বিষাদসিন্ধুর তথ্য-কণিকা: বাংলা অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য বিষাদসিন্ধু উপন্যাসের বিগত কয়েক বছরের কুইজ

বিষাদসিন্ধুর তথ্য-কণিকা অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নাবলি

১. বিষাদসিন্ধুর পর্ব কয়টি? তিনটি পর্ব। মহরম পর্ব, উদ্ধার পর্ব এবং এজিদ বহু পর্ব।

২. প্রবাহ কতটি? উপক্রমণিকা ও উপসংহারসহ ৬৩টি প্রবাহ। মহররম পর্বে-উপক্রমণিকা ও ২৬টি প্রবাহ, উদ্ধার পর্বে ৩০টি, এজিদ বধ পর্বে উপসংহার সহ ৫টি।

৩. রচনাকাল কত? ১৮৮৫-১৮৯১। মহররম পর্ব ১৮৮৫, উদ্ধার পর্ব ১৮৮৭ এজিদ বধ ১৮৯১।

৪. মীর মশাররফ হোসেনের জন্ম-মৃত্যু সাল?   ১৮৪৭-১৯১১ সাল।

৫. কোন ধরনের গ্রন্থ?

ইতিহাস, উপন্যাস, নাটক, কাব্য ইত্যাদি সাহিত্যের বিবিধ সংমিশ্রণের রোমান্টিক আবেগ মাখানো এক সংকর সৃষ্টি। প্রথম দিকে ঘটনা বিন্যাসে ইতিহাসের ঐক্য থাকলেও পরের দিকে ব্যাপক কল্পনার প্রভাব।

৬. বিষাদসিন্ধুর উপর কোন কোন গ্রন্থের প্রভাব রয়েছে?

জঙ্গনামা, মুক্তাল হোসেন, শহীদে কারবালা।

৭. বিষাদসিন্ধুর প্রধান ঘটনা কী?

ইমাম হাসান-হোসেনের সাথে দামেস্ক অধিপতি এজিদের বিরোধ

৮. বিরোধের ঐতিহাসিক কারণ কী?

রাজক্ষমতার দ্বন্দ্ব। কিন্তু উপন্যাসে মূল দ্বন্দ্ব জয়নাব।

৯. দামেস্ক-অধিপতি মাবিয়ার পুত্র এজিদ কার প্রেমে বা রূপে মুগ্ধ হয়েছিল?

জয়নাবের।

১০. বিষ প্রয়োগে কে মারা গিয়েছিল? কে বিষ দিয়েছিল?

বিষাদসিন্ধুর তথ্য-কণিকা

ইমাম হাসান। হাসানের ২য় স্ত্রী জায়েদা

১১. কারবালার প্রান্তরে ইমাম হোসেনকে অন্যায় ভাবে কে হত্যা করেছিল?

এজিদের নির্দেশে সীমার

১২. জয়নবের প্রথম স্বামীর নাম কী?

আব্দুল জব্বার।

১৩. পরস্ত্রীর দিকে কুভাবে তাকানোর শাস্তি কী?

তার স্থান জাহান্নাম।

১৪. মাবিয়ার মহিষী অর্থাৎ এজিদ মাতা ছেলের বৌর জন্য কার সাথে যুক্তি করে?

মারওয়ান।

১৫. কাসেদ কী?

রাজ পত্রবাহক অথচ সভ্য, বিচক্ষণ মহামতি মুসলমান লেখককে কাসেদ বলে।

১৬. মারওয়ান আব্দুল জাববারের কাছে কী প্রস্তাব দিয়ে কাসেদ প্রেরণ করে?

সালেহার বিয়ের।

১৭. সালেহা কে?

এজিদের কথিত ভগিনী সালেহা।

১৮. জয়নাবের কাছে সুখের অভিমত কী?

মনের সুখই যথার্থ সুখ।

১৯. মাবিয়ার প্রধান উজিরের নাম কী?

এজিদের প্রিয়পাত্র মারওয়ান।

২০. মারিয়ার প্রধানমন্ত্রীর নাম কী?

হামান।

বিষাদসিন্ধুর তথ্য-কণিকা

২১. আব্দুল জব্বার কেমন লোক?

সুখবিলাসী ও লোভী।’

২২. পরের ধন,রূপ দেখে নিজের অদৃষ্টকে ধিক্কার দিত কে?

আব্দুল জাব্বার। এ বিষয়ে কার অপছন্দ-জয়নাবের।

২৩. সালেহা ও আব্দুল জাব্বারের বিয়ের সাক্ষী কে কে?

মারওয়ান ও আব্দুল জাব্বার।

২৪. হাসান-হোসেনের জননী ফাতেমার বিয়ের দেনমোহর কত?

 চার টাকা চার আনা।

২৫. জয়নাবের আশার তরী বিষাদসিন্ধুতে ডুবে গেল কখন?

আব্দুল জাব্বারের সাথে সালেহার বিয়ের পর।

২৬. হযরত মুহাম্মদ (স) এর দৌহিত্রদ্বয় হাসান-হোসেন তাঁর কাছে কী রঙের কাপড় চেয়েছিল? ইমাম হাসান সবুজ কাপড় প্রার্থনা করে, ইমাম হোসেন লাল রঙের কাপড় প্রার্থনা করেছিল।

বিষাদসিন্ধুর তথ্য-কণিকা

২৭. জয়নাবকে তালাক দেওয়ার পর সালেহা কী বলেছিল?

অর্থলোভী নরপিশাচের পাণিগ্রহণ করিতে সালেহা বিবি সম্মত নহেন।’

‘এমন বিশ্বাসঘাতক, স্ত্রীবিনাশক,

২৮. জয়নাবকে তালাক দেওয়ার পর আব্দুল জাব্বার কী করল?

ফকির বেশে বনে বনে নগরে নগরে ঘুরে বেড়াতে লাগলেন।

২৯. আব্দুল জাব্বারের আত্মীয় ও ব্যবসায় সাহায্যকারী কে?

ওসমান।

৩০. মোসলেম কে?

ইমাম হাসানের বাল্যবন্ধু, এজিদ এর বিয়ের পয়গাম নিয়ে জয়নাবের কবনে গিয়েছিল। সে এজিদ ছাড়া ইমাম হাসান ও আক্কাসের প্রস্তাব নিয়েও গিয়েছিল। সবশেষে প্রস্তাব দেয় ইমাম হাসান।

৩১. এদ্দৎ কী? কতদিন?

শাস্ত্রসম্মত বৈধব্যব্রত। নারী জাতির বৈধব্যব্রত চার মাস দশ দিন।

৩২. জয়নাব কার প্রস্তাব মেনে নেয়? কেন?

মদিনার সিংহাসনে উপবেশনকারী, যার পদাশ্রয়ে থাকলে পরকালে মুক্তি মেলে, যার এক সন্ধ্যা আহারের সংস্থান ছিল না, সেই হাসানের প্রস্তাব মেনে নেয়।

৩৩. হোসেনের শ্বেত বর্ণের অশ্ব দুলদুল কার পশ্চাতে ছুটল?

সীমারের পশ্চাতে।

বিষাদসিন্ধুর তথ্য-কণিকা

৩৪. হোসেনকে শর নিক্ষেপ করে কে?

আবদুল্লাহ জেয়াদ।

৩৫. ইমাম হাসানের স্ত্রীদের নাম কী?

১ম স্ত্রী হাসনেবানু, ২য় স্ত্রী জায়েদা, ৩য় স্ত্রী জয়নাব। হাসনেবানুর সন্তান আবুল কাশেম। জায়েদার দুই চোখের বিষ জয়নাব। তিন স্ত্রীদের মধ্যে হাসনেবানুকে হাসান সবচেয়ে বেশি মান্য করতেন।

৩৬. সখিনার সাথে কার বিয়ে হয়?

