ব্যাবহারিক বাংলা, অনার্স প্রথম বর্ষ বাংলা বিভাগ
কুইজ- ভাষার ইতিহাস ও ব্যাবহারিক বাংলা
- অপভ্রংশ কী?
- উত্তর : প্রাকৃত ভাষা বিবর্তিত হওয়ায় ভাষা যে স্ত রে এসে দাঁড়ায় তাই অপভ্রংশ।
- বেদ কয়টি ও কী কী?
- উত্তর : বেদ ৪টি যথা : ঋকবেদ, সাম বেদ, যজুঃবেদ এবং অথর্ব বেদ।
- পালির আদি জন্মস্থান কোথায়? প্রথমযুগে পালি বলতে কী বুঝানো হতো?
- উত্তর : পালির আদি জন্মস্থান শ্রীলঙ্কা। প্রথমযুগে পালি বলতে মাগধী প্রাকৃত ভাষার প্রকারভেদকে বুঝানো হতো।
- কেন্তুম বিভাগের দুটি শাখার নাম কী?
- উত্তর : কেন্তুম বিভাগের দুটি শাখা ১. হিত্তী ভাষা ও ২. তুখারীয় ভাষা।
- ‘বাঙালি’ কোন এলাকার উপভাষা?
- উত্তর : ‘বাঙালি’ ঢাকার পার্শ্ববর্তী এলাকা (মানিকগঞ্জ) এলাকার উপভাষা।
ব্যাবহারিক বাংলা ও ভাষার ইতিহাস

- জ্যাকব গ্রিম কে ছিলেন?
- উত্তর : জ্যাকব গ্রিম ছিলেন একজন ধ্বনিতাত্তি¡ক।
- কার আমলে রাজ সরকারের ভাষা ছিল ফারসি?
- উত্তর : মুঘল আমলে রাজসরকারের ভাষা ছিল ফারসি।
- প্রতিবর্ণীকরণ কী?
- উত্তর : বিদেশি শব্দকে বাংলা লিপিতে লেখাকে প্রতিবর্ণীকরণ বলে।
- বাংলা একাডেমি কত সালে বাংলা বানানের নিয়ম প্রবর্তন করেন?
- উত্তর : ১৯৯২ সালে।
- পরিভাষা কোন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়?
- উত্তর : মূল ভাষায় প্রতিশব্দ না থাকলে কখনো মূল ভাষার শব্দ থাকলেও পরিভাষা ব্যবহৃত হয়।
- শুদ্ধ বানান লেখ : বিভিসিকা, শিরচ্ছেদ।
- উত্তর : শুদ্ধ বানান : বিভীষিকা, শিরশ্ছেদ
ব্যাবহারিক বাংলা ও ভাষার ইতিহাস
- তাড়নজাত ধ্বনি কাকে বলে?
- উত্তর : যে ধ্বনি উচ্চারণকালে জিভের অগ্রকে তাড়িত করে তাকে তাড়নজাত ধ্বনি বলে।
- কার আমলে রাজ সরকারের ভাষা ছিল ফারসি?
- উত্তর : মুঘল আমলে রাজসরকারের ভাষা ছিল ফারসি।
- কোন সময়কে প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার যুগ বলা হয়?
- উত্তর : খ্রিস্টপূর্ব ১২০০ অব্দ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০ অব্দ পর্যন্ত প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার যুগ বলা হয়।
- বাংলা ভাষা নব্য ভারতীয় আর্যের কোন শাখাভুক্ত?
- উত্তর : বাংলা ভাষা নব্য ভারতীয় আর্যের প্রাচ্য শাখাভুক্ত।
- বাংলা ভাষায় যুগসন্ধিকাল কোন সময়?
- উত্তর : বাংলা ভাষার যুগসন্ধি ১২০১ থেকে ১৩৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।
- প্রাকৃত ভাষা কী?
- উত্তর : মধ্য ভারতীয় আর্য ভাষার দ্বিতীয় স্ত রে জনসাধারণ যে ভাষায় কথা বলত সে ভাষাকে প্রাকৃত ভাষা বলে।
- ভাষার মৌখিক রূপের কয়টি রীতি ও কী কী?
- উত্তর : ২টি, সাধু ও চলিত।
- ‘কার’ কাকে বলে?
- উত্তর : স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কার বলে।
- জবানবন্দি, চশমা, কারখানা, বাদশাহ প্রভৃতি কোন বিদেশি ভাষার শব্দ?
- উত্তর : ফারসি ভাষার শব্দ।
- দ্বিস্বর বা যুগ্ম স্বরধ্বনির প্রতীক কয়টি ও কী কী?
- উত্তর : ২টি; ঔ এবং ঐ।
ব্যাবহারিক বাংলা ও ভাষার ইতিহাস
- ব্যঞ্জনসন্ধি কী?
- উত্তর : স্বরধ্বনির সঙ্গে ব্যঞ্জনধ্বনি এবং ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনির মিলনকে ব্যঞ্জনসন্ধি বলে।
- বাক্যে কমা (,) থাকলে কতক্ষণ থামতে হয়?
- উত্তর : এক বলতে যে সময় প্রয়োজন হয়।
- প্রতিবর্ণীকরণ কী?
- উত্তর : বিদেশি শব্দকে বাংলা লিপিতে লেখাকে প্রতিবর্ণীকরণ বলে।
- শতম ভাষার পূর্বে আমরা কোন ভাষা পাই?
- উত্তর : শতম ভাষার পূর্বে আমরা মূল ইন্দো-ইউরোপিয়ান ভাষা পাই।
- হিত্তী ভাষা কোথায় বর্তমান ছিল?
- উত্তর : হিত্তী ভাষা এশিয়া মাইনরে প্রায় দেড় হাজার খ্রিস্টপূর্ব প্রচলিত ছিল।
- গদ্বিতীয় উপস্ত রের ভাষাকে কোন ভাষা নামে অভিহিত করা হয়।
- উত্তর : দ্বিতীয় উপস্ত রের ভাষাকে নাটকীয় প্রাকৃত ভাষা নামে অভিহিত করা হয়।
- ‘যূয়ং স্থ’ এর বাংলা ভাষা রূপ কী হবে?
- উত্তর : ‘যূয়ং স্থ’ এর বাংলা ভাষা রূপ ‘তুমি আছ’।
- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কখন বাংলা ভাষাকে মাধ্যমিক শিক্ষার বাহন বলে ঘোষণা দেয়?
- উত্তর : ১৯৩৫ সালে।
ব্যাবহারিক বাংলা ও ভাষার ইতিহাস
- বিস্ময় চিহ্নের! বিরতিকাল কত?
- উত্তর : বিস্ময় চিহ্নের বিরতিকাল এক সেকেন্ড।
- ঝড়া কি?
- উত্তর : বাক্য পদ সংস্থাপনে কর্তা (ঝ), কর্ম (ঙ), ক্রিয়া (ঠ) ইত্যাদিকে ঝড়া বলে।
- উদ্দেশ্য প্রসারক কী?
- উত্তর : বাক্যের উদ্দেশ্যকে অন্যপদ, বাক্য বা বাক্যাংশ দ্বারা প্রসারিত করাকে উদ্দেশ্য প্রসারক বলে।
- পদের কয় ধরনের অর্থ থাকে?
- উত্তর : পদের তিন ধরনের অর্থ থাকে। যথা : বাচ্যার্থ, লক্ষার্থ, ব্যঙ্গার্থ।
- ‘ঙ’ এর আন্তর্জাতিক ধ্বনিতাত্তি¡ক বর্ণমালা কী হবে?
- উত্তর : ‘ঙ’ এর আন্তর্জাতিক ধ্বনিতাত্তি¡ক বর্ণমালা ‘ঢ’।
ব্যাবহারিক বাংলা ও ভাষার ইতিহাস
- প্রতিবেদন শব্দের অর্থ কী?
- উত্তর : প্রতিবেদন শব্দের অর্থ বিবরণী।
- বিরাম চিহ্নকে অন্য কী কী চিহ্ন বলা যায়?
- উত্তর : বিরাম চিহ্নকে বিরতি চিহ্ন, যতি চিহ্ন, ছেদ চিহ্ন, ভাষা চিহ্ন বলা যায়।
- ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা বংশের কোন শাখাকে আর্য শাখা বলে?
- উত্তর : ইন্দোভারতীয়।
- বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন কী?
- উত্তর : বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন চর্যাপদ।
- বাংলা লিপি কোন লিপির বিবর্তিত রূপ?
- উত্তর : বাংলা লিপি ব্রাহ্মীলিপির বিবর্তিত রূপ।
- ‘ন্ত্র্য’ যুক্তব্যঞ্জনটিতে কয়টি ব্যঞ্জনবর্ণ আছে?
- উত্তর : ন্ত্র্য যুক্তব্যঞ্জনটিতে তিনটি ব্যঞ্জনবর্ণ আছে।
ব্যাবহারিক বাংলা ও ভাষার ইতিহাস
ঙ. ধ্বনি নির্দেশক প্রতীক বা চিহ্নকে কী বলে?
উত্তর : ধ্বনি নির্দেশক প্রতীক বা চিহ্নকে কার বা ফলা বলে।
চ. উচ্চারণ স্থান অনুসারে ‘ক’ এর অবস্থান নির্দেশ কর।
উত্তর : উচ্চারণ স্থান অনুসারে ‘ক’ কণ্ঠ ধ্বনি।
ছ. কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কত সালে বাংলা বানানের নিয়ম প্রবর্তন করে?
উত্তর : কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৩৬ সালের ৮ মে বাংলা বানানের নিয়ম প্রবর্তন করে।
জ. সন্ধির প্রচলিত নিয়ম না মেনে যে সন্ধি হয়, তাকে কী বলে?
উত্তর : সন্ধির প্রচলিত নিয়ম না মেনে যে সন্ধি হয় তাকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে।
ঝ. বাংলা গদ্যে প্রথম যতি চিহ্নের ব্যবহার করেন কে?
উত্তর : বাংলা গদ্যে প্রথম যতি চিহ্ন ব্যবহার করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ঞ. স্বরবর্ণের সাথে ব্যঞ্জনবর্ণের সন্ধি হলে কোন সন্ধি হয়?
উত্তর : ব্যঞ্জন সন্ধি হয়।
ট. ‘অদ্যাপি’ শব্দের চলিত রূপ কী?
উত্তর : অদ্যাপি শব্দের চলিত রূপ অদ্য।
ঠ. Rssulation’ এর পারিভাষিক শব্দ কী?
উত্তর :Rssulation এর পারিভাষিক শব্দ সিদ্ধান্ত।
ক. ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষার উৎপত্তি আনুমানিক কোন সময়ে?
উত্তর : খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০।
খ. কেন্তুমের শাখা কয়টি ও কী কী?
উত্তর : ৬টি, কেলটীয়, ইতালীয়, জর্মনীয়, হেল্লেনিক, হিট্রিট, তোখারীয়।
গ. অন্তঃমধ্যযুগের সময়সীমা কত?
উত্তর : ৪৫০-৬৫০।
ঘ. ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
উত্তর : ১৮০০।
ঙ. কোন স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ নেই?
উত্তর : অ।
চ. খাঁটি বাংলা শব্দে কী ‘ষ’ হবে?
উত্তর : না।
ছ. ‘চলন্তিকা’ কার লেখা?
উত্তর : রাজশেখর বসু।
জ. ‘ব্রাহ্মণ’ ও ‘জ্ঞান’ শব্দে ব্যবহৃত বর্ণগুলোর পরিচয় দাও।
উত্তর : হ+ম= হ্ম এবং জ+ঞ=জ্ঞ।
ঝ. ধ্বনির মহাপ্রাণতা কী?
উত্তর : উচ্চারিত বর্ণের বাতাসের আধিক্য।
ঞ. ‘দৈন্যতা’ শব্দের শুদ্ধরূপ কী?
উত্তর : দীনতা।
ট. বাক্যের কয়টি অংশ ও কী কী?
উত্তর : উদ্দেশ্য এবং বিধেয়।
ঠ. পরিভাষার ইংরেজি প্রতিশব্দ কী?
উত্তর : Terminology.
ক. ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা বংশের কোন শাখাকে আর্য শাখা বলে?
উত্তর : শতম।
খ. বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন কী?
উত্তর : বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন চর্যাপদ।
গ. বাংলা লিপি কোন লিপির বিবর্তিত রূপ?
উত্তর : বাংলা লিপি ব্রাহ্মীলিপির বিবর্তিত রূপ।
ঘ. ‘ন্ত্র্য’ যুক্তব্যঞ্জনটিতে কয়টি ব্যঞ্জনবর্ণ আছে?
উত্তর : ন্ত্র্য যুক্তব্যঞ্জনটিতে তিনটি ব্যঞ্জনবর্ণ আছে।
ঙ. ধ্বনি নির্দেশক প্রতীক বা চিহ্নকে কী বলে?
উত্তর : ধ্বনি নির্দেশক প্রতীক বা চিহ্নকে কার বা ফলা বলে।
চ. উচ্চারণ স্থান অনুসারে ‘ক’ এর অবস্থান নির্দেশ কর।
উত্তর : উচ্চারণ স্থান অনুসারে ‘ক’ কণ্ঠ ধ্বনি।
ছ. কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কত সালে বাংলা বানানের নিয়ম প্রবর্তন করে?
উত্তর : কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৩৬ সালের ৮ মে বাংলা বানানের নিয়ম প্রবর্তন করে।
জ. সন্ধির প্রচলিত নিয়ম না মেনে যে সন্ধি হয়, তাকে কী বলে?
উত্তর : সন্ধির প্রচলিত নিয়ম না মেনে যে সন্ধি হয় তাকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে।
ঝ. বাংলা গদ্যে প্রথম যতি চিহ্নের ব্যবহার করেন কে?
উত্তর : বাংলা গদ্যে প্রথম যতি চিহ্ন ব্যবহার করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ঞ. স্বরবর্ণের সাথে ব্যঞ্জনবর্ণের সন্ধি হলে কোন সন্ধি হয়?
উত্তর : ব্যঞ্জন সন্ধি হয়।
ট. ‘অদ্যাপি’ শব্দের চলিত রূপ কী?উত্তর : অদ্যাপি শব্দের চলিত রূপ অদ্য।
ব্যাবহারিক বাংলা ও ভাষার ইতিহাস
ক. অপভ্রংশের সৃষ্টি কিভাবে?
উত্তর : ব্যাপক ব্যবহারের ফলে প্রাকৃত ভাষা পরিবর্তিত হয়ে সৃষ্টি হয় অপভ্রংশ।
খ. কাদের মতে বাংলা ভাষা সংস্কৃতের দুহিতা?
উত্তর : সংস্কৃত পÐিতদের মতে বাংলা ভাষা সংস্কৃতের দহিতা।
গ. পৃথিবীতে প্রধানত কয়টি ভাষাবংশ রয়েছে?
উত্তর : পৃথিবীতে ১২টি ভাষাবংশ রয়েছে।
ঘ. বাংলা ভাষার যুগসন্ধিকাল কোন সময়ে?
উত্তর : বাংলা ভাষার যুগসন্ধিকাল ১২০১ থেকে ১৩৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।
ঙ. ও.অ.খ এর পূর্ণরূপ লেখ।
উত্তর : I.A.L
. এর পূর্ণরূপ International Association of Literature
চ. বাংলা ভাষায় কোন বিদেশি শব্দ বেশি পাওয়া যায়?
উত্তর : বাংলা ভাষায় সংস্কৃত শব্দ বেশি পাওয়া যায়।
ছ. ‘সরল বাংলা অভিধান’-এর রচয়িতা কে?
উত্তর : সরল বাংলা অভিধান এর রচয়িতা সুবল চন্দ্র মিত্র।
জ. বিস্ময় চিহ্নের বিরতিকাল কত?
উত্তর : বিস্ময় চিহ্নের বিরতিকাল এক সেকেন্ড।
ঝ. শব্দের বানানের বিভ্রান্তির প্রধান কারণ কী?
উত্তর : শব্দের বানানের বিভ্রান্তির প্রধান কারণ শব্দের গঠনগত সম্পর্কে অজ্ঞতা।
ঞ. কোন রীতিতে সংস্কৃত অব্যয়ের ব্যবহার বেশি?
উত্তর : সাধু রীতিতে সংস্কৃত অব্যয়ের ব্যবহার বেশি।
ট. প্রতিবেদনের মূল উদ্দেশ্য কী?
উত্তর : প্রতিবেদনের মূল উদ্দেশ্য সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করা।
ঠ. অর্থানুসারে বাংলা বাক্য কয় প্রকার?
উত্তর : অর্থানুসারে বাংলা বাক্য সাত প্রকার।
ক. বাংলাভাষা কোন ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত?
উত্তর : ইন্দো ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর ইন্দো-ইরানীয় শাখার অন্তর্ভুক্ত।
খ. শতম শাখা প্রধানত কয় ভাগে বিভক্ত?
উত্তর : ৪ ভাগে।
গ. পাণিনি কে? তাঁর গ্রন্থের নাম কী?
উত্তর : খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতকের বিখ্যাত ব্যাকরণবিদ। গ্রন্থ ‘অষ্টাধ্যায়ী’।
ঘ. আর্যদের প্রাচীনতম সাহিত্য রচনা সংকলন কোনটি?
উত্তর : বেদ।
ঙ. একটি মিশ্র বাক্য রচনা কর।
উত্তর : যদি তুমি আস, তবে আমি যাব।
ব্যাবহারিক বাংলা ও ভাষার ইতিহাস
O. D. B. L এর পূর্ণরূপ লেখ।
উত্তর : The Origin and Development of the Bengali Language.
ছ. হ্ম, ষ্ণ, হ্ন, জ্ঞ, যুক্তাক্ষরগুলো ভেঙে লেখ।
উত্তর : ক্ষ = হ + ম, ষ্ণ = ষ + ন, হ্ন = হ + ন, জ্ঞ = জ + ঞ।
জ. প্রতিবর্ণীকরণ কী?উত্তর : বিদেশি শব্দকে বাংলা লিপিতে লেখাকে প্রতিবর্ণীকরণ বলে।
ঝ. অনুসর্গ ও উপসর্গের পার্থক্য নির্দেশ কর।
উত্তর : যে সকল অব্যয়সূচক শব্দ পদের পূর্বে বসে।
ঞ. Chancellor ও Telephone এর পরিভাষা কী?
উত্তর : আচার্য, দূরালাপনী।
ট. বর্গ সংখ্যা কয়টি? বর্গীয় সংখ্যা কয়টি?
উত্তর : বর্গ-৫টি, বর্গীয় সংখ্যা ২৫টি।
ঠ. উচ্চারণ রীতি অনুযায়ী ‘ঙ’ কোন ধরনের বর্ণ?
উত্তর : নাসিক্য ধ্বনি।
ব্যাবহারিক বাংলা ও ভাষার ইতিহাস
ক. বাংলা বর্ণমালায় নেই, কিন্তু স্বরধ্বনি হিসেবে ব্যবহৃত হয় এরূপ স্বরচিহ্নটি কী?
উত্তর : অ্যা।
খ. প্রাচীন বাংলার সাহিত্যিক নিদর্শন কোনটি?
উত্তর : প্রাচীন বাংলার সাহিত্যিক নিদর্শন চর্যাপদ
গ. বাংলা উপভাষাকে প্রধানত কয়টি ভাগে ভাগ করা যায় ও কী কী?
উত্তর : দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা : র. পাশ্চাত্য, রর. প্রাচ্য পাশ্চাত্য।
ঘ. পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ভাষা গোষ্ঠীর নাম কী?
উত্তর : পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ভাষা গোষ্ঠী ইন্দো-ইউরোপীয়।
ঙ. একুশে গ্রন্থ মেলার আয়োজক সংস্থার নাম কী?
উত্তর : একুশে গ্রন্থ মেলার আয়োজক সংস্থার নাম ‘বাংলা একাডেমি’।
চ. ‘ফনীভূষণ’ শব্দের শুদ্ধ বানান কী?
উত্তর : ‘ফনীভূষণ’ শব্দের শুদ্ধ বানান ‘ফণিভূষণ’।
ব্যাবহারিক বাংলা ও ভাষার ইতিহাস
ছ. ঙ.উ.ই.খ- এর পূর্ণরূপ কী?
উত্তর : ঙ.উ.ই.খ = ঞযব ঙৎরমরহ ধহফ উবাবষড়ঢ়সবহঃ ড়ভ ঃযব ইবহমধষর খধহমঁধমব.
জ. ‘ঊফরঃড়ৎ’ এবং ‘গধহঢ়ড়বিৎ’ শব্দ দুটির পারিভাষিক রূপ কী কী?
উত্তর : ঊফরঃড়ৎ = সম্পাদক; গধহঢ়ড়বিৎ = জনশক্তি।
ঝ. ‘চলন্তিকা’ অভিধানের রচয়িতা কে?
উত্তর : ‘চলন্তিকা’ অভিধানের রচয়িতা ‘রাজশেখর বসু’।
ঞ. বাক্যের প্রধান দুটি অংশ কী কী?
উত্তর : বাক্যের প্রধান দুটি অংশ উদ্দেশ্য ও বিধেয়।
ব্যাবহারিক বাংলা ও ভাষার ইতিহাস
ট. ‘ব্রজবুলি’ ভাষা কী?
উত্তর : ‘ব্রজবুলি’ একপ্রকার কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা। এটি বাংলা ও মৈথিলি ভাষার মিশ্রণে সৃষ্টি।
ঠ. বৈদিক ভাষা কী?
উত্তর : ‘বেদ’ হতে বৈদিক শব্দের উৎপত্তি। আর্যগণ যে ভাষায় তাদের ধর্মগ্রন্থ বেদ সংহিতা রচনা করেছিলেন সে ভাষাকে বৈদিক ভাষা বলে।
ক. ভাষার ইতিহাসে পাণিনি খ্যাতিমান কেন?
উত্তর : ভাষার ইতিহাসে পাণিনি অষ্টাধ্যায়ী নামক সংস্কৃত ব্যাকরণের কারণে।
খ. ভব নঈ গ্রহণ গম্ভীর বেগে বাহী-এই কবিতাংশটি কোন স্ত রের বাংলা ভাষার উদাহরণ?
উত্তর : ভারতীয় আর্য শাখার মধ্যস্ত রের।
গ. প্রতিবর্ণীকরণ কী?উত্তর : বিদেশি শব্দকে বাংলা লিপিতে লেখাকে প্রতিবর্ণীকরণ বলে।
ব্যাবহারিক বাংলা ও ভাষার ইতিহাস
ঘ. বাংলা বানানে কোন কোন ক্ষেত্রে ঈ-কার ব্যবহৃত হয়?
উত্তর : স্ত্রীবাচক শব্দে, ইনী প্রত্যয়ের সাথে, সংখ্যাবাচক শব্দের শেষে, ব্যক্তি বা পুরুষ বোঝাতে।
ঙ. বাংলা গদ্যের জনক কে?
উত্তর : বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
চ. বাংলা একাডেমি কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তর : বাংলা একাডেমি ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
ছ. বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
উত্তর : ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ।
জ. বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণ কয়টি?
উত্তর : বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণ একটি।
ব্যাবহারিক বাংলা ও ভাষার ইতিহাস
ঝ. ধ্বনির সাংকেতিক রূপকে কী বলে?
উত্তর : ধ্বনির সাংকেতিক রূপকে কার বা ফলা বলে।
ঞ. ঈধসঢ়ঁং শব্দটির পারিভাষিক অর্থ লেখ।
উত্তর : ঈধসঢ়ঁং শব্দটি পারিভাষিক অর্থ অঙ্গন।
ট. জ্যাকব গ্রিম কে ছিলেন?
উত্তর : জ্যাকব গ্রিম ছিলেন একজন ধ্বনিতত্ত¡বিদ।
ঠ. বাংলা ভাষার আদি উৎস কী?
উত্তর : বাংলা ভাষার আদি উৎস ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠী।
ব্যাবহারিক বাংলা ও ভাষার ইতিহাস
ক. ঙ.উ.ই.খ এর পূর্ণরূপ লেখ।
উত্তর : ঙউইখ = ঞযব ঙৎরমরহ ধহফ উবাবষড়ঢ়সবহঃ ড়ভ ঃযব ইবহমধষর খধহমঁধমব.
খ. ‘যদিও’ শব্দের সাধুরূপ লেখ।
উত্তর : ‘যদিও’ এর সাধুরূপ ‘যদ্যপি’।
গ. পরিভাষা কী?
উত্তর : অন্য ভাষার শব্দকে নিজ ভাষায় রূপান্তরিত করার পরও অন্য ভাষার শব্দটি প্রচলনবহুল হলে এ ধরনের ভাষাকে পরিভাষা হলে।
ঘ. ভারতীয় আর্যভাষাকে কত স্ত রে ভাগ করা যায়?
উত্তর : ৩টি (আদিম, মধ্যস্ত র এবং আধুনিক স্ত র)।
ঙ. বাংলা ভাষায় প্রচলিত আঞ্চলিক ভাষারীতির সংখ্যা কতটি?
উত্তর : ৩টি ( উত্তরবঙ্গ, রাজবংশী, পূর্ববঙ্গীয়)।
চ. নব্য ভারতীয় আর্যভাষাগুলো কয়টি শাখায় বিভক্ত?
উত্তর : নব্য ভারতীয় আর্য ভাষাগুলো পাঁচটি শাখার বিভক্ত। প্রতীচ্য, মধ্যদেশীয়, মধ্যবর্তী, প্রাচ্য, দাক্ষিণাত্য।
ছ. বাংলা উপভাষা প্রধানত কয়টি?
উত্তর : বাংলা উপভাষা প্রধানত ৫টি। রাড়ী, ঝাড়খÐী, বরেন্দ্রী, বাঙালি, কামরূপী, রাজবংশী।
জ. ইন্দো-ইউরোপীয় মূল ভাষার আনুমানিক সময়কাল কত?
উত্তর : ইন্দো-ইউরোপীয় মূল ভাষার সময়কাল আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৫,০০০ হাজার বছর।
ঝ. প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা কোন সময়ের?
উত্তর : প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা খ্রিস্টপূর্ব ১,২০০ অব্দ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ অব্দ পর্যন্ত।
ঞ. নব্য ভারতীয় আর্যভাষার উদ্ভবের সময়কাল কত?
উত্তর : খ্রিস্টীয় ৫০১ অব্দ থেকে বর্তমানকাল পর্যন্ত তৎসম।
ট. তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ‘ক্ষ’ এর পর সর্বদা কোন বর্ণ বসে?
উত্তর : শব্দের ক্ষেত্রে ‘ক্ষ’ এর পরে মূর্ধন্য (ন)’ বসে।
ঠ. ‘ষ’ এ কোন কোন বর্ণ সহযোগে গঠিত?
উত্তর : ষ্ণ = ষ + ণ।
ড. কোন শব্দের আদিতে ‘ব-ফলা’ থাকলে কী হয়?
উত্তর : কোন শব্দের আদিতে ব-ফলা থাকলে দ্বিত্ব উচ্চারিত হয় না। ‘ব’ স্বাভাবিক নিয়মে উচ্চারিত হয়।
ঢ. বাংলা ভাষায় যুক্তাক্ষরের সংখ্যা কত?
উত্তর : ৮৭।
ণ. বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রার বর্ণ কয়টি?
উত্তর : বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩৮টি।
ত. কয়টি যৌগিক স্বরধ্বনির বর্ণ রূপ আছে?
উত্তর : যৌগিক স্বরধ্বনির বর্ণরূপ দুইটি যথা। ঐ, ঔ।
থ. ‘কী’ আর ‘কি’ কখন হয়?
উত্তর : সর্বনাম, বিশেষণ এবং ক্রিয়াবিশেষণ পদরূপে বসলে কী লিখতে হয় এবং অব্যয় পদরূপে ব্যবহৃত হলে ’কী’ লিখতে হয়।
দ. বাক্যের মূল উপাদান কি?
উত্তর : বাক্যের মূল উপাদান শব্দ।
পৃথিবীর অধিকাংশ ভাষার কয়টি রূপ?
উত্তর : পৃথিবীর অধিকাংশ ভাষার রূপ দুইটি।
ন. স্বতোস্ফুর্ত;স্বয়ম্বর; স্বস্ত্রীক; হৃৎপিÐ- এর শুদ্ধ বানান লিখ।
উত্তর : স্বতস্ফ‚র্ত = স্বতঃস্ফ‚র্ত; স্বয়ম্বরা = স্বয়ংবরা; স্বস্ত্রীক = সস্ত্রীক; হৃৎপিÐ = হৃদপিÐ।
প. বাংলা ভাষায় মোট কতটি বিরাম চিহ্নের প্রচলন রয়েছে?
উত্তর : বাংলা ভাষায় মোট এগারোটি বিরাম চিহ্নের প্রচলন আছে।
ফ. ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কী বলা হয়?
উত্তর : ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে ফলা বলা হয়।
ক. বাংলা ভাষার উৎপত্তি কোন শতাব্দীতে?
উত্তর : সপ্তম শতাব্দীতে।
খ. বাংলা লিপির উৎস কী?
উত্তর : ব্রাহ্মীলিপি।
গ. ইংরেজদের আগমনের পূর্বে এদেশে কাদের প্রভাব বেশি?
উত্তর : মুসলমানদের।
ঘ. সন্ধিতে কিসের মিলন ঘটে?
উত্তর : বর্ণের সাথে বর্ণের মিলন ঘটে।
ঙ. উপভাষা কত প্রকার?
উত্তর : ৫ প্রকার।
চ. সেমিকোলনের ক্ষেত্রে কতটুকু বিরতির প্রয়োজন হয় ?
উত্তর : ১ বলার দ্বিগুন সময় প্রযোজন।
ছ. মনীষা এর সন্ধি কোনটি?
উত্তর : মনস + ঈষা।
জ. বাংলা মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি?
উত্তর : ৭টি।
ঝ. শ, ষ, স তিনটির মধ্যে খাঁটি বাংলা শব্দে কোনটির ব্যবহার নেই?
উত্তর : ষ এর ব্যবহার নেই।
ঞ. ফণীভূসন শব্দের শুদ্ধ বানান কী?
উত্তর : ফণীভূষণ।
ট. সরল বাক্য কাকে বলে?
উত্তর : যে বাক্যে একটি মাত্র উদ্দেশ্য (কর্তা) ও একটি মাত্র বিধেয় (সমাপিকা ক্রিয়া) থাকে তাকে সরল বাক্য বলে।
ক. ‘বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
উত্তর : ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ।
খ. বাংলা লিপির উৎস কী?
উত্তর : বাংলা লিপির উৎস ব্রাহ্মী লিপি।
গ. প্রাচীন বাংলার সাহিত্যিক নিদর্শন কী?
উত্তর : চর্যাপদ প্রাচীন বাংলার সাহিত্যিক নিদর্শন।
ঘ. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার উৎপত্তি কোন প্রাকৃত থেকে?
উত্তর : ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার উৎপত্তি গৌড়ী প্রাকৃত থেকে।
ঙ. বাংলা গদ্যে প্রথম বিরামচিহ্নের সার্থক ব্যবহার করেন কে?
উত্তর : ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
চ. যুক্তাক্ষর কাকে বলে?
উত্তর : দুই বা ততোধিক ব্যঞ্জন একত্রিত করে লেখাকে যুক্তাক্ষর বলে।
ছ. উচ্চারণ রীতি অনুযায়ী ‘ঞ’ কোন ধরনের বর্ণ?
উত্তর : উচ্চারণ রীতি অনুযায়ী ‘ঞ’ নাসিক্য বর্ণ।
জ. নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলতে কী বুঝ?
উত্তর : সন্ধির প্রচলিত নিয়ম না মেনে যেসব সন্ধি হয় এবং নতুন শব্দ গঠন করে তাকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে।
ঝ. বাংলাকে ‘ঝঙঠ খধহমঁধমব’ বলা হয় কেন?
উত্তর : বাংলা বাক্য কর্তা (ঝ), কর্ম (ঙ) এবং ক্রিয়া (ঠ) রূপে গঠিত হয় তাই বাংলাকে ‘ঝঙঠ খধহমঁধমব’ বলে।
ঞ. একটি বাক্যে কয়টি অংশ থাকে? অংশগুলোর নাম লেখ।
উত্তর : একটি বাক্যে দুইটি অংশ থাকে; যথা : উদ্দেশ্য ও বিধেয়।
ট. ‘শিরচ্ছেদ’-এর শুদ্ধরূপ লেখ।
উত্তর : শিরñেদ।
ঠ. ষ-ত্ব বিধি কোন ধরনের শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
উত্তর : তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ষ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য।
ক. ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা বংশের কোন শাখাকে আর্য শাখা বলে?
উত্তর : শতম।
খ. আর্যদের প্রাচীনতম সাহিত্য সংকলন কোনটি?
উত্তর : বেদ।
গ. বর্ণ কাকে বলে?
উত্তর : ধ্বনির লিখিত রূপকে বর্ণ বলে।
ঘ. তালব্য ধ্বনি কোনগুলো?
উত্তর : তালব্য ধ্বনি : চ, ছ, জ, ঝ, ঞ।
ঙ. পরিভাষা কী?
উত্তর : অন্য ভাষার শব্দকে নিজ ভাষায় রূপান্তরিত করার পরও অন্য ভাষার শব্দটির প্রচলন বহুল হলে এ ধরনের ভাষাকে পরিভাষা বলে।
চ. সন্ধি কাকে বলে?
উত্তর : পরস্পর সম্পর্কযুক্ত পাশাপাশি দুই বর্ণের মিলনকে সন্ধি বলে।
ছ. ‘বাঙলা ভাষার ইতিবৃত্ত’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
উত্তর : ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ।
জ. ‘কৃষ্ণ’ শব্দটি ভেঙ্গে দেখাও।
উত্তর : কষ্ণ = কৃষ্ + ন (নক)।
ঝ. ‘কর্ণ’ শব্দটি কি নিয়মে গঠিত হয়েছে?
উত্তর : ‘কর্ণ শব্দটি ণ-ত্ব বিধানের নিয়মে গঠিত হয়েছে।
ঞ. বাংলা গদ্যে বিরাম চিহ্নের সার্থক ব্যবহার কে প্রথম করেন?
উত্তর : ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
ট. সম্বোধন পদ বাক্যের কোথায় বসে?
উত্তর : সম্বোধন পদ বাক্যের প্রথমে বসে।
ঠ. প্রতিবর্ণীকরণ কী?
উত্তর : বিদেশি শব্দকে বাংলা লিপিতে লেখাকে প্রতিবর্ণীকরণ বলে।
ক. ‘বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
উত্তর : ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ।
খ. বাংলা লিপির উৎস কী?
উত্তর : বাংলা লিপির উৎস ব্রাহ্মী লিপি।
গ. প্রাচীন বাংলার সাহিত্যিক নিদর্শন কী?
উত্তর : চর্যাপদ প্রাচীন বাংলার সাহিত্যিক নিদর্শন।
ঘ. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার উৎপত্তি কোন প্রাকৃত থেকে?
উত্তর : ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার উৎপত্তি গৌড়ী প্রাকৃত থেকে।
ঙ. বাংলা গদ্যে প্রথম বিরামচিহ্নের সার্থক ব্যবহার করেন কে?
উত্তর : ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
চ. যুক্তাক্ষর কাকে বলে?
উত্তর : দুই বা ততোধিক ব্যঞ্জন একত্রিত করে লেখাকে যুক্তাক্ষর বলে।
ছ. উচ্চারণ রীতি অনুযায়ী ‘ঞ’ কোন ধরনের বর্ণ?
উত্তর : উচ্চারণ রীতি অনুযায়ী ‘ঞ’ নাসিক্য বর্ণ।
জ. নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলতে কী বুঝ?
উত্তর : সন্ধির প্রচলিত নিয়ম না মেনে যেসব সন্ধি হয় এবং নতুন শব্দ গঠন করে তাকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে।
ঝ. বাংলাকে ‘ঝঙঠ খধহমঁধমব’ বলা হয় কেন?
উত্তর : বাংলা বাক্য কর্তা (ঝ), কর্ম (ঙ) এবং ক্রিয়া (ঠ) রূপে গঠিত হয় তাই বাংলাকে ‘ঝঙঠ খধহমঁধমব’ বলে।
ঞ. একটি বাক্যে কয়টি অংশ থাকে? অংশগুলোর নাম লেখ।
উত্তর : একটি বাক্যে দুইটি অংশ থাকে; যথা : উদ্দেশ্য ও বিধেয়।
ট. ‘শিরচ্ছেদ’-এর শুদ্ধরূপ লেখ।
উত্তর : শিরñেদ।
ঠ. ষ-ত্ব বিধি কোন ধরনের শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
উত্তর : তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ষ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য।
ক. ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা বংশের কোন শাখাকে আর্য শাখা বলে?
উত্তর : শতম।
খ. আর্যদের প্রাচীনতম সাহিত্য সংকলন কোনটি?
উত্তর : বেদ।
গ. বর্ণ কাকে বলে?
উত্তর : ধ্বনির লিখিত রূপকে বর্ণ বলে।
ঘ. তালব্য ধ্বনি কোনগুলো?
উত্তর : তালব্য ধ্বনি : চ, ছ, জ, ঝ, ঞ।
ঙ. পরিভাষা কী?
উত্তর : অন্য ভাষার শব্দকে নিজ ভাষায় রূপান্তরিত করার পরও অন্য ভাষার শব্দটির প্রচলন বহুল হলে এ ধরনের ভাষাকে পরিভাষা বলে।
চ. সন্ধি কাকে বলে?
উত্তর : পরস্পর সম্পর্কযুক্ত পাশাপাশি দুই বর্ণের মিলনকে সন্ধি বলে।
ছ. ‘বাঙলা ভাষার ইতিবৃত্ত’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
উত্তর : ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ।
জ. ‘কৃষ্ণ’ শব্দটি ভেঙ্গে দেখাও।
উত্তর : কষ্ণ = কৃষ্ + ন (নক)।
ঝ. ‘কর্ণ’ শব্দটি কি নিয়মে গঠিত হয়েছে?
উত্তর : ‘কর্ণ শব্দটি ণ-ত্ব বিধানের নিয়মে গঠিত হয়েছে।
ঞ. বাংলা গদ্যে বিরাম চিহ্নের সার্থক ব্যবহার কে প্রথম করেন?
উত্তর : ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
ট. সম্বোধন পদ বাক্যের কোথায় বসে?
উত্তর : সম্বোধন পদ বাক্যের প্রথমে বসে।
ঠ. প্রতিবর্ণীকরণ কী?
উত্তর : বিদেশি শব্দকে বাংলা লিপিতে লেখাকে প্রতিবর্ণীকরণ বলে।
প্রফেসর মো: আখাতার হোসেন, বাংলা বিভাগ,
এতো সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার জন্য,
ধন্যবাদ, স্যার!
অসাধারণ
ধন্যবাদ