদায় বাণী পরিবেশকে আরও বেদনাঘন করে তুলেছে। কাব্যের শেষে দেখা যায় শুধু নায়ক নয়, সমগ্র লঙ্কার জনগণই কাঁদছে।

সপ্ত নিবানিশি লঙ্কা কাঁদিল বিষাদে।

কাব্যের আরম্ভ একজন বীরের বীরত্ব দিয়ে হলেও সেই বীর জীবিত নয়, মৃত। কাব্যের শেষও হয়েছে একজন বীরের মৃত্যু দিয়ে, সে মেঘনাদ। সুতরাং দেখা যাচ্ছে বিষাদেই কাব্যের শুরু এবং বিষাদেই কাব্যের শেষ হয়েছে।

মেঘনাদবধ কাব্যের রস : মতের ভিন্নতা

অনেকে বলে থাকেন ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ যুদ্ধের কাব্য। কিন্তু কাব্যের মধ্যে প্রবেশ করলে দেখা যাবে রাম-রাবণের যুদ্ধই এ কাব্যের প্রধান বিষয় নয়, এটা প্রকৃত পক্ষে লঙ্কার ধ্বংসের চিত্র। রাবণের মর্মান্তিক পরিণতি কাব্যকে করুণ পরিণতি দান করেছে। নিয়তি রাবণের গৌরব ও দম্ভ ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে। রাবণের আহাকার-


শুখাইছে ফুল এবে, নিবিছে দেউটি
নীরব রবার বীণা, মুরজ মরলী;
তবে কেন আর আমি থাকিব এখানে ?

অনেক মনে করেন বীর রসের অনুষঙ্গী হিসেবে করুণ রস আসতে পারে। কেননা বীরের বীরত্ব দেখাতে গেলে আরেক বীরের পরাজয়ের চিত্র দেখতেই হয়। কিন্তু এ কাব্য বীররস ও করুণ রস সে হিসেবে একে অপরের সম্পূরক হয়নি।

মেঘনাদবধ কাব্যের রস : বীর রস কেন করুণ রসে পরিণত

বীররসের কাব্য করুণ রসে পরিণত হল কেন ? আসলে কবির নিজের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল। নিজ জীবনের নৈরাশ্য ও ব্যর্থতাটাকে তিনি ভুলতে পারেন নি। রারণ ও মেঘনাদের পরাজয়ের মধ্যে কবি নিজ সত্ত্বারই পরাজয় ফুটে উঠেছে। তাছাড়া দেশি-বিদেশি আদর্শের সমন্বয় প্রবণতার জন্যেও হয়তো বীর রসের কাব্য লেখার ঘোষণা দিয়েও বাঙালি সংস্কারের মমতা ত্যাগ করতে পারেন নি। তাই তার প্রমীলা বীরাঙ্গণা হয়েও আদর্শ বাঙালির ঘরের বউ। রাম ভ্রাতৃস্নেহে দেওলিয়া, পরম সার্থবাদী বিভীষণও মেঘনাদের মুখের দিকে তাকিয়ে কেঁদে উঠেছে।

যে কাব্যের শুরু পুত্র শোকের ঝর ঝর অশ্রুধারা দিয়ে, শেষ পুত্র শোকের কান্না দিয়ে, যে কাব্যের সারা দেহ চোখের জলে ভেজা, বীরের পা ফেলার মতো এক খ- মাটিও শুখনো নেই, যে কাব্যের এমন কোন সর্গ নেই যেখানে করুণ রস প্রবেশ করে নি, সেই কাব্যকে করুণ রসপ্রধান কাব্য না বলে উপায় থাকে না। শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় এ কাব্যের রস বিচার প্রসঙ্গে বলেছেন-

বীররস ইহার আবরণ ও আভরণমাত্র দেহখানি করুণ রসেই অভিসিঞ্চিত। কাব্যখানি একেবারে মাইকেলের প্রতিচ্ছবি উপরে শাট-বুট-কোট-প্যান্টে পুরা সাহেব, কিন্তু ভিতরে সেই স্নেহ কোমল বাংলা মায়ের দরদী সন্তান।

প্রফেসর মো: আখতার হোসে, বাংলা বিভাগ, সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজ, যশোর

মেঘনাদবধ কাব্যের রস বিচার – সহায়ক গ্রন্থতালিকা:

পুস্তকসমূহ

  1. দত্ত, মাইকেল মধুসূদন। (২০০৪)। মেঘনাদবধ কাব্য। কলকাতা: আনন্দ পাবলিশার্স।
  2. দাশ, সত্যেন্দ্রনাথ। (২০১১)। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস। ঢাকা: সাহিত্য প্রকাশ।
  3. চক্রবর্তী, বিমল। (২০১২)। মাইকেল মধুসূদন দত্তের কাব্যতত্ত্ব। কলকাতা: দে’জ পাবলিশিং।
  4. ভট্টাচার্য, অমলেন্দু। (২০০৯)। বাংলা মহাকাব্য: উৎস ও বিকাশ। ঢাকা: বিদ্যাপীঠ।
  5. সেন, সুকুমার। (২০১৩)। বাংলা সাহিত্যের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস। কলকাতা: আনন্দ পাবলিশার্স।
  6. দাশগুপ্ত, সত্যব্রত। (২০১০)। কাব্যতত্ত্ব ও রসতত্ত্ব। কলকাতা: মিত্র ও ঘোষ পাবলিশার্স।
  7. মণ্ডল, অরুণ। (২০১৪)। রসতত্ত্বের আলোকে মধুসূদন। ঢাকা: সাহিত্য সংসদ।

গবেষণা নিবন্ধসমূহ

  1. ঘোষ, তপনকুমার। (২০১৫)। “মেঘনাদবধ কাব্যে রসতত্ত্বের প্রয়োগ: এক বিশ্লেষণ।” বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, ২২(৩), ৪৫-৬০।
  2. ইসলাম, মাহবুব। (২০১৮)। “মধুসূদনের বীররস: ভারতীয় মহাকাব্যিক ধারা ও পাশ্চাত্য প্রভাব।” ধ্বনি, ১০(২), ৫১-৭০।
  3. রায়, অনিন্দিতা। (২০২০)। “মেঘনাদবধ কাব্যের করুণ ও রৌদ্র রসের মিশ্রণ।” সাহিত্য অন্বেষণ, ১৮(১), ৩৩-৪৮।

গবেষণা নিবন্ধসমূহ

  1. ঘোষ, তপনকুমার। (২০১৫)। “মেঘনাদবধ কাব্যে রসতত্ত্বের প্রয়োগ: এক বিশ্লেষণ।” বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, ২২(৩), ৪৫-৬০।
  2. ইসলাম, মাহবুব। (২০১৮)। “মধুসূদনের বীররস: ভারতীয় মহাকাব্যিক ধারা ও পাশ্চাত্য প্রভাব।” ধ্বনি, ১০(২), ৫১-৭০।
  3. রায়, অনিন্দিতা। (২০২০)। “মেঘনাদবধ কাব্যের করুণ ও রৌদ্র রসের মিশ্রণ।” সাহিত্য অন্বেষণ, ১৮(১), ৩৩-৪৮।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *