লায়লী-মজনু কাব্যের অতি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-কণিকা।

প্রফেসর মো: আখতার হোসেন, বাংলা বিভাগ, সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজ, যশোর
খোলা পাতা – বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য।

লায়লী-মজনু কাব্য – দৌলত উজির বাহরাম খান

লায়লী-মজনু কাব্য – অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর।

আরবি–ফারসি প্রেমসাহিত্যের ইতিহাসে লায়লী-মজনু কাব্য এক অনন্য স্থান অধিকার করে আছে। মানবিক প্রেম, ত্যাগ ও আত্মিক ব্যাকুলতার চিরন্তন রূপ ফুটে উঠেছে লায়লী-মজনু কাব্য-এর প্রতিটি স্তবকে। কেবল কাহিনিনির্ভর নয়, লায়লী-মজনু কাব্য সমাজব্যবস্থা ও সংস্কারবিরোধী এক নীরব প্রতিবাদও বহন করে। শিক্ষার্থীদের পাঠ্যসূচিতে লায়লী-মজনু কাব্য অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পেছনে রয়েছে এর ভাষাগত সৌন্দর্য ও ভাবগত গভীরতা। সাহিত্য পাঠের ক্ষেত্রে লায়লী-মজনু কাব্য প্রেমকে আত্মিক সাধনার স্তরে উন্নীত করেছে।

মধ্যযুগীয় কাব্যধারায় লায়লী-মজনু কাব্য প্রেমকাব্যের আদর্শ মডেল হিসেবে বিবেচিত। পরীক্ষাভিত্তিক প্রস্তুতিতেলায়লী-মজনু কাব্য থেকে অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অল্প কথায় মূলভাব ধরতে শেখায় লায়লী-মজনু কাব্য। চরিত্র, কাহিনি ও দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি বোঝার জন্য লায়লী-মজনু কাব্য অপরিহার্য।

প্রেমের ব্যথা ও আত্মত্যাগের শিক্ষা দেয়লায়লী-মজনু কাব্য। পাঠ্যবইয়ের আলোচনায় লায়লী-মজনু কাব্য ছাত্রছাত্রীদের সাহিত্যরুচি গঠনে সহায়ক। সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে লায়লী-মজনু কাব্য সহজে আয়ত্ত করা যায়। তাই শিক্ষার্থীদের জন্য লায়লী-মজনু কাব্য বিষয়ক এই অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর সংকলন বিশেষ প্রয়োজনীয়। সামগ্রিকভাবে পাঠ ও পরীক্ষার প্রয়োজনে লায়লী-মজনু কাব্য একটি অপরিহার্য সাহিত্যিক অধ্যায়।

লায়লী-মজনু কাব্য – অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর।

লায়লী-মজনু কাব্য – অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর।

লায়লী-মজনু কাব্য – অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর।

প্রশ্ন        লায়লী-মজনু কাব্য বাংলা ভাষায় যাঁরা যাঁরা  লিখেছেন তাদের নাম লেখ।

উত্তর     দৌলত উজির বাহরাম খা (১৫৪৫-৫৩ খ্রি.)

                মুহম্মদ খাতের (দোভাষী পুঁথি ১৮৬৪ খ্রি.)

                আবদুজ জহিরুল হক (দোভাষী পুঁথি ১৯৩০ খ্রি.)

                ওয়াজেদ আলী (দোভাষী পুঁথি ১৯৪৪ খ্রি.)

প্রশ্ন        বাংলা ভাষায় গদ্যে রচিত ‘লায়লী-মজনু’র রচয়িতাদের নাম লেখ।

উত্তর     শেখ ফজলুল করিম সাহিত্যবিশারদ (১৯০৩), আবদুল গফুর সিদ্দিকী অনুসন্ধান বিশারদ, শাহাদৎ হোসেন, মীর্জা সোলতান আহমদ।

প্রশ্ন        লায়লী-মজনু কাব্যে মজনুর মূল নাম কী ?

উত্তর     কএস।

প্রশ্ন        মজনু বা কএস এর বাবার নাম কী ? 

উত্তর     ধনকুবের আমীর।

লায়লী-মজনু কাব্য – অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর।

লায়লী-মজনু কাব্য – অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর।

লায়লী-মজনু কাব্য – অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর।

প্রশ্ন        ‘কুলের নন্দিনী হৈয়া নাহি কুললাজ।

                কলঙ্ক রাখিলি তুই আরব সমাজ।’-  কোন প্রসঙ্গে একথা বলেছিল ?

উত্তর     লায়লীর মা যখন লায়লীর সহপাঠীদের কাছে জানতে পায় যে, পাঠশালায় যাওয়ার নামে লায়লী মজনুর প্রেমে মজেছে, তখন মা লায়লীকে ভর্ৎসনা করে একথা বলেছে।

প্রশ্ন        ‘কলিকা সম-এ পুষ্প কীটে কৈলে ভোগ।

                না করে তাহার সঙ্গে ভ্রমর সংযোগ।’- এ কথা দিয়ে লায়লীর মা কী বোঝাতে চেয়েছে?

উত্তর     লায়লীর মা বোঝাতে চেয়েছে যে, কিশোরী বয়সে লায়লীর প্রেমের কথা জানলে তাকে আর কেউ বিয়ে করবে না।

প্রশ্ন        ‘একহি শরীর দুই একহি পরাণ।

                বিরহ করাতে যেন কৈল দুইবাণ।’-  কোন প্রসঙ্গে একথা বলা হয়েছে ? 

উত্তর     পাঠশালায় লায়লী পড়াশুনার নামে মজনুর সাথে প্রেমে মজেছে শুনে লায়লীর মা লায়লীর পাঠশালা বন্ধ করে ঘরে বন্দি করে, কাগজ-কলম সরিয়ে রাখে যাতে পত্রাদি না লিখতে পারে, লায়লীর বন্ধ ঘরের চারপাশে কড়া পাহারা রাখে। এভাবে বিরহ করাতে লায়লী এবং মজনুকে দ্বিধাবিভক্ত করেছে।

প্রশ্ন        মজনু যে ভিখেরিবেশে লায়লীদের বাড়িতে এসেছিল একথা লায়লীর মাকে কে বলে দেয়? 

উত্তর     দুর্জন দ্বাররক্ষী।

প্রশ্ন        ভিখেরিবেশে মজনুকে মারার পরামর্শ পাড়ার ছেলেদের কে দেয় ? 

উত্তর     লায়লীর বাবা, যাতে সে আর কখনও লায়লীদের বাড়িতে না আসে।

প্রশ্ন        লায়লীর বিয়ে হয় কার সাথে ?

উত্তর     ইবন সালামের পুত্রের সাথে।

লায়লী-মজনু কাব্য – অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর।

প্রশ্ন        মজনুকে নগর ছাড়া করে কীভাবে?

উত্তর     লায়লীর বাবার নির্দেশে পাড়ার বালকেরা মজনুকে ঢিল মেরে তাকে পাগল-পাগল বলে শেষ পর্যন্ত নগর ছাড়া করে।

প্রশ্ন        মজনু কার মাধ্যমে লায়লীর কাছে পত্র দেয় ?

উত্তর     বনের পাখির মাধ্যমে।

প্রশ্ন        লায়লী-মজনু কাব্যের কোন অংশে ‘ব্রজবুলি’ ব্যবহার করা হয়েছে?

উত্তর     ঋতু পরিক্রমা অংশে।

প্রশ্ন        চৌতিশা বলতে কী বোঝায় ?

উত্তর     বিপন্ন নায়ক-নায়িকা চৌত্রিশ অক্ষরে ইষ্টদেবতার যে স্তব রচনা করে, তাকে  চৌতিশা বলে। বাংলা বর্ণমালার ৩৪টি বর্ণকে এক একটি চরণের প্রথম শব্দের আদ্যাক্ষররূপে প্রয়োগ করে বিরহী হৃদয়ের ওপর এক এক মাসের প্রাকৃতিক প্রভাব বর্ণনার উদ্দেশ্যে একাধিক চরণ রচনার শৈল্পিক রীতির নাম  চৌতিশা। 

প্রশ্ন        বাংলা ভাষায় বাঙালিরা যাকে পাগল বলে আরবের লোক তাকে কী বলে ? 

উত্তর     মজনু।

প্রশ্ন        প্রেমোন্মাদ মজনু আর পিতাকে চিনতে না পেরে তাকে কী প্রশ্ন করেছিল ? 

উত্তর     জিজ্ঞাসিলা তোম্মার কী নাম মহাশয়।

প্রশ্ন        মজনু লায়লী প্রেমে উন্মাদ হয়ে  বসবাস করত কোথায়?

উত্তর     নজদ বনে।

প্রশ্ন        দৌলত উজির বাহরাম খাঁর পীর আসাউদ্দীনের বাড়ি  কোথায়?

উত্তর     ফতেয়াবাদ (চট্টগ্রাম)।

প্রশ্ন        মজনুর সাথে লায়লীকে বিয়ে দিতে লায়লীর বাবার অমতের কারণ কী ?

উত্তর     মজনু পাগল ও উন্মাদ, বনে  বাস করে এজন্য বিয়েতে সম্মত নয়।

প্রশ্ন        মজনু শব্দের অর্থ কী ?

উত্তর     পাগল প্রেমিক।

প্রশ্ন        মজনুর বাবার নাম কী ?

উত্তর     ধনকুবের আমীর।

প্রশ্ন        মূল ঘটনা আরবের হলেও অনূদিত কাব্যের পরিবেশ কোন দেশের ?

উত্তর     বাংলাদেশের।

প্রশ্ন        মজনুর কান্না থামানোর জন্য কী ব্যবস্থা করা হয় ?

উত্তর     লায়লীর পায়ের ধুলো মজনুর চোখে লাগানো হয়।

প্রশ্ন        মজনু ভিখারি বেশে আসলে লায়লীর মা জানে কীভাবে?

উত্তর     দুজন দ্বাররক্ষী বলে দেয়।

প্রশ্ন        লায়লীর প্রেমকথা মা কীভাবে জানে ?

উত্তর     সহপাঠীরা বলে দেয়।

প্রশ্ন        লায়লীর মায়ের নাম কী ?

উত্তর     সুমতী।

লায়লী-মজনু কাব্য – অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর।

প্রশ্ন        নজদ বনে লায়লী মজনুকে কীভাবে চেনে ?

উত্তর     লায়লীর নাম শুনে।

প্রশ্ন        ‘তুম্মি বিনে অকারণ জীবন যৌবন’ কার জীবন ব্যর্থ?

উত্তর     যার জীবন উত্তর লায়লী ছাড়া মজনুর জীবন ব্যর্থ।

প্রশ্ন        রাজা নয়ফল নজদ বনে  কী জন্য যায় ?

উত্তর     পশু শিকার করতে।

প্রশ্ন        প্রেমোন্মাদ মজনুর নিরন্তর চোখের জল বন্ধ করতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয় ?

উত্তর     বিজ্ঞজনের পরামর্শ মোতাবেক মজনুর কান্না থামাতে লায়লীর পায়ের ধুলো নিয়ে চোখে দিয়ে মজনুকে মজনুকে জানানো হয় যে, এ হলো লায়লীর পায়ের ধুলো, যাতে সে ধুলো ধুয়ে যাওয়ার ভয়ে কান্না থামিয়ে দেয়।

প্রশ্ন        লায়লীর পদরেণু চোখে দিয়ে মজনুর কান্না থামানো হলে মজনুর ভেতর নতুন কী উপসর্গ দেখা দেয় ?

উত্তর     মজনু এখন আর কাঁদে না। তবে ধারালো নখ দিয়ে তার বুকের মাংস খুবলে নেয়।

প্রশ্ন        ‘উরু ভেন্দি তরু হৈল নাহিক চেতন।’উত্তর কার কথা বলা হয়েছে ?

উত্তর     নজদ বনে অবস্থানরত লায়লী প্রেমে বিভোর মজনুর কথা বলা হয়েছে।

প্রশ্ন        মজনু পরনের কাপড় যাতে না খোলে সেজন্য বিজ্ঞজনের পরামর্শ কী ছিল ?

উত্তর     বিজ্ঞজন এই পরামর্শ দেয় যে, মজনুকে বলতে হবে যে, লায়লীর  গলার ডোর তার কটিদেশে দেওয়া হয়েছেউত্তর একথা শুনলে মজনু তার কাপড় খুলবে না।

প্রশ্ন        মজনুর সাথে বিয়েতে লায়লীর বাবা সম্মত না হওয়ার কারণ কী ?

উত্তর     মজনু বদ্ধ উন্মাদ। সে উলঙ্গ থাকে, বনে বাস করে। তাই লায়লীর বাবা এমন ছেলের সাথে মেয়ে বিয়ে দিতে অসম্মত।

প্রশ্ন        আমীর মালিককে ছেলের উন্মাদনা সম্পর্কে কী বলেছিল ?

উত্তর     মজনুর বাবা আমীর লায়লীর বাবা মালিককে বলেছিল যে, মজনু উন্মাদ হয়েছে লায়লীর জন্য। লায়লীর সাথে তার বিয়ে হলে মজনু সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবন আচরণ করবে।

প্রশ্ন        বিয়ের উদ্দেশ্যে মজনু লায়লীর বাড়িতে এসে কী  ঘটনা ঘটিয়েছিল ?

উত্তর     নজদ বন থেকে মজনুকে এনে চুল, নখ কেটে তাকে সুন্দর করে বিয়ের উদ্দেশ্যে লায়লীদের বাড়িতে নিলে সে লায়লীদের কুকুরকে ধরে বুকে নিয়ে তাকে চুম্বন করে। তা দেখে বদ্ধ উন্মাদের সাথে মালিক তার মেয়েকে বিয়ে দেবে না বলে দেয়।

প্রশ্ন        মজনুর সাথে লায়লীর বিয়ে দিলে মজনুর বাবা লায়লীর বাবাকে কী কী  সুবিধা দিতে চায় ?

উত্তর     মজনুর বাবা লায়লীর বাবাকে বলে যে, যদি লায়লীকে মজনুর সাথে বিয়ে দেয় তবে বহুমূল্যের রজত কাঞ্চন দেবে, দাস-দাসী দেবে শতাধিক, দুশ’ উট, একশ তুরঙ্গ, পাঁচশ ষাঁড় এবং পঞ্চাশটি হাতি উপহারস্বরূপ দেবে।

প্রশ্ন        মজনু ভিন্ন অন্যের সাথে লায়লীর বিয়ে ঠিক হলে লায়লী তার মাকে কী বলে ?

উত্তর     লায়লী মজনুকে স্বামী মনে করে। অন্য কারও সাথে সে বিয়েতে সম্মত নয়। সে তার মাকে বলে যে, এক রাজ্যে যেমন দুজন রাজা থাকতে পারে না, তেমনি একই নারীর মনে দু’পুরুষের স্থান হয় না।

প্রশ্ন        বাসর রাতে লায়লী স্বামীর সাথে কী ধরনের আচরণ করেছিল ?

উত্তর     লায়লী মজনুকেই স্বামী জ্ঞান করে। মা-বাবা তাকে জোর করে বিয়ে দেয়। তাই সে বাসর রাতে স্বামীকে পদাঘাত করে এবং তার স্বামী তাকে ত্যাগ করে চলে যায়।

লায়লী-মজনু কাব্য – অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর।

প্রশ্ন        লায়লীর বিয়ে হয়েছিল কার সাথে ?

উত্তর     ইবন সালাম-এর পুত্রের সাথে লায়লীর বিয়ে হয়েছিল।

প্রশ্ন        বিয়েতে লায়লীকে অনুপ্রাণিত করতে লায়লীর মা যাকে নিয়োগ করেছিল তার নাম কী ?

উত্তর     হেতুবতী।

প্রশ্ন        ‘ক্ষেণে হাসে ক্ষেণে কান্দে না চিনে আপন।

         ক্ষেণে উঠে ক্ষেণে বৈসে ক্ষেণে লড়।’উত্তর কী কারণে, কার এ অবস্থা হয়েছিল ?

উত্তর     লায়লীর বিরহে মজনুর এ অবস্থা হয়েছিল।

প্রশ্ন        ‘যদি প্রেম ফান্দে তুম্মি হৈতা মন-বন্ধ।

                তবে সে বুঝিতে তুম্মি মোর মন ধন্ধ।’উত্তর  কোন প্রসঙ্গে  একথা বলেছিল ?

উত্তর     ঘোর নজদ বনে মজনুর পিতা মজনুকে অনুসন্ধান করে সংসারে ফিরে যাওয়ার কথা বললে মজনু তার বাবাকে একথা বলেছে।

প্রশ্ন        অন্যের সাথে লায়লীর বিয়ে ঠিক হলে লায়লী তার মাকে কী বলেছিল ?

উত্তর     লায়লী মজনুকে স্বামী মনে করে। অন্য কারও সাথে সে বিয়েতে সম্মত নয়। সে তার মাকে বলে যে, এক রাজ্যে যেমন দুজন রাজা থাকতে পারে না, তেমনি একই নারীর মনে দু’পুরুষের স্থান হয় না।

প্রশ্ন        বাসর রাতে লায়লী স্বামীর সাথে কী ধরনের আচরণ করেছিল ? 

উত্তর     লায়লী মজনুকেই স্বামী জ্ঞান করে। মা-বাবা তাকে জোর করে বিয়ে দেয়। তাই সে বাসর রাতে স্বামীকে পদাঘাত করে এবং তার স্বামী তাকে ত্যাগ করে চলে যায়।

প্রশ্ন        লায়লীর মায়ের নাম কী ?

উত্তর     সুমতি।

প্রশ্ন        ‘গরল ভক্ষিয়া মুঞি তেজিমু শরীর।’ – কে একথা বলেছে ?

উত্তর     লায়লী মজনুর প্রেমে বিভোর। ইবন সালাম এর সাথে লায়লী বিয়েতে অসম্মত জেনে লজ্জায়, ক্ষোভে লায়লীর মা বিষপান করতে চায়।

প্রশ্ন        আম্মি সে পারির কর্ম সুপার করিতে। কে কর্ম করতে পারবে ?

উত্তর     হেতুবতীই কেবল লায়লীকে মজনুর প্রেম বিস্মৃত করাতে সক্ষম হবে ।

প্রশ্ন        হেতুবতী লায়লীকে কীভাবে বিবাহে সম্মত করার চেষ্টা করেছিল ?

উত্তর     হেতুবতী লায়লীকে জানায় যে, যৌবন ধন কখনও ফিরে আসে না, যৌবন হচ্ছে ভোগের। সে ঋতুতে স্বামী-স্ত্রীর বিভিন্ন রসের ও ভোগের উল্লেখ করে লায়লীকে বিয়েতে সম্মত করতে চেষ্টা করে কিন্তু ব্যর্থ হয়।

প্রশ্ন        ‘তোর ফান্দে বন্দি না হৈব মোর মন।

                এ রাজ্যের অধিপতি আছে আন জন।’- কে, কাকে, কখন বলেছে?

উত্তর     এখানে যে বলেছে উত্তর লায়লী। যাকে বলেছেউত্তর লায়লী তার স্বামীকে বলেছে। যখন বলেছে উত্তর বাসর ঘরে। ‘আনজন’ বলতে মজনুকে বলা হয়েছে।

প্রশ্ন        লায়লীর বিবাহ সংবাদ মজনু  জেনেছিল কীভাবে?

উত্তর     নজদ বনে এক অপরিচিতা কুবজা বুড়ির কাছ থেকে।

লায়লী-মজনু কাব্য – অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর।

প্রশ্ন        লায়লীর বিয়ের খবর পেয়ে মজনু কী করে ?

উত্তর     লায়লীকে পত্র দিয়ে আশীর্বাদ করে এইভাবে যে, লায়লীর দাম্পত্য জীবন সুখময় হয়।

                আর বলে নতুন বন্ধুকে ভালোবাসার সাথে পুরানো বন্ধুকে অর্থাৎ মজনুকেও যেন লায়লী মনে রাখে।

প্রশ্ন        লায়লীর বিয়ের খবর পেয়ে মজনু পত্র লিখে কার মাধ্যমে লায়লীকে পত্র পাঠিয়েছিল ?

উত্তর     বনের পাখির মাধ্যমে।

প্রশ্ন        মজনুর  পত্রের জবাবে লায়লী মজনুকে কী জানিয়েছিল?

উত্তর     লায়লী জানিয়েছিল যে, বিয়েতে সে বাধ্য হলেও লায়লী মজনুরই রয়েছে। সিংহের খাবার কখনো শৃগালে পায় না। তাছাড়া লায়লীর রূপমধুর ওপর কোনো ভ্রমর বসতে পারেনি। যে সত্য সে মজনুর সাথে করেছিল তা জীবনেও মিথ্যে করবে না।

প্রশ্ন        লায়লীর পত্রটি মজনু কীভাবে রাখে?

উত্তর     মজনু গলায় কবজ করে বেঁধে রেখেছিল।

প্রশ্ন        “চল মিত্র নিজ দেশে আনন্দিত মনে। – একথা কে, কাকে বলেছে?

উত্তর     নজদ বনে মজনুর দশা দেখে তার বন্ধুরা মজনুকে বন ছেড়ে নিজ গৃহে প্রত্যাবর্তনের জন্য অনুরোধ করেছে।

প্রশ্ন        ‘মজনুর গলে কন্যা দিল পুষ্পহার।’- কখন, কীভাবে লায়লী মজনুর কণ্ঠে হার পরায়?

উত্তর     নজদ বনে স্বপ্নে লায়লী মজনুর কাছে আসে এবং মজনুর গলে মালা পরায়।

প্রশ্ন        ‘দুই কর নাড়িতে নারে পাপ মতি।’-কার দুই কর (হাত) নাড়াতে পারে না? কোন প্রসঙ্গে?

উত্তর     লায়লীর দারোয়ানের হাত।

                যে প্রসঙ্গেউত্তর

উত্তর     নজদ বনে লায়লীকে স্বপ্ন দেখে পরদিন মজনু সটান নজদ ছেড়ে বাড়িতে গিয়ে তার সাথে দেখা করে। মজনুকে দেখে যখন তাকে খড়গ দিয়ে আঘাত করতে যায়, তখনই তার হাত শক্ত হয়ে ওঠে, অন্য আঘাত করতে গেলে তার দুই হাতই অলৌকিকভাবে অনড় হয়ে যায়।

প্রশ্ন        রাজা নয়ফলের নজদ বনে যাওয়ার কারণ কী ?

উত্তর     পশু শিকার ।

প্রশ্ন        নয়ফলরাজ মজনুর বিরহের কথা কার কাছ থেকে জানে ?

উত্তর     রাজার অনুচরদের কাছ থেকে।

লায়লী-মজনু কাব্য – অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর।

প্রশ্ন        নয়ফলরাজ নজদবনে মজনুকে  কী আশ্বাস দেয়?

উত্তর     লায়লীকে মজনুর জন্য এনে দেবে।

প্রশ্ন        লায়লীর সাথে মজনুর মিলন ঘটিয়ে দেবে বলে রাজা নয়ফল মজনুকে যেথায় নিয়ে যায়উত্তর

উত্তর     রাজা নয়ফলের বাড়িতে।

প্রশ্ন        নয়ফলরাজ লায়লীর মায়ের কাছে পত্রে কী লেখে ?

উত্তর     লায়লীর বাবা যদি প্রেমের মূল্য না দেয় তবে রাজা তার সাথে যুদ্ধ করে লায়লীকে ছিনিয়ে আনবে।

প্রশ্ন        লায়লীর মা নয়ফলরাজের চিঠির  জবাব দেয় কীভাবে ?

উত্তর     লায়লীর নাম যেন দ্বিতীয়বার নয়ফলরাজ  মুখে না আনে। কারণ তারা দুর্বল নয়, যুদ্ধের ভয়ে তারা ভীত নয়।

প্রশ্ন        রণ হেতু সাজিলেক ক্রুদ্ধ হই অতি।- কে, কার প্রতি,  কী কারণে ক্রুদ্ধ হয়ে যুদ্ধের আয়োজন করে?

উত্তর     লায়লীকে মজনুর জন্য এনে বলে নয়ফলরাজ প্রতিশ্রæতিবদ্ধ। সে লায়লীর বাবার কাছে মজনুর প্রেমের বিষয়ে চিঠি দেয়, সহজে মেয়ে না নিলে যুদ্ধের ভয় দেখায়। লায়লীর মা পত্রের উত্তরে জানায় যে, তারাও দুর্বল নয়, রাজন যেন লায়লীর নাম মুখে না আনে। এ ধরনের পত্রোত্তরে নয়ফলরাজ ক্ষুব্ধ হয়ে যুদ্ধের আয়োজন করে।

প্রশ্ন        নয়ফলরাজ ও লায়লীর বাবার  সৈন্যদের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধের পরিণতি কী হয়েছিল ?

উত্তর     রাজা নয়ফল জয়লাভ করে।

লায়লী-মজনু কাব্য – অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর।

প্রশ্ন        নয়ফলরাজ মজনুর বেদনার কথা শুনে কী ব্যবস্থা নিয়েছিল?

উত্তর     নজদ বনে শিকার করতে এসে নয়ফলরাজ মজনুর বিরহের কাহিনি শুনে মালিককে প্রথম চিঠি দেয়, পরে যুদ্ধ করে মালিককে পরজিত করে লায়লীকে জয় করে।

প্রশ্ন        লায়লীকে উদ্ধার করে নয়ফলরাজ মজনুকে কী বলেছিল?

উত্তর     নয়ফলরাজ লায়লীকে জয় করে আনার পর তাকে দেখে রাজার কামবোধ জাগে এবং মজনুকে বলেছিল যে, অন্তঃপুরের যেকোনো সুন্দরী নারীকে সে গ্রহণ করুক, লায়লীকে ভুলে যাক।

প্রশ্ন        নয়ফলরাজ মজনুকে  কীভাবে হত্যা করতে চেয়েছিল?

উত্তর     নয়ফলরাজ তার কর্মচারীকে বলেছিল যে, সে যেন রাজাকে গøাসে অমৃত দেয় এবং মজনুকে দেয় বিষ। এভাবে বিষপ্রয়োগ করে মজনুকে হত্যা করতে ষড়যন্ত্র করেছিল।

প্রশ্ন        নয়ফল রাজের ষড়যন্ত্রের ফলাফল কী হয়েছিল ?

উত্তর     কর্মচারী ভুলক্রমে বিষের পাত্র রাজাকে দেওয়ায় রাজা বিষপানে মৃত্যুবরণ করেন।

প্রশ্ন        যুদ্ধ জয়ের পর সুন্দরী লায়লীকে দেখে নয়ফল রাজের  কী অবস্থা হয়েছি?

উত্তর     নয়ফলরাজ লায়লীর রূপ দেখে মূর্ছিত হয়ে মাটিতে পড়ে যায়।

প্রশ্ন        ‘প্রবেশ করিয়া মোর নয়ন অন্তর।

                লায়লীকে নিরক্ষিয়া দেখ নৃপবর \’ কে, কাকে বলেছিল ? 

উত্তর     নয়ফলরাজ যখন মজনুকে বলে যে, লায়লী বিশেষ সুন্দরী নয়, ফলে অন্তঃপুরের সুন্দরীদের মধ্যে মজনু কাউকে বেছে নিক- তখন মজনু উক্ত কথা বলেছিল।

প্রশ্ন        ‘দুর্জনে সৃজিল কূপ আনের কারণ / সেই কূপে পড়িয়া হারাইল জীবন।’-   কোন কথা এখানে বলা হয়েছে?

উত্তর     লায়লীকে পেতে নয়ফলরাজ মজনুকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করে। সেবককে রাজন বলে যে, মজনুকে বিষ এবং তাকে মধু যেন দেয়। সেবক ভুল করে রাজনকে বিষ দিলে রাজা নয়ফল মারা যায়। তাই বলা হয়েছে, অন্যের জীবন নাশ করতে গিয়ে রাজার নিজেরই জীবননাশ হলো।

প্রশ্ন        ‘দংশিল কালিনী নাগে মরম অন্তর।

                গরলে জরিল তনু হইল জর্জর।’-  কোন প্রসঙ্গে বলা হয়েছে ?

উত্তর     লায়লীর দেহ-মনে যৌবন জোয়ার জেগেছে। রতি জেগেছে, অথচ প্রেমিক নেই। এ দশা অসহ্য। বিষাক্ত নাগিনী ছোবল মারলে বিষে যেমন শরীর জ্বর জ্বর, তেমনি যৌবনাবেগের জ্বালায় লায়লী দগ্ধীভূতা।

প্রশ্ন        লায়লীর জীবনজ্বালা নিভানোর উপায় কী ?

উত্তর     লায়লীর যৌবনজ্বালা নিভানোর  উপায় হলো উত্তর হয় মৃত্যু, না হয় মজনুর সাথে মিলন, এর কোনো একটি ছাড়া  লায়লীর জীবনজ্বালা জুড়াবে না। 

প্রশ্ন        স্বপ্নে প্রেমবিরহ কাতরা লায়লী মূর্ছা গেলে তার সখীরা  কীভাবে তাকে চেতন করে?

উত্তর     সখীরা নানাভাবে তার চেতনা ফেরাতে চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে যখন জানায় যে, মজনু তাকে ডাকছে তখনই লায়লী চেতন পায়।

প্রশ্ন        নিজ পরিবার-পরিজনের সাথে লায়লী কোথায় যাচ্ছিল?

উত্তর     শ্যামদেশে।

প্রশ্ন        লায়লী  কীভাবে নজদ বনে গিয়েছিল? 

উত্তর     সপরিবারে উটের পিঠে চড়ে শ্যামদেশে যাওয়ার সময় তাদের উট যখন নজদ বনের কাছ দিয়ে যাচ্ছিল তখন সবাইকে ফাঁকি দিয়ে লায়লী নজদ বনে প্রবেশ করে।

প্রশ্ন        নজদ বনে লায়লী প্রবেশ করে মজনুকে চিনতে না পারার কারণ কী? 

উত্তর     প্রেমবিরহে মজনু দুর্বল, ক্ষীণ ও কুৎসিত হওয়ায় লায়লী তাকে চিনতে পারেনি।

প্রশ্ন        নজদ বনে লায়লী মজনুকে  কীভাবে চেনে?

উত্তর     লায়লী মজনুর নাম শোনার পর চেনে।

প্রশ্ন        মৃতবৎ কায়া যেন জীবন লভিল।উত্তর  কোন প্রসঙ্গে বলা হয়েছে ? 

উত্তর     নজদ বনে বিরহী মজনু ক্ষণিকায় মৃতবৎ পড়েছিল। লায়লী তার সন্নিধানে গেলে লায়লীর নাম শুনে সে জীবন ফিরে পেল।

প্রশ্ন        নজদ বনে প্রবেশ করে লায়লী মজনুকে  কী প্রস্তাব দিয়েছিল?

উত্তর     লায়লী মজনুকে বলে যে, মজনু তাকে বিয়ে করে তাকে সেবা করার সুযোগ দিক। তাহলে উভয়ের বিরহ দশা ঘুচে যাবে।

লায়লী-মজনু কাব্য – অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর।

প্রশ্ন        নজদ বনে লায়লীর প্রস্তাবে মজনু কী বলেছিল?

উত্তর     লায়লী মজনুর সাথে পরিণয়ে আবদ্ধ হয়ে তাকে সেবা দিয়ে সুস্থ করে তোলার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু মজনু বলেছে, গোপনে লায়লীকে বিয়ে করলে আরব সমাজ তাকে সাজা দেবে তাই সে লায়লীকে প্রত্যাখ্যান করে।

প্রশ্ন        বিবাহ কুমারী যেন সাজন সুবেশ।উত্তর কার, কখনকার সাজনের কথা বলা হয়েছে ?

উত্তর     মজনু বিরহে লায়লী শেষ পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করলে লায়লীর মা তাকে গোলাপ জলে গোসল দিয়ে নির্মল শুভ্র কাফনে মোড়ার আগে শরীরে কুঙ্কুম চন্দনে সাজিয়েছে।

প্রশ্ন        ‘ভূমিত মাণিক্য যেন ঢাকিয়া রাখএ’।উত্তর কোন  মানিককে কোথায় রাখার কথা বলা হয়েছে?

উত্তর     লায়লীর মৃত্যুর পর তাকে সমাধিস্থ করার কথা বলা হয়েছে।

প্রশ্ন        মৃত্যুর পূর্বে লায়লীর শেষ অনুরোধ  ছিল কী ?

উত্তর     মৃত্যুর পূর্বে লায়লী তার মাকে শেষ অনুরোধ করেছিল যেন লায়লীর মৃত্যুর খবর তার মা মজনুর কাছে পৌঁছে দেয়।

প্রশ্ন        লায়লীর মা মেয়ের শেষ অনুরোধ  কীভাবে রক্ষা করেছিল ? 

উত্তর     নজদ বনে গিয়ে লায়লীর মা মজনুকে লায়লীর মৃত্যুর খবর দিয়ে মেয়ের শেষ অনুরোধ রক্ষা করেছে।

প্রশ্ন     মজনু কাদের কাছে লায়লীর কবরের সন্ধান চেয়েছিল?

উত্তর     লায়লীর মৃত্যুর খবর শুনে মজনু নজদ বন ছেড়ে লায়লীর এলাকায় এসে ক্রীড়ারত বালকদের কাছে লায়লীর কবরের সন্ধান করেছিল।

লায়লী-মজনু কাব্য – অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর।

প্রশ্ন        ক্রীড়ারত বালকেরা মজনুর প্রশ্নের  কী জবাব দিয়েছিল ?

উত্তর     ক্রীড়ারত বালকেরা বলেছে যে, মজনু যদি সত্যি লায়লীর ভাবুক হয়ে থাকে তবে ভাবিনীর কবর সে আপনিই চিনে নিতে পারবে।

প্রশ্ন        লায়লীর কবর মজনু কীভাবে খুঁজে পায় ?

উত্তর     লায়লীর কবরের ঘ্রাণ নিয়ে মজনু টের পায় যে, এটা তার লায়লীর কবর।

প্রশ্ন        কাব্য-শেষে মজনুর পরিণতি কী হয় ?

উত্তর     লায়লীর কবর বুকে জড়িয়ে ধরে মজনু সেই কবরের ওপর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে। মৃত্যুর পরপারে মিলন হয় লায়লী মজনুর।

প্রশ্ন        কোন সময়ে দৌলত বাহরাম খাঁ ‘লায়লী-মজনু’ কাব্য রচনা করেন?

উত্তর     ষোল শতকের মাঝামাঝি সময়ে।

প্রশ্ন        দৌলত উজির বাহরাম খাঁর ‘লায়লী-মজনু’ কোন ধরনের কাব্য?

উত্তর     রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান।

লায়লী-মজনু কাব্য – অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর।

প্রশ্ন        ড. আহমদ শরীফ এ কাব্য সম্পাদনা করতে গিয়ে কয়টি বিশেষত্বের কথা বলেছেন?

উত্তর     ছয়টি বিশেষত্বের কথা বলেছেন।

প্রশ্ন        ড. আহমদ শরীফ এর উল্লিখিত বিশেষত্বের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বিশেষত কী ?

উত্তর     ট্র্যাজিক পরিণাম অন্যতম।

প্রশ্ন        ড. ওয়াকিল আহমেদ ‘লায়লী-মজনু’ কাব্যকে কী  বলে স্বীকার করেননি?

উত্তর     যথার্থ ট্র্যাজেডি বলে স্বীকার করেননি।

প্রশ্ন        ড. ওয়াকিল আহমেদ এ কাব্যকে কী হিসেবে বিবেচনা করেছেন?

উত্তর     করুণ-রসাত্মক কাব্য হিসেবে।

প্রশ্ন        ট্র্যাজেডির একটা সাধারণ সংজ্ঞা উত্তর

উত্তর     আত্মদ্ব›েদ্ব পরাভূত মানব জীবনের করুণ কাহিনিকে সাধারণত ট্র্যাজেডি বলে।

প্রশ্ন        ট্র্যাজেডিকে বাংলায় কী বলা হয়?

উত্তর     ট্র্যাজেডিকে বাংলায় বিয়োগান্ত বা বিষাদান্ত নাটক বলা হয়।

প্রশ্ন        আহমদ শরীফ লায়লী-মজনু কাব্যে কী  খুঁজে পেয়েছেন?

উত্তর     ট্র্যাজিক  বভভবপঃ খুঁজে পেয়েছেন।                                                                                          

লায়লী-মজনু কাব্য – অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর।

লায়লী-মজনু – তথ্য কণিকা

উপসংহার

সব দিক বিবেচনায় লায়লী-মজনু কাব্য প্রেমসাহিত্যের এক চিরকালীন নিদর্শন। কেবল গল্প নয়, লায়লী-মজনু কাব্য মানব আত্মার গভীর আর্তি প্রকাশ করে। অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে লায়লী-মজনু কাব্য-এর মূল বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে অনুধাবন করা সম্ভব। পরীক্ষার আগে দ্রুত পুনরাবৃত্তির ক্ষেত্রে লায়লী-মজনু কাব্য বিষয়ক এই প্রশ্নোত্তর অত্যন্ত কার্যকর। কারণ সীমিত শব্দের মধ্যে দিয়ে  কাব্যভাব  ধরার অনুশীলন গড়ে তোলে। ফলে লায়লী-মজনু কাব্য সম্পর্কে সহজে জ্ঞান লাভ হয়।।

প্রেম ও ত্যাগের দর্শন বুঝতে সাহায্য করে লায়লী-মজনু কাব্য। পাঠ্যসূচির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে লায়লী-মজনু কাব্যশিক্ষার্থীদের মননে স্থায়ী ছাপ ফেলে। সাহিত্য পাঠে আগ্রহ সৃষ্টি করে লায়লী-মজনুকাব্য। প্রশ্নোত্তরমুখী আলোচনায় লায়লী-মজনুকাব্য সহজ ও গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে। শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে লায়লী-মজনুকাব্য বড় ভূমিকা রাখে। সংক্ষেপে হলেও ভাবের গভীরতা ধরে রাখে লায়লী-মজনুকাব্য। পাঠ, অনুধাবন ও পরীক্ষার সমন্বয়ে লায়লী-মজনুকাব্য এক পূর্ণাঙ্গ সাহিত্যিক অভিজ্ঞতা দেয়। প্রেমের চূড়ান্ত আত্মনিবেদনের শিক্ষা দেয় লায়লী-মজনুকাব্য। তাই সাহিত্য শিক্ষায় লায়লী-মজনুকাব্য চিরকাল প্রাসঙ্গিক। সব মিলিয়ে শিক্ষার্থী ও পাঠকের জন্য লায়লী-মজনুকাব্য এক অনন্য ও স্মরণীয় কাব্যধারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *