ইতিহাস নির্ভর সাহিত্যের পর্যায়ভাগ ও যৌক্তিকতার মূল্যায়ন
প্রফেসর মো: আখতার হোসেন, বাংলা বিভাগ, সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজ, যশোর।
বাংলা সাহিত্যের যুগবিভাগ:
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস নির্ধারণে যুগবিভাগ একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। যুক্তিসম্মত যুগবিভাগ সাহিত্যের বিকাশধারা, রচনাশৈলী, ভাষারূপ ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।
হাজার বছর ধরে পথ পাড়ি দিয়ে নানা চড়াই-উৎরাই পার হয়ে নানা মনীষীর মনের ভাব ও যুগের নানা প্রভাব বক্ষে ধারণ করে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য আমাদের দুয়ারে এসে আসন পেতেছে। এ বিশাল কালকে আলোচনার সুবিধার্থে পন্ডিতেরা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে তাঁদের মনন ও মেধার আলোকে কয়েকটি যুগে ভাগ করেছেন, পৃথিবীর কোন সাহিত্যেরই দেয়ালতোলা যুগ-বিভাগ সম্ভব নয়, স্বাভাবিকও নয়, এমনকি বঞ্চিতও নয়। বাংলা সাহিত্যের পথের নিশানা স্পষ্ট নয় তাছাড়াও উপকরণগুলো কালের বিবর্তনে পোকা মাকড়ের দাঁতের আক্রমণে ক্ষত-বিক্ষত। তাই বাংলা সাহিত্যের যুগবিভাগ নানা মুনির নানা মতের ভারে আক্রান্ত।
মানুষের মুখের বুলিই ধীরে ধীরে লিখিত ভাষায় রূপান্তরিত হয়ে সাহিত্যের জন্ম হয়। সাহিত্যের লিখিত নিদর্শন দিয়েই সাহিত্যের যুগবিভাগ করা হয়ে থাকে। বাংলা ভাষার প্রাচীন নিদর্শন ধরেই বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের যুগবিভাগ করার চেষ্টা করব।
বাংলা সাহিত্যের যুগবিভাগ: প্রেক্ষাপট
ভাষা সাহিত্যের জন্মলগ্ন কিংবা বিবর্তন রূপান্তর দিন-সন দিয়ে চিহ্নিত করা যায় না। অনুমান ও লক্ষণ দেখে কখনো আঙ্গিকগত, কখনো বা মর্মগত দিক থেকে যুগবিভাগ করা হয়। তবে অনেক সময় দেখা যায় স্থান-কাল-প্রতিবেশ, এক থাকা সত্ত্বেও সামাজিক, আর্থিক, শৈক্ষিক, নৈতিক অবস্থানের পার্থক্য হেতু মানুষের ভাব-চিন্তা-কর্ম ও আচরণ বিচিত্র হতে পারে। কাজেই কোনযুগই একক-লক্ষণ-মর্মে-আঙ্গিকে চিহ্নিত হতে পারে না।
বাংলা ভাষা কোন মুহূর্ত থেকে অপভ্রংশের খোলোস ছেড়ে স্বরূপে প্রকাশ পেয়েছে তা সঠিকভাবে নির্ণয় নিয়ে বিতর্ক থাকলেও বাংলা ভাষার প্রাচীন নিদর্শন হিসেবে চর্যাপদকে সবাই স্বীকার করেছেন। তবে চর্যাপদের রচনাকাল নিয়ে পন্ডিতদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তাহলে ধরে নেওয়া যেতে পারে চর্যাপদ থেকেই বাংলা ভাষার সাহিত্যের ইতিহাসের শুরু।
চর্যার শুরু নিয়ে মতভেদ থাকলেও চর্যার রচনাকালের শেষ সীমানা যে ১২০০ খ্রিঃ এ নিয়ে কারো মতভেদ নেই। চর্যাপদকে প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রামাণ্য নিদর্শন হিসেবে প্রাচীন যুগের সীমানা নির্ধারিত হয়েছে ১২০০ খ্রিঃ। ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ মনে করেন চর্যার রচনাকাল ৬৫০-১২০০ খ্রিঃ আর ডঃ সুনীতিকুমার মনে করেন ৯৫০-১২০০ খ্রিঃ।
ফলে চর্যার অর্থাৎ প্রাচীন যুগের শুরু নিয়ে মতভেদ রয়েছে।
বাংলা সাহিত্যের যুগবিভাগ: পণ্ডিতদের মতামত
বাংলা সাহিত্যের যুগবিভাগ নিয়ে বিশিষ্ট গবেষকদের মতামত উল্লেখ করা হলো–
প্রখ্যাত গবেষক ডঃ দীনেশচন্দ্র ‘বঙ্গভাষা ও সাহিত্য’ গ্রন্থে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের পাঁচটি যুগবিভাগের কথা উল্লেখ করেছেন।
হিন্দু বৌদ্ধযুগ (৮০০-১২০০) গৌড়ীয় যুগ বা চৈতন্য পূর্ব যুগ (১২০১-১৫০০), শ্রীচৈতন্য সাহিত্য বা নবদ্বীপের প্রথম যুগ (১৫০১-১৬০০), সংস্কার যুগ (১৬০১-১৭০০), নবযুগের দ্বিতীয় যুগ (১৭০১-১৭৬০)। তিনি ধর্ম ও ব্যক্তি নির্ভরযুগ বিভাগ করেছেন। এটা বিজ্ঞান ভিত্তিক বলে মেনে নেয়া যায় না, তাছাড়া তিনি প্রাচীন ও মধ্যযুগকে কয়েকটি খন্ডে ভাগ করেছেন মাত্র।
বাংলা সাহিত্যের যুগবিভাগ:
ডঃ সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে যুগ বিভাগ এরকম প্রাচীন বা মুসলমান পূর্ব যুগ (৯৫০-১২০০), তুর্কি বিজয়ের যুগ (১২০১-১৩০০), আদি মধ্য বা প্রাক চৈতন্য যুগ (১৩০১-১৫০০ খ্রিঃ), অন্ত্যমধ্যযুগ (চৈতন্যযুগ ১৫০১-১৭০০ খ্রিঃ, নবাবী আমল ১৭০১-১৮০০), আধুনিক বা ইংরেজি যুগ (১৮০১-বর্তমান) পর্যন্ত। এখানে ও শাসক ও ব্যক্তি নির্ভর যুগ বিভাগ। তবে তিনি ভাষার বিবর্তনমূলক মতবাদের উপর শুরুত্ব দিয়েছেন বেশি। তার নবাবী আমল এবং ইংরেজি যুগ এভাবে বলাটা ও যুক্তিযুক্ত নয়।
গোপাল হালদার মধ্যযুগকে তিন পর্বে ভাগ করেছেন। প্রাকচৈতন্য পর্ব (১২০০-১৫০০), চৈতন্য পর্ব (১৫০১-১৭০০), নবাবী আমল (১৭০১-১৮০০)।
বাংলা সাহিত্যের যুগবিভাগ:

ডঃ অসিতকুমার চৈতন্যদেবের আবির্ভাবকে কেন্দ্র করে যুগ বিভাগ করেছেন, যেমন-
১) প্রথম পর্বঃ প্রাক চৈতন্য যুগ (চর্তুদশ শতাব্দি)।
২) দ্বিতীয় পর্বঃ চৈতন্য যুগ (ষোড়শ শতাব্দি)।
৩) তৃতীয় পর্বঃ চৈতন্য উত্তরযুগ (সপ্তদশ শতাব্দি)।
৪) চতুর্থ পর্বঃ (অষ্টাদশ শতাব্দি)।
এর কিছুটা ব্যক্তি কেন্দ্রিক, আর বাকীটা কালকেন্দ্রিক।
ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ প্রাচীন যুগ (৬৫০-১২০০) আধুনিক যুগ (১৮০০-বর্তমান) ঠিক রেখে মধ্যযুগকে শাসক শ্রেণীর রাজত্বকাল ধরে দুটো ভাগে ভাগ করেছেন। যেমন- পাঠান আমল (১২০১-১৫৭৬), মোঘল আমল (১৫৭৭-১৮০০ খ্রিঃ)।
ডঃএনামুল হক ও মধ্যযুগকে শাসক শ্রেণীর অনুসারে তুর্কীযুগ (১২০১-১৩৫০), সুলতানী যুগ (১৩৫১-১৫৭৫ খ্রিঃ) ও মোগলাই যুগ (১৫৭৬-১৭৫৭)- এ তিন ভাগে ভাগ করেছেন।
বাংলা সাহিত্যের যুগবিভাগ: ড. আহমদ শরীফ
‘সফল লক্ষণের ভিত্তিতে অর্থাৎ বিষয় ও লক্ষ্য বিচারে বাংলা সাহিত্যের একটা কাজ চালানো গোছের যুগ ও যুগান্তর দেখানোর চেষ্টা’ করেছেন ডঃ আহমদ শরীফ। তাঁর মতে, যুগবিভাগ হলোঃ
১) প্রাচীন যুগ (মৌর্য-গুপ্ত-পাল-সেন শাসনকাল)
২) আদি মধ্যযুগ (তুর্কি আফগান-মোগল শাসনকাল)
৩) মধ্যযুগ (পনের-আঠার শতক)।
৪) আধুনিক যুগ-ব্রিটিশ আমল।
৫) বর্তমান কাল-স্বাধীনতাউত্তর-কাল।
বিষয় ও আঙ্গিকের বিকাশ ও উৎকর্ষ ও অপকর্ষের দিক থেকে ডঃ ওয়াকিল আহমেদের যুগ বিভাগ হলো-
১) উন্মেষের যুগ (আট-বার শতক) আদি মধ্যযুগ।
২) শূন্যতার যুগ (তের-চৌদ্দ শতক) মধ্য মধ্যযুগ।
৩) বিকাশের যুগ (পনের শতক) মধ্য মধ্যযুগ।
৪) সমৃদ্ধির যুগ (ষোল-সতের শতক) মধ্য মধ্যযুগ।
৫) অবক্ষয়ের যুগ (আঠার শতক) অন্ত্যমধ্যযুগ।
এটাও পূর্ণাঙ্গ নয়। কেননা মধ্যযুগকেই কয়েকটি খন্ডে বিভাজন করা হয়েছেন।

বাংলা সাহিত্যের যুগবিভাগ:
সব পন্ডিতদের মতামত লক্ষ্য করলে দেখা যায় প্রাচীন ও আধুনিক যুগ সম্পর্কে প্রায় সবাই কাছাকাছি। মধ্যযুগ নিয়েই নানা মত। তবে মত পার্থক্য অনেকটা কম থাকে যদি মধ্যযুগকে আদি মধ্যযুগ (১২০০-১৫০০) এবং অন্ত্যমধ্যযুগ (১৫০১-১৮০০ খ্রিঃ)-এ দু’ভাগে ভাগ করা যায়।
ভাষা ও সাহিত্য প্রবহমান নদীর মত। যুগের বা ব্যক্তির প্রভাবে তা কখনো কখনো বাঁক নেয়। নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণে জাতির মনে মত-আচার-কৃষ্টি জীবনে অভিঘাত আসে। মানস ও ব্যবহারিক জীবনে পরিবর্তন ঘটে। সাহিত্যে তার প্রতিফলন ঘটে। ঘটে যায় যুগান্তর।
ইংরেজ আগমনে যেমন বাংলা ভাষা-সাহিত্য ও জীবনে যে পরিবর্তন সূচিত হয় তা থেকেই আধুনিকতার উন্মেষ ধরে নেয়া হয়। তেমনি তুর্কি আগমনের ফলেও এ দেশের মনন ও সমাজ জীবনে এবং সাহিত্যে যুগান্তর ঘটে। তাই তুর্কি বিজয়কে আমরা যুগ বিভাগের কারণ হিসেবে ধরে নিতে পাির। প্রাচীন যুগের সমাপ্তি আমরা তুর্কি বিজয় দিয়ে ঘোষণা করলাম।
সাহিত্যের যুগবিভাগ ধর্মীয় শাসক, ব্যক্তি দিয়ে নামকরণ যুক্তিযুক্ত নয়। বাংলা সাহিত্যের পঠন-পাঠনে এর যুগবিভাগ হওয়া উচিত কালগত ও বিষয়গত। সে প্রেক্ষিতে প্রাচীন, মধ্য ও আধুনিক এ তিন ভাগে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে ভাগ করতে পারি। মধ্যযুগের ব্যাপক পরিধির দিকে লক্ষ্য রেখে একে আদিমধ্যযুগ ও অন্ত্যমধ্যযুগ এভাবে ভাগ করে নিতে পারি। তাহলে বলা যায়-
১) প্রাচীন যুগ (৬৫০-১২০০) খ্রিষ্টাব্দ।
২) আদি মধ্যযুগ (১২০১-১৫০০) খ্রিষ্টাব্দ।
৩) অন্ত্যমধ্যযুগ (১৫০১-১৮০০) খ্রিষ্টাব্দ।
৪) আধুনিক যুগ (১৮০১-বর্তমান)।

যুগবিভাগের প্রয়োজনীয়তা:
সাহিত্যের ক্রমবিকাশ বুঝতে ও জানতে সুবিধা , ভাষা ধারা ও রূপভেদের পর্যবেক্ষণ করা সহজ হয়। সাহিত্যের উপর সামাজিক ও ঐতিহাসিক প্রভাব বিশ্লেষণ করা যায়। বিভিন্ন যুগে সাহিত্যিকদের অবদান নির্ধারণে সহায়ক হয়।
উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে সংক্ষিপ্ত বাংলা সাহিত্যের প্রধান যুগবিভাগ
প্রাচীন যুগ (৯৫০ – ১৩৫০ খ্রিষ্টাব্দ)
- চর্যাপদ রচনা
- সহজিয়া ধারা ও বৌদ্ধ সাহিত্যের প্রভাব
- আদি বাঙালি ভাষার উদ্ভব
মধ্যযুগ (১৩৫০ – ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ)
- মঙ্গলকাব্য যুগ – ধর্মীয় ও পৌরাণিক আখ্যান
- ভক্তিকাব্য যুগ – চৈতন্য-প্রভাবিত বৈষ্ণব পদাবলি
- ঐতিহাসিক কাব্য ও অনুবাদ সাহিত্য
আধুনিক যুগ (১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ হতে বর্তমান)
- রেনেসাঁস ও পাশ্চাত্য প্রভাব
- রবীন্দ্র-যুগ: কাব্য, নাটক, গল্প, উপন্যাসে নবজাগরণ
- নজরুল যুগ: বিদ্রোহী চেতনা ও গণসাহিত্য
- উত্তর-রবীন্দ্র যুগ থেকে বর্তমান: বহুমাত্রিক ধারা, উত্তর আধুনিকতা, নারীবাদী ও সমাজবাস্তবতাবাদী সাহিত্য
যুগবিভাগের যৌক্তিকতা
ভাষারূপ পরিবর্তন : চর্যাপদ থেকে আধুনিক বাংলা
বিষয়বস্তু ও রচনাশৈলীর বৈচিত্র্য
সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাব : পাল যুগ, মুসলিম শাসন, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন, স্বাধীনতা আন্দোলন
সাহিত্যকারদের অবদান ও ধারা সৃষ্টি
মূলতথ্য: বাংলা সাহিত্যের যুগবিভাগ
যুগবিভাগ সাহিত্য বোঝার প্রাথমিক হাতিয়ার।
প্রাচীন যুগের বৈশিষ্ট্য – চর্যাপদ, আদি রূপ, সহজিয়া ধারা।
মধ্যযুগে – মঙ্গলকাব্য, বৈষ্ণব পদাবলী, অনুবাদ ও আখ্যান।
আধুনিক যুগ – রেনেসাঁস, রবীন্দ্র ও নজরুলের সৃজনশীল প্রভাব, সমকালীন ধারা।
ভাষা ও রচনাশৈলীর বিবর্তন যুগবিভাগের যৌক্তিক ভিত্তি।
সামাজিক-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট যুগ নির্ধারণে মুখ্য ভূমিকা পালন করে।
বর্তমান সময়ে উত্তর আধুনিকতা, নারীবাদ ও বিশ্বায়নের প্রভাব নতুন ধারা সৃষ্টি করেছে।
সহায়ক গ্রন্থের তালিকা:
- দাস, সুকুমার। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস. কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা, ১৯৫২।
- দাশগুপ্ত, শ্রীকুমার। বাংলা সাহিত্যের ধারা. আনন্দ পাবলিশার্স, ১৯৮৪।
- সেন, সুকুমার। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস. আনন্দ পাবলিশার্স, ১৯৬০।
- ভূঁইয়া, আবদুল করিম। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস. বাংলা একাডেমি, ১৯৭৮।
- আনিসুজ্জামান। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস : আধুনিক যুগ. বাংলা একাডেমি, ১৯৮০।
- গুহ, শঙ্খ। বাংলা সাহিত্য পরিক্রমা. সাহিত্য সংসদ, ১৯৯০।
- দাশগুপ্ত, শ্রীকুমার। বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগ. প্রগ্রেসিভ পাবলিশার্স, ২০০২।
- মুহম্মদ এনামুল হক। বাংলা সাহিত্যের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস. ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ১৯৬৭।
- হুমায়ুন কবীর চৌধুরী। বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতি. বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশন সংস্থা, ১৯৯৫।
- Datta, Amaresh, editor. Encyclopaedia of Indian Literature. Vols. 1–5, Sahitya Akademi, 1987.
আপনার এই ধরনের বাংলা সাহিত্যের উপস্থাপন
আমাদের জন্য খুবই উপকারী হবে
চমৎকার উপস্থাপন, স্যার!
ধন্যবাদ ❤️
স্যার ধন্যবাদ❤️
স্যার অনেক অনেক উপকার হলো❣️
অবিরাম শুভকামনা