মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রাগৈতিহাসিক গল্পগ্রন্থের সমাজচেতনা ও জীবনবোধ।


প্রাগৈতিহাসিক গল্পগ্রন্থের সমাজচেতনা ও জীবনবোধ।
মানিক বন্দোপাধ্যয়ের দ্বিতীয় গল্পগ্রন্থ (১৯৩৭) প্রাগৈতিহাসিক। এ গল্পগ্রন্থের প্রাগৈতিহাসিক গল্প তাকে রীতিমত বিখ্যাত করে তোলে। এ গল্পসহ অন্যান্য গল্পের মধ্যে তিরিশের দশকের গভীর যন্ত্রণাবোধ এবং তার থেকে উত্তরণের ব্যক্তিকেন্দ্রিক বলিষ্ঠ প্রত্যয় প্রকাশ পেয়েছে। প্রথম মহাযুদ্ধের পর থেকে দ্রুত ভেঙ্গে পড়া মধ্যবিত্ত সমাজের নানা মূল্যবোধ লেখককে বিচলিত করে তোলে। অথচ, সে সময়ে নতুন কোনো মূল্যবোধও আদর্শ হিসেবে মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠেনি। এমন অবস্থাকেই লেখক তার গ্রন্থের বিভিন্ন গল্পের মধ্যে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছেন।

বাংলা সাহিত্যে প্রাগৈতিহাসিক গল্পগ্রন্থ এক বিশেষ সময়ের সমাজচেতনা ও মানবজীবনের অন্তর্গত চেতনার দলিল। এই গ্রন্থের গল্পগুলোয় যাপিত জীবন ও সমাজের স্তরভেদ, মানুষের অস্তিত্বসংকট, সময়ের পরিবর্তন ও নৈতিক মূল্যবোধের বিবর্তন অতি সূক্ষ্মভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। লেখক অতীতের ছায়ায় বর্তমানকে অনুধাবন করেছেন— কখনো প্রতিবাদের সুরে, কখনো তীর্যক ভঙ্গিতে, কখনো মানবতার গভীর মমতায়। সমাজচেতনা ও জীবনবোধ এখানে কেবল ঘটনাপ্রবাহ নয়, বরং গভীর জীবনেরবোধ ও মানসিক সংঘাতের প্রতিচ্ছবি। ফলে প্রাগৈতিহাসিক গল্পগ্রন্থ পাঠকের কাছে কেবল গল্পের ভেতর গল্প নয়, বরং সময়ের আয়নায় মানুষ ও সমাজকে দেখার এক সার্থক প্রচেষ্টা এবং নিখুঁত সমাজচেতনা ও জীবনবোধের বাস্তব চিত্র।
প্রথম গ্রল্পগ্রন্থ ‘অতসীমামী ও অন্যান্য গল্প’ (১৯৩৫) এর রোমান্টিক, স্বপ্নময়তার জগৎ ভেঙে লেখক এ গ্রন্থের গল্পের মধ্যে মানুষের আদিম কামনা-বাসনা ও মনস্তত্ত¡ধর্মীতার পরিচয় দিয়েছেন। তাই প্রতিটি গল্পে মধ্যবিত্ত সমাজের হতাশা-বিষাদ-দারিদ্র্য-রিক্ততা, যুগযন্ত্রণার নির্মম সত্যের প্রকাশ ইত্যাদি বিষয়কে ফুটিয়ে তুলেছেন, যা লেখকের সমাজচেতনার পরিচায়ক।
গ্রাগৈতিহাসিক গল্পগ্রন্থের বিভিন্ন গল্পে প্রতিফলিত সমাজচেতনা বিশ্লেষণ
প্রাগৈতিহাসিক গল্পের নায়ক ডাকাত ভিখু চরিত্রকে ঘিরে লেখকের জীবন-ভাবনা ও জীবনবোধ প্রকাশ পেয়েছে। ভিখু বৈকুন্ঠসাহার গদীতে ডাকাতি করতে গিয়ে বর্ষার খোঁচা খেয়ে পালিয়ে এসে বন্ধু পেহ্লাদ বাগদীর সহায়তায় সেরে ওঠে। ভিখু সুস্থ হয়ে পেহ্লাদের স্ত্রীর দিকে কুনজর দিলে পেহ্লাদ তাকে পিটিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। ভিখু প্রতিহিংসায় পেহ্লাদের ঘরে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়। হাত মরার মত শুকিয়ে গেছে, ডাকাতি পেশা চলবে না, তাই ভিক্ষাবৃত্তিকে বেছে নেয়। ভিখু সমাজ, প্রকৃতি কিংবা দূর্ঘটনা সৃষ্ট নিয়তির শৃঙ্খলাকে সে মেনে নিতে পারে নি। তাই ভিখারিণী পাঁচীকে হাতের মধ্যে এনে জীবনকে উপভোগ করতে চেয়েছে।
জীবনের চারপাশ থেকে যখন আক্রমণ আসে, তখন আত্মরক্ষার জন্য, আত্মপ্রতিষ্ঠার জন্য নিজেকেই এগিয়ে আসতে হয়, চলার পথের হিংস্র কুটিল অন্তরায়গুলোকে সমূলে ধ্বংস করে এগিয়ে যেতে হয়। আত্মরক্ষা ও আত্মপ্রতিষ্ঠার এই সংগ্রাম সভ্যতার আদিম যুগ থেকেই চলে আসছে। জীবনযুদ্ধে পরাজয় স্বীকার করে পড়ে পড়ে মার খাওয়া নয়, যার শক্তি আছে, বুদ্ধি আছে তারই সব আছে। এই চেতনার বলিষ্ঠ ও নগ্ন প্রকাশ ঘটেছে প্রাগৈতিহাসিক গল্পের ভিখু চরিত্রের মধ্যে। সমস্ত প্রতিকুল পরিবেশের মধ্যে পড়ে নিঃশ্বাস বন্ধ হবার উপক্রম হলেও সে বলেছে ‘মরিবে না। সে কিছুতেই মরিবে না’। অতৃপ্তির জ্বালায় জ্বলে সে পৃথিবীর সব খাদ্য ও নারীকে কামনা করেছে। এই অতৃপ্তির ও আত্মপ্রতিষ্ঠার দুর্বার আকাক্সক্ষাই তাকে বশিরকে হত্যা করতে প্রেরণা যোগায়।
চোর গল্পের সমাজচেতনা
‘চোর’ গল্পের মধ্যেও প্রাগৈতিহাসিক গল্পের মনোভাব প্রকাশ পেয়েছ। চোর গল্পের নায়ক মধু চোর। ভিখুর মতো মধু ঘোষও সমাজনীতিতে অবৈধ পথে জীবিকা নির্বাহ করে। চুরি, ছিনতাই প্রতারণা, পকেট হাতানো, ভিক্ষাবৃত্তি – সব রকম নীতিবহির্ভূত উর্পাজন কৌশল তার আয়ত্ত ছিল। তবে তার ডাকাতি করার মতো সাহস ছিল না। মধু পাপ করলেও তার মধ্যে আতগøানী আছে। মাঝে মাঝে এ জীবন ত্যাগ করার সংকল্প করে। কিন্তু পুরনো অভ্যাসের কাছে পরাভূত হয়।
দুটো চুরির ঘটনা বর্ণনার মধ্যে দিয়ে লেখক একটা জীবন সত্যের পরিচয় দিয়েছেন। মধু রাখাল মিত্রের অর্থ চুরির জন্য তার বাড়িতে যায়। ফিরে এসে দেখে তার স্ত্রী রাখাল মিত্রের ছেলে পান্না বাবুর সঙ্গে বেরিয়ে গেছে। মধু যে জীবন সত্যের মুখোমুখি হলো তা হলো-‘ জগতে চোর নয় কে ? সবাই চুরি করে।’ মধু ঘোষের চুরি অস্তিত্বরক্ষার প্রয়োজনে, আবার পান্নালালের চুরি জৈবলালসার কারণে।
কন্যার বড় ঘরে বিয়ে দেওযাই পিতার সবচেয়ে বড় আনন্দ। এর জন্য পিতা সর্বস্ব বিলিয়ে দিতেও দ্বিধা করে না। ‘যাত্রা’ গল্পের মধ্যে এমনই বিষয় রয়েছে। গল্পটিতে লেখকের গভীর সমাজচেতনার পরিচয় বহন করে। তের বিঘা আবাদী জমি বিক্রয় ও এগারোশো টাকায় বসত ভিটা বন্ধক রেখে কন্যার মঙ্গলের আশায় পিতা বিয়ে দিলেন। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস সারাদিনের উপবাস, শারীরিক দূর্বলতা, প্রচন্ড গরম, অসুস্থ ভাইয়ের চিন্তা, পিতৃগৃহ ত্যাগ এসব কিছুর পরিণামে মেয়ে মূর্ছা যায়। ছেলের বাবা এই ঘটনার সুযোগে আরও তিনশ টাকা আদায় করল। এসবের মধ্যে দিয়ে লেখক তৎকালীন সমাজে কন্যার পিতার অসহায়ত্ব ও হিন্দু সমাজের নানা কু-সংস্কার, তথাকথিত শাস্ত্রাচার ও পণপ্রথার নিষ্ঠুরতা কীভাবে মানব জীবনকে অতিষ্ট করে তোলে তার পরিচয় তুলে ধরেছেন।
শ্রেণিবৈশিষ্ট্যের প্রাধান্যসহ সমাজচেতনার যে চিত্র অঙ্কিত হয়েছে, তাতে সমাজ-বাস্তবতার নতুন এক প্রান্ত উম্মোচিত হয়েছে ‘প্রকৃতি’ গল্পে। কেন্দ্রিয় চরিত্র অমৃতের চেতন-অবচেতন মনে গরীব ও ধনীর প্রতি মমতা ও ঘৃণা সম্পর্কিত যে দ্ব›দ্ব ক্রিয়াশীল, তার একটি মীমাংসা এ গল্পে লেখক উপস্থাপন করেছেন।
অবস্থার বিপাকে পড়ে গাড়ি-বাড়ির মালিক অমৃত নিঃস্ব হয়ে পড়লে ধনীদের কাছ থেকেই সে বেশি বিরূপ আচরণের শিকার হয়। অন্যদিকে দরিদ্রদের কাছ থেকে সহানুভূতি পায়। ফলে সে ধনীদের ঘৃণা করতে শেখে, আর দরিদ্রদের প্রতি তার সহানুভূতির জন্মে। ধনী হয়ে সে আর ধনীদের সাথে মিশবে না-এরকম প্রতিজ্ঞা নিয়ে বিদেশে দশ বছর কাটিয়ে অঢেল সম্পদ নিয়ে দেশে ফেরে।
কিন্তু সাহায্যকারী উকিল প্রমথ বাবুর বাড়িতে গিয়ে তাদের কুন্ঠিত ভাব দেখে তাদের প্রতি যে মমত্ববোধ ছিল তা অন্তর্হিত হয়। মোটর চাপা দেওয়া ভিখারীকে কর্তব্যবোধে নিজ মটরে তুললেও হাতে ছুয়েছে বলে তার মনে অমুচির ছাপ পড়ে এভাবে মধ্যবিত্ত ও দরিদ্র উভয়ে স¤প্রদায় থেকে প্রতিহত হয়ে সে নিজের আভিজাত্যের মধ্যে আশ্রয় নেয় এবং ঘৃণ্য ধনী সমাজের প্রতিনিধ রাখাল হালদারের সঙ্গে করমর্দন করে তার অভ্যাস্ত কৃত্রিম জীবন যাত্রায় ফিরে আসে। আসলে মানবজীবনের প্রকৃতি নির্ধারিত হয় তার শ্রেণী বৈশিষ্ট্য দ্বারা, লোক দেখানো ভাবাবেগগুলো তার পোষাকী। এই গল্পে মানিক সে কথাই বলতে চেয়েছেন।
হত্যার অভিযোগে স্বামীর মৃত্যুদন্ডজ্ঞা ও তা থেকে মুক্তিলাভ প্রভূতি ঘটনার সামাজিক প্রতিক্রিয়া ও বহিবিষয়ক চাপ।
একজন গৃহবধুর জন্য কী তীব্র মনোবেদনার কারণ হতে পারে তার স্বরূপ উম্মোচিত হয়েছে। ‘ফাঁসি’ গল্পে সেই সাথে দেখানো হয়েছে খুনের আসামীর স্ত্রী হিসেবে রমা চরিত্রের মনোবিশ্লেষণ। স্বামী গণপতির বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ স্বামীর প্রতি রমাকে বিরূপ করে তোলেনি, রমার কাছে অসহনীয় হয়ে উঠেছে, সমাজের নিন্দা ও কলঙ্গ হিন্দু নারীর শাস্ত্রসংস্কার ও সামাজিক নির্ভরতার কারণে স্বামীর বিরুদ্ধে রমার মনে কোনো ঘৃণা জন্মেনি।
ধর্মেও জন্য পারে কিন্তু সামাজিক দুর্নাম অপমান বা গৌরবহানিকে উপেক্ষা করতে পারে না। রমা আত্মহত্যা করে। রমা চরিত্রেরও মনোবিকলন মানিক দেখাতে চেয়েছেন। তবু এর মধ্যে দিয়ে যে সমাজ বাস্তবতা ফুটে উঠেছে তা হলো ‘শিক্ষিত ভদ্র মধ্যবিত্ত পরিবারের কোনো সদস্য হঠাৎ করে মানবহত্যার মতো নিন্দনীয় ঘটনায় জড়িয়ে পড়লে ওই পরিবার ও তাদের আত্মীয় পরিজনদের মধ্যে এর যে প্রতিক্রিয়া কিংবা সামাজিক আলোড়ন সংগঠিত হয়, তার বিষদ বিবরণ পাওয়া যায়।
‘চাকুরী’ গল্পে দেখানো হয়েছে অর্থগত অবস্থানের দিক থেকে বিপরীতে মেরুর অধিবাসী দুই বাল্যবন্ধুর কাহিনি। বড়লোকের মেয়ে বিয়ে করে মহেন্দ্রজিৎ গাড়ি ও চাকুরী পেয়েছে। জয়গোপাল লেখাপড়া শিখে চাকুরি না পেয়ে দারিদ্র্যের চাপে নিষ্পেষিত হতে থাকে। একটা চাকুরির সন্ধান পেয়ে জয়গোপাল মহেন্দ্র জিতের কাছে যায় একটু সুপারিশের আশায়। কিন্তু মহেন্দ্রজিতের শ্বশুর সেই চাকুরির সন্ধান পেয়ে জামাইকে সুপারিশ করে। এ ঘটনার মধ্যে দিয়ে একটা বিষয় ফুটে উঠেছে যে আমাদের সমাজ ‘তেলা মাথায় তেল দেয়’ আর ধনীদের ধনসম্পদের আকাক্সক্ষা সীমাহীন, আবার বিত্ত লাভের প্রতিযোগিতায় তারা অতি নিকট জনকে ও নির্দয়ভাবে প্রতারণা করতে দ্বিধান্বিত হয় না।
সমাজচেতনা সম্পন্ন শিল্পী মানিক বন্দোপাধ্যায় তার ‘অন্ধ’ গল্পে মানবমনের অবচেতন স্তরের নানা টানাপোড়েন অত্যন্ত চমৎকার ভাবে উপস্থাপন করেছেন। এ গল্পের কেন্দ্রিয় চরিত্র সনাতন। লেখক এ চরিত্রকে রূপায়িত করেছেন ‘তার অপরাধ পর্যন্ত আসক্তিতে ডুবে যাওয়া’ অন্ধত্ব লাভ ও পুরোপুরিভাবে স্বার্থ পীড়িত জীবনবোধ সমেত।
সনাতন অন্ধ হবার পর তার একমাত্র মেয়ে-জামাইকে সহজেই বুঝতে এনে রাখে। অন্ধ হলেও সংসারের হালচাল সনাতন সহজেই বুঝতে পারে। সে বুঝতে পেরেছে তার কন্যাও স্বার্থবোধের দ্বারা চালিত। সে তার পিতার দীর্ঘজীবন কামনা করে না। আসলে সনাতন অন্ধ নয়, এ সংসারে সকলেই নিজের স্বার্থবোধের দ্বারা অন্ধ।
‘মাথার রহস্য’ গল্পে লেখক মানিক (বন্দোপাধ্যায় পতিত পাবনের মনোরহস্য এবং তার পারিবারিক অবস্থার মর্মান্তিক চিত্র উম্মোচন করেছেন। ছিন্ন বিচ্ছিন্ন নানা চিত্রের মধ্যে দিয়ে একটি অস্বচ্ছল মধ্যবিত্ত পরিবারের যন্ত্রনাদগ্ধ ছবি অঙ্কিত হয়েছে এ গল্পে।
প্রাগৈতিহাসিক গল্পগ্রন্থে সমাজচেতনা ও জীবনবোধের যে মেলবন্ধন দেখা যায়, তা বাংলা ছোটগল্প-সাহিত্যে এক অনন্য সংযোজন। এখানকার চরিত্রেরা নিজেদের জীবনের প্রতিদিনের সংগ্রাম ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে একটি বৃহত্তর মানবজীবনের প্রতিরূপ নির্মাণ করে। লেখকের দৃষ্টি কেবল সামাজিক অসংগতি বা ইতিহাসের পটভূমিতেই সীমিত নয়— তিনি জীবনকে দেখেছেন এক সামগ্রিক মানবিক প্রেক্ষাপটে। তাই এই গল্পগ্রন্থের পাঠ শেষে পাঠক অনুধাবন করেন, সমাজ ও জীবন আসলে পরস্পরের প্রতিবিম্ব; একে বুঝলেই অন্যটির গভীরতা উপলব্ধি করা যায়। এখানেই সমাজচেতনা ও জীবনবোধের চিত্রায়নের সার্থকতা।
পরিশেষে বলা যায় ‘প্রাগৈতিহাসিক’ গল্পগ্রন্থে মধ্যবিত্ত জীবনের ছবি ও মধ্যবিত্ত সমাজের মানুষের জীবনবোধও তাদের মনোজগতের নানা টানাপোড়েন অঙ্কিত হয়েছে। সেই সাথে সমাজচেতনা ও জীবনবোধ সম্পর্কিত লেখকের দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় মেলে। লেখকের সুনিপুণ শিল্পসত্তার আলোয় আলোকিত হয়ে গল্পগুলোও আশ্চর্য শিল্পসফল হয়েছে।
প্রফেসর মো: আখতার হোসেন বাংলা বিভাগ সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজ, যশোর।