ইমাম হাসানের পুত্র আবুল কাশেমের, কারবালা প্রান্তরে। কাশেমের মৃত্যু হয়। হাসনেবানু আবুল কাশেমের দেহ বুকে ধারণ করে আগুনে আহুতি দিচ্ছিল।

৩৭. মাবিয়া মৃত্যুর আগে দামেস্কের সিংহাসন কার হাতে দিতে চেয়েছিলেন?

হাসান ও হোসেনের হাতে। এজন্য তিনি দুই বার কাসেদও প্রেরণ করেছিলেন। ২য় বার কাসেদ

পাঠিয়েছিলেন মোসলেমকে। কিন্তু মদিনা যাওয়ার পথে মোসলেমকে এজিদসহ চার জন অস্ত্রধারী পথ রোধ করে। মোসলেমকে বন্দী করে রাখে। মহরমপর্বে ৯ম প্রবাহে মাবিয়ার মৃত্যু।

৩৮. বৃদ্ধ ফকিরবেশে যে লোকটি হাসানের কাছে আসে তার নাম আব্দুল জাব্বার।

৩৯. কাসেদ মোসলেমের কী পরিণতি হয়েছিল?

এজিদ মোসলেমের বিরুদ্ধে রাজদ্রোহিতার  অভিযোগ আনে। তথাকথিক বিচারে মৃত্যুদণ্ড দেয় এজিদ ।

৪০. আবদুর রহমান এজিদকে কী বলে অভিহিত করেছিল?

কালসর্প।

বিষাদসিন্ধুর তথ্য-কণিকা আরও বিস্তারিত জানতে ক্লিক কর

৪১. এজিদ হোসেনের মাথার জন্য কত টাকা পুরস্কার ঘোষণা করে?

এক লক্ষ টাকা।

৪২. এজিদের সেনাধ্যক্ষের নাম কী?

অলীদ।

৪৩. বাগে এরামের অর্থ কী? স্ব

র্গীয় উপবন।

৪৪. ইমাম হাসানের সাথে প্রথম যুদ্ধের ফলাফল কী?

মারওয়ান পরাজিত হয়। এমরানকে এজিদের কাছে পুনরায় সৈন্য সংগ্রহের জন্য পাঠায়।

৪৫. হোসেনের স্ত্রীর নাম? কন্যার নাম? কার সাথে বিবাহ হয়? কার ইচ্ছানুসারে?

সাহরেবানু। কন্যার নাম সখিনা। আবুল কাসেমের সাথে। ইমাম হাসানের।

৪৬. পরাজয়ের পর মারওয়ান প্রতিশোধ নিতে কী করে?

হাসানকে মারার জন্য মায়মুনার সাথে চুক্তি করে। ইমাম বংশ ধ্বংসের জন্য গোপনে ছদ্মবেশে মদিনায় অবস্থান করে। বিনিময়ে মায়মুনাকে সহস্র সুবর্ণ মোহর দিতে চেয়েছিল। তারা কথোপকথনের সময় স্বপত্রীবাদকে গুরুত্ব দেয়।

৪৭. মায়মুনা ও মারওয়ান কোন বিষয়ের উপর গুরুত্ব দেয়?

স্বপত্নীবাদ।

৪৮. স্বপত্নীবাদ না আছে এমন স্ত্রী জগতে জন্মে নাই। উক্তিটি কার?

মায়মুনার।

৪৯. পাপশূন্য দেহ নাই লোকশূন্য জগগৎ নাই। উক্তিটি কার?

মায়মুনার।

বিষাদসিন্ধুর তথ্য-কণিকা

৫০. মায়মুনার ষড়যন্ত্রমূলক কাজের বিবরণ সাও।

মায়মুনা প্রায়ই ইমাম হাসানের বাড়িতে যাতায়াত করতো। জায়েদার সাথে তার গনিষ্ট সম্পর্ক ছিল। হাসনেবানুকে দেখলেই মায়মুনা জড়োসড়ো হয়ে যেতো। স্বপত্নীর নিন্দাবাদ করে সে জায়েদার মন আকৃষ্ট করে। মায়মুনার মোহমন্ত্রে জায়েদা উন্মাদিনী হয়ে উঠে (স্বপত্নীবাদের জন্য জায়েদা হাসানকে হত্যায় রাজি হয়। মায়মুনা জায়েদাকে বিষের কৌটা দেয়।

৫১. জায়েদার বিষ প্রয়োগে হত্যার ঘটনা বুঝতে পেরে হাসান কী করে?

গৃহত্যাগের সিদ্ধান্ত নেয়। কারণ সে ভাবে, নিজ দেহই আমার যাতক। বাহিরের শত্রু হইতে রক্ষা পাওয়া বরং সহজ, কিন্তু ঘরের শত্রু হইতে রক্ষা পাওয়া দুষ্কর। নিজ দেহ বা ঘরের শত্রু হলো জায়েদা।

৫২. হাসান গৃহত্যাগ করে কোথায় যায়?

মুসাল নগরে।

৫৩. মুসাল নগরে হাসানের সাথে কে ছিল?

আব্বাস।

৫৪. মুসাল নগরে হাসানের সাথে শত্রুতা করে কে? তার প্রতিজ্ঞা কী ছিল? কৌশল হিসেবে কী করে?

এক চক্ষুবিহীন বৃদ্ধ। তার প্রতিজা ছিল মুহাম্মদের বংশের যাকে পাবেন তাকে মেরে ফেলবেন। সে হাসানের কাছে বায়েৎ হয়। অর্থাৎ মুসলমান ধর্মে দীক্ষিত হয়। ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে সে মুসলমান ধর্ম গ্রহণ করে। সে বর্শায় বিষ মাখিয়ে হাসানকে বিদ্ধ করে মারতে চেয়েছিলেন।

বিষাদসিন্ধুর তথ্য-কণিকা

৫৫. হাসান মুসাল নগর থেকে ফিরে এসে কোথায় ওঠে? কেন?

ভ্রাতা হোসেনের গৃহে। জায়েদাকে দেখে হাসান খুব ভয় পেত। তার হাত থেকে বাঁচতে।

৫৬. ইমাম হাসানের মৃত্যু তারিখ কত? কোন প্রবাহে মৃত্যু? কীভাবে মৃত্যু? বিষদাতাকে চিনতে পেরেও কী অঙ্গিকার করে?

হিজরি ৫০ সনের পহেলা রবিউল আওয়াল। মহরম পর্বের ষোড়শ প্রবাহে। হীরকচূর্ণ মেশানো জল পান করে। বিষদাতাকে চিনতে পারে, কিন্তু তাকে স্বর্গে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গিকার করে।

৫৭. ভ্রাতার মৃত্যু যন্ত্রণা দেখে হোসেন কী প্রতিজ্ঞা করে?

নাম জানতে চায়। আর বলে হয় আমার প্রাণ তাহাকে দিব, নয় তাহার প্রাণ আমি লইব।

৫৮. এজিদের দৃষ্টিতে নরসিংহ কারা?

ইমাম হাসান ও হোসেন।

৫৯. ইমাম হাসানের মৃত্যু সংবাদ শুনে এজিদ কী করে?

অকাতরে ধনভাণ্ডার খুলে দিল।

বিষাদসিন্ধুর তথ্য-কণিকা

৬০. জায়েদাকে কীভাবে পুরস্কৃত করা হয়?

এজিদ তরবারি দিয়ে জায়েদাকে মেরে ফেলে।

৬১. মায়মুনাকে কীভাবে পুরস্কৃত করা হয়?

মাটিতে অর্ধদেহ পুতে প্রস্তর নিক্ষেপে মেরে ফেলা হয়।

৬২. হোসেন সম্পর্কে কী ভবিষ্যৎ বাণী ছিল?

দান্তকারবালা নামক মহাপ্রান্তরে হোসেনের মৃত্যু হবে।

৬৩. ভ্রাতার মুত্যুর পর হোসেন কোথায় থাকতো? সেখানে তার সাথে ছদ্মবেশে কেকে দেখা করে?

পবিত্র রওজায়। মারওয়ান ও ওতবে অলীদ।

৬৪. কুফার অধিপতি কে? হোসেনের সাথে তার সম্পর্ক? সে কীভাবে ষড়যন্ত্র করে?

হোসেনের প্রকৃত বন্ধু ছিল। এজিদের পরামর্শে সে হোসেনকে কুফায় আমন্ত্রণ জানায়। আবদুল্লাহ জেয়াদ ছিল মুর্খ ও অর্থলোভী। সে প্রকাশ্যে বলে আজ হইতে জীবন, ধন, সমস্তই হোসেনের নামে উৎসর্গ করলাম। কিন্তু সে ষড়যন্ত্র করে।

৬৫. কী কী বিষয়ের প্রতি লোভ বড় ভয়ানক? প্র

ণয়, স্ত্রী, রাজ্য এবং ধন-সম্পতি।

৬৬. কার প্রণয়ে ও কার্যে বিশ্বাস নেই?     মুর্খের।

বিষাদসিন্ধুর তথ্য-কণিকা

৬৭. হোসেনকে কে কুফা যেতে নিষেধ করেছিলেন?

হযরত মুহাম্মদের স্ত্রী বিবি সালমা ও অন্যান্য আত্মীয়স্বজনেরা।

৬৮. আবদুল্লাহ জেয়াদের আতিথ্য পরীক্ষার জন্য কাকে কুফায় প্রেরণ করা হয়?

দ্বিতীয় মোসলেমকে।

৬৯. দ্বিতীয় মোসলেম কাকে নিয়ে কুফায় যায়?

দুই পুত্র ও এক হাজার সৈন্য নিয়ে।

৭০. ইমাম হোসেন কতজন লোক নিয়ে কুফায় গমন করেন এবং কোথায় যান?

ছয় হাজার লোক সহগামী হয়েছিল হোসেন ও তারা ভুল করে কারবালায় চলে যায়।

৭১. এজিদ হোসেনের বিরুদ্ধে কাকে প্রধান সেনাধ্যক্ষ পদে নিযুক্ত করে?

আবদুল্লাহ ও সীমারকে।

বিষাদসিন্ধুর তথ্য-কণিকা-কুইজ

৭২. বিষাদসিন্ধুর হিন্দি অনুন অনুবাদক কে?

দেবী প্রসাদ বাজপেয়ী।

৭৩, বিষাদসিন্ধুর জনপ্রিয়তার কারণ কী?

মুসলমানদের স্পর্শকাতর কাহিনী ও লেখকের রচনাগুণ।

বিষাদসিন্ধুর তথ্য-কণিকা

৭৪. মাবিয়ার দেহে বিষ কীভাবে প্রবেশ করে?

কুলুপ নেওয়ার সময়। নিরাময়ের উপায় বিবাহ।

৭৫. মাবিয়া কাকে বিয়ে করে? কেন? সন্তান মারতে পারে নি কেন? প্রতিকারের জন্য কী করে? অশীতিবর্ষীয়া নারীকে। যাতে সন্তান না হয়। সন্তান বাৎসল্যে। তিনি মদিনা ছেড়ে দামেস্কে যান

৭৬. হযরত আলী (রাঃ) ও বিবি ফাতেমা করে মারা যান?

 হিজরি সালের রমজান মাসে হযরত আলী এবং হিজরি সনে বিবি ফাতিমা। হযরত আলীর পর মদিনার সিংহাসনে বসেন হাসান।

৭৭. মাবিয়া হযরত আলী সম্পর্কে এজিদকে কী বলেছিল?

দামেস্কের মালিকানা স্বত্ব হযরত আলীর। মাবিয়াকে তিনি ভোগ করতে দিয়েছিলেন। তিনি হাসানকে মান্য করতে বলেছিলেন।

৭৮. হাসানকে মান্য করার কথা বলা হলে এজিদ কী বলেছিল?

মান্য করা দূরে থাক জয়নাব লাভের প্রতিশোধ এবং সমুচিত শাস্তি সে হাসানকে দেবে।

বিষাদসিন্ধুর তথ্য-কণিকা

৭৯. আমার সম্মুখ হইতে দূর হ। তোর ও পাপ মুখ আমি আর এ চক্ষে দেখিব না। কে কাকে বলেছিল?

মাবিয়া এজিদকে বলেছিল।

৮০. হাসানের কাছে পাঠানো মাবিয়ার প্রথম কাসেদকে কে মেরেছিল?

এজিদ কাসেদকে মেরে হাসানকে দেওয়া মাবিয়ার পত্র নিয়ে যায়। এ খবর হাসানের কাছে ছদ্মবেশে আবদুল জব্বার দেয়

৮১. কাসেদ মোসলেমের কী দশা হয়?

এজিদের হাতে বন্দি হয়। এজিদ সিংহাসনে বসে প্রকাশ্য দরবারে মোসলেমের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে।

৮২. সিংহাসনের বসে এজিদ কী প্রতিজ্ঞা করে?

হাসানহোসেনের বংশ নিপাত না করে এজিদ জগৎ পরিত্যাগ করবে না।

৮৩. এজিদ হাসান হোসেনের কাছে পাঠানো পত্রে কী লেখে?

হাসান-হোসেন যেন দামেস্ক এসে এজিদের বশ্যতা স্বীকার করে, তাকে খাজনা পাঠায় এবং এজিদের নামে খুৎবা পাঠ করে।

৮৪. হাসান-হোসেন কোনো সংকটে পড়লে কোথায় বসে পরামর্শ করতো?

 রওজা শরীফে বসে।

৮৫. এজিদের পত্র সম্পর্কে কে কে মন্তব্য করে?

আব্দুর রহমানের পরামর্শ হলো পত্রসহ কাসেদকে তাড়িয়ে দেওয়া। হাসানের অভিমত হলো পত্রের কোনো উত্তর দেওয়ার দরকার নেই। দেখা যাক এজিদ কী পথ অবলম্বন করে। হোসেন এজিদের পত্র শতছিন্ন করে কাসেদের হাতে দেয়, যেন তা এজিদকে ফেরত দেয়।

৮৬. মদিনাবাসীদের সাথে যুদ্ধে হেরে মারওয়ান কী করে?

এজিদের শেষ কথা অনুযায়ী অলিদকে নিয়ে ছদ্মবেশে মদিনায় বাস করে। আর তার সঙ্গীরা পর্বতগুহায় মারওয়ানের নির্দেশের জন্য অপেক্ষা করে।

৮৭. ঋণের শেষ, অগ্নির শেষ ব্যাধির শেষ ও শত্রুর শেষ থাকলে কী হয়?

ভবিষ্যতে মহাবিপদ।

৮৮. মায়মুনাকে সকলে বৃদ্ধ বলে কেন?

তার মাতার চুল সব পাকা, তাই বৃদ্ধ না হলেও বৃদ্ধ বলে।

৮৯. মায়মুনার সাথে জায়েদার বিশেষ সম্পর্কের কারণ কী?

জায়েদা মায়মুনার সাহায্যে স্বামীকে ওষুধের দ্বারা বশ করতে চেয়েছিল।

৯০. মায়মুনা হাসানকে হত্যার কথা বললে জায়েদা প্রথমে কী বলেছিল?

শেষের কথাটি জাএদার প্রাণ থাকিতে হইবে না।

১১. এ সংসারে আমার কেহ নাই আমিও কাহারো নই। কথাটি কার?

জাএদার

কখন বলে?

মারমুনার কথায় অনুপ্রাণিত হয়ে।

১২. মায়মুনা জারদার হাতে কী দেয়?

নিখুঁত নির্মিত একটি ক্ষুদ্র পাত্র, এর মধ্যে ছিল কৌটা, তার মধ্যে ছিল বিষ।

৯৩. জায়েদা প্রথমে কিসের সাথে বিষ মিশিয়ে দেয়?

 মধুর সাথে বিষ মিশিয়ে দেয়। দ্বিতীয় বার দেও খেজুরের সাথে। হাসান বিষ মিশ্রিত সাতটি খেজুর খায়। হাসান জানতে পারলেও কাউকে বলে না। গৃহত্যাগ করে আব্বাস ও কতিপয় এয়ার নিয়ে মুসাল নগরে চলে যায়।

১০. এখন দেখি জগৎময় আমার শত্রু কে কাকে কখন বলেছিল?

হাসান, আব্বাসকে বলেছিল। জায়েদার ভয়ে মুখাল নগরে এসে এক চক্ষু বৃদ্ধের বিষ মাখানো বর্শাঘাতের পর।

৯৫. ঘুসাল নগর থেকে ফিরে হাসান কোথায় ওঠে?

বর্শাহত হওয়ার পর হাসান প্রিয় নবী (স) এর রওজায় আশ্রয় নেয়। পরে হোসেন তার ঘরে নিয়ে আসে।

৯৬ হাসানকে রক্ষায় কী সতর্কতা অবলম্বন করা হয়?

হাসনেবাণু সতর্ক হয়। খাবার হাসনেবানু আগে খেয়ে হাসানকে দেয়। পানির সুরাহী সিলমোহরে বন্ধ করে দেয়। অন্য কাউকে হাসানের ঘরে প্রবেশ করতে দেয় না।

৯৭। জয়নাবের পাণিপ্রার্থীদের নাম লেখ।উত্তর: জয়নবের পাণিপ্রার্থীরা হচ্ছেন- এজিদ, আব্বাস ও হযরত হাসান (রা)।

বিষাদসিন্ধু

উত্তর: বেণী প্রসাদ বাজপেয়ী। [জা. বি. ২০১২]

যাতে সন্তান না হয়।

 উত্তর: ‘বিষাদ সিন্ধু’ উপন্যাসের জয়নাব প্রথমে ছিলেন আবদুল জব্বারের স্ত্রী, অতঃপর হযরত হাসান (রা)-এর কনিষ্ঠ স্ত্রী হন।

উত্তর: মোসলেম।

উত্তর: এজিদের রূপজ মোহজাত প্রত্যাশাপূরণের সহায়ক ও পরামর্শদাতা মারওয়ান। সে এজিদের বিশ্বস্ত এবং দক্ষিণহস্তস্বরূপ ছিল।

উত্তর: হাসান (রা)-এর দ্বিতীয় স্ত্রী জাএদা।

উত্তর: সাতটি।

উত্তর: হিজরি ৫০ সনের ১লা রবিউল আউয়াল।

উত্তর: ইমাম হাসান (রা)-এর ঘরে রাখা সুরাহীর মুখের কাপড়ের ওপর হাসান (রা)-এর দ্বিতীয় স্ত্রী জাএদা হীরকচূর্ণ ঢেলে দেয়। ‘সুরাহীর বিষমিশ্রিত পানি পান করে হাসান (রা)-এর মৃত্যু হয়।

উত্তর: মায়মুনা।

উত্তর: প্রতিশ্রুত এজিদ জাএদাকে তার বামে বসতে দিয়ে স্বামীহন্ডা জাএদাকে স্বহস্তে দ্বিখণ্ডিত করে।

উত্তর: রাজ পত্রবাহক (বার্তাবাহক) অথচ সভ্য, বিচক্ষণ, সুগম্ভীর, সত্যবাদী, মিষ্টভাষী ও সুশ্রী।

উত্তর: কাসেম। যিনি হযরত হাসান (রা)-এর পুত্র।

উত্তর: হোসেন (রা)-এর কনিষ্ঠ পুত্র।

                 উত্তর: আবদুর রহমান।

উত্তর: মোহাম্মদ হানিফা কর্তৃক জয়নাল আবেদিনের উদ্ধারের কাহিনি।

উত্তর: শাহরেবানু।

উত্তর: তৃষ্ণার্ত হোসেন (রা)-এর পরিবারকে বাঁচাতে আব্দুল ওহাব ৭০ জন এজিদ সৈন্যকে মারার পর তৃষ্ণার জলের জন্য  তাঁবুতে ফিরে এলে তার মা এ কথা বলেছিলেন।

উত্তর: পঞ্চদশ রথী মিলে ব্যাণাঘাতে সীমারকে মারা হলো।

উত্তর: মাবিয়ার মন্ত্রী হামান।

উত্তর: মোহাম্মদ হানিফা।

উত্তর: স্বামীর মৃত্যুর পর চার মাস দশ দিন যাবৎ যে বৈধব্যব্রত, তাকে এদ্দৎ বলে।

উত্তর: ‘বিষাদ সিন্ধু’ ১৮৯১ সালে প্রকাশ পায়।

উত্তর: ইতিহাসমিশ্রিত রোমান্সধর্মী উপন্যাস।

উত্তর: হযরত মুহম্মদ (স)-এর একনিষ্ঠ ভক্ত ছিলেন।

উত্তর: আবদুল জববার।

উত্তর: মীর মশাররফ হোসেনের ‘বিষাদ সিন্ধু’ উপন্যাসে এজিদপক্ষীয় নৃশংস, অর্থলোভী, হৃদয়হীন চরিত্র সীমার। সে হযরত হোসেন (রা)-এর হত্যাকারী এবং মস্তক বিচ্ছিন্নকারী। সে এজিদের সৈন্যবাহিনীর প্রধান।

উত্তর: পাষণ্ড সীমারকে।

উত্তর: ওমর আলী।

উত্তর: বিষাদ রূপ নিছু = বিষাদ সিন্ধু, অর্থাৎ সাগরের ন্যায় গভীর (অতল) বিষাদ বা দুঃখ-বেদনা।

উত্তর: এখনই সখিনাকে বিবাহ করো।

উত্তর: নবীর প্রিয় দৌহিত্র হয়ে হোসেন (রা) কথা দেয়- বিনা বিচারে সীমারকে হোসেন বেহেশতে নেবার ব্যবস্থা করবে।

উত্তর: ১৮৮৫-১৮৯১। মহরম পর্ব (১৮৮৫), উদ্ধার পর্ব (১৮৮৭), এজিদবধ পর্ব (১৮৯১)

উত্তর: জয়নবের পাণিপ্রার্থীরা হচ্ছেন- এজিদ, আব্বাস ও হযরত হাসান (রা)।

উত্তর: হাসান (রা)-এর তিন স্ত্রী। প্রথমা হাসনে বানু, দ্বিতীয়া জাএদা ও তৃতীয়া জয়নাব।

উত্তর: কারবালার পশ্চিমে অবস্থিত ফোরাত একটি নদী। ফোরাতের জল দক্ষিণে কুলকুল রবে প্রবাহিত হয়। ফোরাতের অল নির্মল ও স্বচ্ছ। হোসেন (রা)-কে বধার্থে এবং ইমাম বংশ যাতে তৃষ্ণায় মারা যায়, সেজন্য এজিদের সৈন্য ফোরাতের পাড়ে পাহারায় ছিল। জল তৃষ্ণায় হোসেনপক্ষীয় অনেকেই মারা যায়।

উত্তর: হোসেন (রা)-এর মাতার সহোদরা ভগ্নি, অর্থাৎ হোসেন (রা)-এর খালা।

প্রফেসর মো: আখতার হোসেন, বাংলা বিভাগ, সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজ যশোর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *