Table of Contents

ভাষা বিচারের পদ্ধতি হিসেবে রূপান্তরমূলক সৃষ্টিশীল ব্যাকরণ।

প্রফেসর মো: আখতার হোসেন, বাংলা বিভাগ, সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজ, যশোর
খোলা পাতা – বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের শিক্ষক …

রূপান্তরমূলক সৃষ্টিশীল ব্যাকরণ

ভূমিকা: নোআম চমস্কি গঠনমূলক বা বর্ণনামূলক পদ্ধতির সাহায্যে ভাষার বিচার না করে রূপান্তরমূলক উৎপাদক পদ্ধতির প্রয়োগে ভাষা বিচার শুরু করেন। নোআম চমস্কি প্রবর্তিত ব্যাকরণ হচ্ছে রূপান্তরমূলক সৃষ্টিশীল ব্যাকরণ।

সংজ্ঞা ঃ যে ব্যাকরণে কোনো ভাষায় বিভিন্ন তত্ত¡ ও তার ক্রমাগ্রসরণের মাধ্যমে যেভাবে বাক্য গঠিত হয় তার বিশ্লেষণ হয়ে থাকে, তাকে রূপান্তরমূলক সৃষ্টিশীল ব্যাকরণ বলে।

রূপান্তরমূলক ব্যাকরণের বৈশিষ্ট্য ঃ

রূপান্তরমূলক ব্যাকরণে ভাষার সংজ্ঞা-

A Language to be a set (Finite or infinite) of sentences each finite in length and constructed out of a finite set of elements.

ভাষার এ সংজ্ঞা পূর্ব প্রচলিত সংজ্ঞা থেকে ভিন্ন, কেননা ভাষা বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে এ ব্যাকরণ পরিসংখ্যান, দর্শন ও ভাষাতত্তে¡র ওপর প্রতিষ্ঠিত।

এ ব্যাকরণ দার্শনিক ভাষা গ্রহণ করে না। বাক্যতত্তে¡ ব্যাকরণগত আদর্শ পুরোপুরি মেনে চলে, ব্যাকরণগত অশুদ্ধ বাক্য এ ব্যাকরণে ব্যবহৃত হয় না।

বাক্য বিশ্লেষণে প্রচলিত ব্যাকরণে অন্তর্ভাগীয় গঠন ও বহির্ভাগীয় গঠনের কথা বলে, কিন্তু রূপান্তরমূলক- এ কেন্দ্রস্থানীয় বাক্যের কথাও বলে। কেন্দ্রস্থানীয় বাক্য মূলত কয়েকটি রূপান্তর সূত্র। যেমনÑ
কেন্দ্রস্থানীয় বাক্য ঃ ছেলেটি চিঠি লিখছে।

মানুষের মস্তিস্ক কতটুকু গ্রহণ করতে পারে, এ ব্যাকরণ তা বিবেচনা করে। মানব মস্তিস্ক কম্পিউটারের চেয়েও শক্তিশালী, কেননা কম্পিউটারকে যা শেখানো হয়, তার অতিরিক্ত কিছু পারে না, মানব মস্তিস্ক বুদ্ধির সাহায্যে অতিরিক্ত করতে সক্ষম। শিশু যেমন বাক্য ব্যবহার করে, তেমনি নতুন বাক্য তৈরিও করে। এ ভাষাতাত্তি¡ক দক্ষতাই হলো ‘যোগ্যতা’ আর যোগ্যতার স্তর ভেদে মানবমস্তিস্ক/শিশু প্রয়োগ ক্ষেত্রে সেগুলো যে ব্যবহার করে, তাহলো ‘সংসাধন’ । রূপান্তর ব্যাকরণে ‘যোগ্যতা’ ও ‘সংসাধন’ প্রক্রিয়া বিবেচনায় আনে।

আগের ও পরের প্রচলিত ব্যাকরণে আচরণবাদের ভিত্তিতে ভাষার বিচার করা হতো। রূপান্তরমূলক ব্যাকরণে শিশুর ‘যোগ্যতা’ ও ‘সংসাধন’ ক্ষমতার প্রয়োগে মনসমীক্ষাবাদের ওপর নির্ভর করে। যেমন- বড় ভাই ছোট ভাইকে বললÑ “রিমু, তুমি বড় আপাকে ডেকে আন তো”। তিন বছরের রিমু বড় আপার কাছে গিয়ে বললÑ “ভাইয়া তোমাকে ডাকছে”। বড় ভাউয়ের বাক্য আর রিমুর বাক্য গঠনরীতির দিক থেকে এক নয়। রিমু তার ‘সংসাধন’ ক্ষমতা দিয়ে প্রথম বাক্যের প্রেক্ষিতে দ্বিতীয় বাক্য তৈরি করেছে।

নোম চমস্কির
আধুনিক ভাষাতত্ত্ব

রূপান্তরমূলক ব্যাকরণে ব্যাকরণের সংজ্ঞা ঃ

A Finite state grammar is the simplest type of grammar with a finite amount of apparatus. can generate or infinite number of sentences.

ব্যাকরণের এ সংজ্ঞার আলোকে শুদ্ধভাবে বিভিন্ন বাক্য গঠন ও পরিবর্তন করা সম্ভব।

ঐ মেয়েটা আসে। ঐ মেয়েগুলো আসে। ঐ সুন্দর মেয়েটি আসে। ঐ সুন্দর মেয়েগুলো আসে।

কাল সকালে মিলন আসবে বলেছিল।
কাল সকালে মিলনরা আসবে বলেছিল।

রূপান্তরমূলক ব্যাকরণে দুটো অংশ বিদ্যমান। একটা বাক্যগঠনমূলক ও অন্যটি ধ্বনিগঠনমূলক। বাক্যগঠনমূলক অংশ দুটো পর্বে বিভক্ত, প্রত্যেকটি পর্ব বাক্যগঠনের স্তর হিসেবে বিবেচিত।

প্রথম পর্ব হচ্ছে – শব্দ, সমষ্টিগত সমপদস্থ গঠন।
দ্বিতীয় পর্ব হচ্ছে- রূপান্তরমূলক সমপদস্থ গঠন।
এই দ্বিতীয় পর্বই প্রচলিত ব্যাকরণের আদর্শ হতে স্বতন্ত্র।

রূপান্তরমূলক ব্যাকরণের উপর্যুক্ত দুটো পর্বের সাথে অভিন্ন সম্পর্ক বিদ্যমান।

রূপান্তরমূলক ব্যাকরণে এভাবে একটি প্রতীকের অনুক্রম দ্বারা আবেকটি অনুক্রমের প্রয়োগ দ্বারা পুনর্লিখিত হয়। এভাবে রূপান্তরমূলক সূত্র প্রয়োগ করে ভাষা বিশ্লেষণ করা হয় যে ব্যাকরণে তা রূপান্তমূলক সৃষ্টিশীল ব্যাকরণ।

উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে সহজ উপলব্ধি হলো-

রূপান্তরমূলক সৃষ্টিশীল ব্যাকরণ (Transformational Generative Grammar – TGG)

রূপান্তরমূলক সৃষ্টিশীল ব্যাকরণ হলো আমেরিকান ভাষাবিজ্ঞানী নোম চম্‌স্কি প্রবর্তিত এক আধুনিক ভাষাতাত্ত্বিক তত্ত্ব। ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত তাঁর বই Syntactic Structures—এ তিনি প্রথম এই তত্ত্বের ভিত্তি স্থাপন করেন। পরে ১৯৬৫ সালের Aspects of the Theory of Syntax গ্রন্থে এটি পূর্ণতা লাভ করে।

এর মূল লক্ষ্য হলো—
মানুষের মস্তিষ্কে ভাষা কীভাবে গঠিত হয় এবং সীমিত কিছু নিয়ম ব্যবহার করে মানুষ কীভাবে অসীম সংখ্যক বাক্য তৈরি করতে পারে, তা ব্যাখ্যা করা।

সংজ্ঞা (সহজ ভাষায়)

রূপান্তরমূলক সৃষ্টিশীল ব্যাকরণ হলো এমন এক ব্যাকরণ তত্ত্ব যেখানে বলা হয়—

ভাষার ভেতরে কিছু মূল কাঠামো (Deep Structure) থাকে,
আর এই মূল কাঠামোকে কিছু রূপান্তরের নিয়ম (Transformational Rules) প্রয়োগ করে মনের ভাব প্রকাশে আমরা যে  চূড়ান্ত বাক্য (Surface Structure) তৈরি করি।

 গভীর কাঠামো (Deep Structure)

এটি বাক্যের মৌলিক অর্থগত কাঠামো।
যেখানে Who does What to Whom—এই মূল সম্পর্কগুলো স্পষ্ট থাকে।

যেমন— Tina eats banana. এই বাক্যের গভীর কাঠামো:

পৃষ্ঠ কাঠামো (Surface Structure)

 রূপান্তরের নিয়ম (Transformational Rules)

চম্‌স্কি দেখিয়েছেন যে কয়েকটি নিয়ম প্রয়োগ করে আমরা বাক্যের ধরনের পরিবর্তন করতে পারি—

 1. প্রশ্নবোধক রূপান্তর (Interrogative Transformation)
              Rina eats mango.Does Rina eat mango?
 2. নৈর্ব্যক্তিক রূপান্তর (Passive Transformation)
           Rina eats mango.Mango is eaten by Rina.
 3. নাকারণ রূপান্তর (Negative Transformation)
           Rina eats mango.Rina does not eat mango.
 4. সংক্ষেপণ, সম্প্রসারণ, সংযোজন ইত্যাদি রূপান্তর

 রূপান্তরমূলক সৃষ্টিশীল ব্যাকরণের প্রধান বৈশিষ্ট্য

নিচে বুঝার উপযোগীভাবে বৈশিষ্ট্যগুলো দেওয়া হলো—

  • ভাষা জন্মগত একটি মানসিক ক্ষমতা

চম্‌স্কির মতে, মানুষ জন্মগতভাবেই ভাষা অর্জনের ক্ষমতা নিয়ে জন্মায়। এটি বেহেভিয়ারিস্টদের শেখার তত্ত্বকে চ্যালেঞ্জ করে।

  • গভীর কাঠামো ও পৃষ্ঠ কাঠামোর বিভাজন

বাক্যের ভেতরে লুকানো মূল অর্থ–সংগঠন (Deep Structure) থাকে,
আর বাহ্যিক রূপ (Surface Structure) রূপান্তর ঘটিয়ে তৈরি হয়।

একটি গভীর কাঠামো থেকে প্রশ্ন, না-বাচক, নৈর্ব্যক্তিকসহ একাধিক বাক্য তৈরি করা যায়।

মানুষের ভাষা সৃষ্টিশীল—নিয়ম সীমিত, কিন্তু বাক্য অসীম।
এ কারণেই একে Generative বা সৃষ্টিশীল ব্যাকরণ বলা হয়।

ধ্বনি বা শব্দতত্ত্বের চেয়ে বাক্যের গঠনই এখানে মুখ্য।
বাক্য কাঠামোর নিয়ম বোঝাই এই ব্যাকরণের মূল লক্ষ্য।

সব ভাষার গভীরে কিছু সাধারণ নীতি রয়েছে—এগুলোই Universal Grammar ।

এটি গাণিতিক নিয়ম, চিহ্ন এবং যুক্তি ব্যবহার করে গঠন বিশ্লেষণ করে—ফলে ভাষাবিজ্ঞান একটি বিজ্ঞান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

কোনো বাক্য অর্থে অদ্ভুত হলেও ব্যাকরণসম্মত হতে পারে।
যেমন— Colorless green ideas sleep furiously. এটি চম্‌স্কির বিখ্যাত উদাহরণ।

নোয়াম চমস্ককির সেই বিখ্যাত বাক্য দ্বারা এ তত্ত্ব ব্যাখ্যা:

Colorless green ideas sleep furiously”—এই বাক্যটির শাব্দিক বা বাস্তব কোনো অর্থ নেই।

চম্‌স্কি ইচ্ছাকৃতভাবে এমন একটি বাক্য তৈরি করেছিলেন, যার—

 কেন এই বাক্যটি গুরুত্বপূর্ণ?

চম্‌স্কি দেখাতে চেয়েছিলেন—

একটি বাক্য অর্থহীন হলেও ব্যাকরণসম্মত হতে পারে।
অর্থ ও ব্যাকরণ—এই দুটো ভাষার পৃথক স্তর।

শব্দে-শব্দে অর্থ করলে দাঁড়ায়:

তাহলে জোড়া দিলে অর্থ দাঁড়ায়:  রংহীন সবুজ ধারণাগুলো প্রচণ্ড রাগে ঘুমায়।
 যা বাস্তবে অসম্ভব এবং অর্থহীন।

 চমস্কির মূল বক্তব্য

চম্‌স্কি বলতে চেয়েছেন—

এই বাক্যটি ব্যবহার করে রূপান্তরমূলক ব্যাকরণে গভীর পৃষ্ঠ কাঠামো বিশ্লেষণ করে দেখানো হলো।

নীচে চম্‌স্কির বাক্য “Colorless green ideas sleep furiously”–কে রূপান্তরমূলক-সৃষ্টিশীল ব্যাকরণ (TGG) অনুযায়ী গভীর কাঠামো (Deep Structure)পৃষ্ঠ কাঠামো (Surface Structure) বিশ্লেষণসহ সহজভাবে দেখানো হলো।

১. বাক্যটি   Colorless green ideas sleep furiously.

এটি অর্থহীন, কিন্তু গঠনগতভাবে সম্পূর্ণ ব্যাকরণসম্মত

২. গভীর কাঠামো (Deep Structure)

গভীর কাঠামো হলো বাক্যের মৌলিক অর্থগত সম্পর্ক—  Who does what?

এখানে ডিপ স্ট্রাকচারের কাঠামো হবে—

এখন adjectives যুক্ত করার আগে ধারণার মূল সম্পর্ক—

অর্থগঠন:
“ধারণা ঘুমায় (তীব্রভাবে)।”
—যদিও বাস্তবে অসম্ভব, কিন্তু গভীর কাঠামোর সম্পর্ক ঠিকই আছে।

৩. পৃষ্ঠ কাঠামো (Surface Structure)

গভীর কাঠামোর উপর adjective insertion এবং ordering rules প্রয়োগ করে পৃষ্ঠ কাঠামো দেখানো যায়।

এখন পুরো বাক্য:    Colorless green ideas sleep furiously.

৪. রূপান্তরের ধাপ (Transformational Steps)

Step–1: Basic NP + VP structure (Deep Structure)

Step–2: Adjective addition transformation

(adjective → noun phrase এর আগে)

দুইটি adjective → sequential order: opinion/quality → color → noun
এক্ষেত্রে ব্যাকরণগতভাবে adjective order অনুসরণ করে:

colorless (quality) + green (color) + ideas

Step–3: Combine NP + VP → Sentence

ব্যাকরণিক নিয়ম (S → NP + VP) প্রয়োগ করে পুরো বাক্য গঠিত হয়।

৫. গভীর ও পৃষ্ঠ কাঠামোর পার্থক্য

স্তরবৈশিষ্ট্য
Deep Structureঅর্থগত সম্পর্ক (ideation: idea + sleep)
Surface Structureশব্দের বিন্যাস, adjective সংযুক্তি, চূড়ান্ত রূপ
Core meaning“ideas sleep furiously”—ব্যাকরণসম্মত সম্পর্ক
Rendered form“Colorless green ideas sleep furiously”

৬. এই উদাহরণে চম্‌স্কির বক্তব্য

এই বিশ্লেষণ দেখায়—

  1. গঠন সঠিক → বাক্যটি grammatical
  2. অর্থ ভাঙা → বাক্যটি meaningless
  3. সুতরাং syntax (গঠন) ≠ semantics (অর্থ)

চম্‌স্কি বলেছিলেন:
ব্যাকরণের সঠিকতা অর্থের উপর নির্ভর করে না।
ভাষার গঠন বোঝার জন্য গভীর ও পৃষ্ঠ কাঠামো প্রয়োজন।

নীচে একটি বাংলা বাক্য ব্যবহার করে
✔ প্রশ্নবোধক
✔ নৈর্ব্যক্তিক
✔ নাকারণ
✔ সংক্ষেপণ (contraction/ellipsis)
—এই চার ধরনের রূপান্তর (Transformation) দেখানো হলো।

মূল বাক্য (Deep Structure + Surface Structure)

ছাত্রটি বইটি পড়ছে।

১.  প্রশ্নবোধক রূপান্তর (Interrogative Transformation)

গভীর কাঠামো একই থাকে, শুধু গঠন বদলায়।

রূপান্তর:   ছাত্রটি কি বইটি পড়ছে?”

এখানে কি যোগ করে বাক্যের কাঠামো উল্টো না করে প্রশ্ন প্রকাশ করা হয়েছে (বাংলায় inversion দরকার হয় না)।

২.  নৈর্ব্যক্তিক রূপান্তর (Passive Transformation)

Active → Passive

রূপান্তর:   বইটি ছাত্রটি দ্বারা পড়া হচ্ছে।

কর্তা → কর্ম
কর্ম → উদ্দিষ্ট
‘পড়া হচ্ছে’ ব্যবহার করে ক্রিয়ার নৈর্ব্যক্তিক রূপ তৈরি হলো।

৩. না-কারণ বা না-বাচক রূপান্তর (Negative Transformation)

ক্রিয়ার সঙ্গে ‘না/নেই’ যোগ হয়।

 রূপান্তর:  ছাত্রটি বইটি পড়ছে না।

অপরিবর্তিত গভীর কাঠামো
 VP-তে ‘না’ যুক্ত হয়েছে।

৪. সংক্ষেপণ রূপান্তর (Contraction / Ellipsis Transformation)

প্রসঙ্গ-ভিত্তিক সংক্ষেপণ—ব্যাকরণসম্মত হলেও অংশ বাদ পড়ে।

উদাহরণ পরিস্থিতি:

প্রশ্ন — “ছাত্রটি কি বইটি পড়ছে?”
উত্তর — “হ্যাঁ, পড়ছে।”

সংক্ষেপিত রূপ:
ছাত্রটি বইটি পড়ছে।” → “পড়ছে।

অথবা
না, পড়ছে না।

এখানে NP (কর্তা + কর্ম) বাদ গেছে, শুধু VP বাক্য হিসেবে এসেছে।
রূপান্তরটি Ellipsis নামে পরিচিত।

চারটি রূপান্তর একসাথে (সহজ তালিকা)

রূপবাক্য
মূল বাক্যছাত্রটি বইটি পড়ছে।
প্রশ্নবোধকছাত্রটি কি বইটি পড়ছে?
নৈর্ব্যক্তিকবইটি ছাত্রটি দ্বারা পড়া হচ্ছে।
নাকারণছাত্রটি বইটি পড়ছে না।
সংক্ষেপণপড়ছে / পড়ছে না

 উপসংহার

রূপান্তরমূলক সৃষ্টিশীল ব্যাকরণ আধুনিক ভাষাতত্ত্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী তত্ত্ব। এটি ভাষাকে শুধু শব্দের সমষ্টি নয়, বরং একটি গভীর মানসিক কাঠামোর সৃজনশীল প্রকাশ হিসেবে দেখায়। চম্‌স্কির এই তত্ত্ব ভাষা-অর্জন, শিশু-ভাষা, বাক্যগঠন ও ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *