সাময়িক পত্র-পত্রিকার পরিচয়:
সাময়িক পত্র-পত্রিকা উনিশ শতকের বঙ্গদেশে সাময়িক সাহিত্যের উন্মেষ
- উনিশ শতকের বঙ্গদেশে সাময়িক সাহিত্যের উন্মেষ
- আধুনিক বাংলা গদ্যের প্রাথমিক চর্চায় সংবাদপত্রের প্রভাব
- নবজাগরণের ধারক ও বাহক হিসেবে সাময়িকপত্র
- প্রবন্ধ, সমালোচনা ও সমাজচিন্তায় পত্র-পত্রিকার অবদান
- সাহিত্যচর্চার পরিসরে সংবাদপত্রের স্থায়ী প্রভাব
বাংলা গদ্যের ও সাহিত্যের বিকাশে উনিশ শতকের সাময়িক পত্রের দান অপরিসীম। ফলে বাংলা গদ্য এক শ্রেষ্ঠ সাহিত্যের প্রকাশ মাধ্যমে পরিণত হতে পেরেছিল। সাময়িক পত্র-পত্রিকাকে ঘিরেই পাশ্চাত্য জ্ঞান-বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বাঙালি মানসে প্রচার লাভ করে। সংবাদ পত্রের পাতা ভরাতে গিয়ে লেখক গোষ্ঠী গড়ে উঠেছে। গড়ে উঠেছে পাঠক শ্রেণী। পাঠকের উপযোগী সংবাদ ও সরস কাহিনী পরিবেশন করতে গিয়ে বাংলা গদ্যের পরিণতি লাভে সাহায্য করেছে। জ্ঞান-তথ্য প্রকাশের প্রয়োজনে নতুন নতুন শব্দ সৃষ্টি করতে হয়েছে। ফলে বাংলা ভাষা তার আড়ষ্টতা কেটে সজীব হয়েছে। এ কথা সত্য যে বাংলা গদ্য ও সাহিত্যের বিকাশে যারা বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করেছেন তারা সকলেই পত্র-পত্রিকার সাথে জড়িত ছিলেন।
গোপাল হালদার সাময়িক পত্রের দুটো উদ্দেশ্যের কথা বলেছেন। এক শিক্ষামূলক, দুই ভাষা ও সাহিত্য গঠন। সাময়িক পত্র-পত্রিকা প্রথম থেকেই এ উদ্দেশ্য মেনে চলেছে। ফলে সাহিত্যে সমাজ চেতনা প্রভাব বিস্তার করেছে। আর সামাজিক চেতনাকে প্রকাশ করতে গিয়ে আটপৌরে ভাষা ব্যবহার করতে হয়েছে। ফলে রচনা হয়েছে সরস। শিক্ষিত মানুষের মনোরঞ্জনের জন্য বিভিন্ন উপকরন সাময়িক পত্র-পত্রিকাকে পরিবেশন করতে হয়েছে। মানব মনের ভাবনা-চিন্তার কথা মনে রাখতে গিয়েই সাহিত্যিক গদ্যের জন্ম। এ প্রসঙ্গে ড. আনিসুজ্জামান বলেছেন
“বাংলা গদ্যের বিকাশে, সাহিত্যের নতুন আঙ্গিক প্রবর্তনে সামাজিক ভাব-আন্দোলনের সৃষ্টিতে, রাজনৈতিক চেতনা-সঞ্চারে এবং সাহিত্য সংস্কৃতিগত রুচি নির্মানে সাময়িক পত্রের দান অপরিসীম।”
সংবাদ পরিবেশনই ছিল মূল লক্ষ্য। ধর্মীয় ও সামাজিক সমস্যা ও বিতর্ক সংবাদপত্রে স্থান পেত। পরবর্তীতে জ্ঞান চর্চা ও সাহিত্যসৃষ্টির প্রবণতা দেখা যায়। বর্তমানেও এসব বৈশিষ্ট্য রয়েছে। আমরা সংবাদ পত্রের ইতিহাসকে বিভক্ত না করে শুরু থেকে পর্যায়ক্রমে প্রধান প্রধান সংবাদ পত্রের ভূমিকা ও পরিচয় দেবার চেষ্টা করবো।
১৮১৮ খ্রিঃ এপ্রিল মাসে শ্রীরামপুর মিশন থেকে প্রথম সাময়িক পত্র ‘দিগদর্শন’ মাসিক হিসেবে প্রকাশিত হয়। সম্পাদক ছিলেন জে,সি, মার্শম্যান। মে মাসে তাঁর সম্পাদনায় বের হয় সমাচার দর্পন। এসব পত্রিকায় ভূগোল, ইতিহাস, দেশ-বিদেশের নানা তথ্য, কৌতুককর কাহিনী, বিচিত্র সংবাদ ইত্যাদি স্থান পেতো। ভাষা ছিল সরল। এসব পত্রিকায় হিন্দুধর্মের প্রতি কটাক্ষ করা হতো।

বাঙালি পরিচালিত প্রথম পত্রিকা সাপ্তাহিক ‘বাঙ্গালা গেজেটি’ গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্যের সম্পাদনায় ১৮১৮ খ্রিঃ প্রকাশিত হয়। এটি বেশি দিন চলেনি। মিশনারীদের হিন্দুধর্মের প্রতি কটাক্ষের জবাব দিতে গিয়ে রাজা রামমোহন রায় ও ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্মিলিতভাবে ১৮২১ খ্রিঃ সাপ্তাহিক ‘সম্বাদ কৌমুদী’ প্রকাশ করেন। লোকের হিত সাধন করাই এর লক্ষ্য ছিল। রাজা রামমোহন রায় এ পত্রিকায় নিয়মিতভাবে প্রবন্ধ লিখতেন। হিন্দুদের কিছু প্রথা বিশেষ করে সহমরণের বিরুদ্ধে বক্তব্য থাকার কারণে সাধারণ মানুষ এ পত্রিকার প্রতি বিরাগ ভাজন হয়।
সাময়িক পত্র-পত্রিকা
উদারমনা রামমোহন রায়ের সাথে রক্ষণশীল ভবানীচরণের দ্বন্দ্ব দেখা দিলে ভবানীচরণ হিন্দু সমাজের মুখপাত্র হিসেবে ১৮২২ খ্রিঃ ‘সমাচার চন্দ্রিকা’ নামে সাপ্তাহিক পত্রিকা প্রকাশ করেন। এর গ্রাহক সংখ্যা ছিল অনেক। ভবানীচরণের ব্যঙ্গাত্মক রচনা বাংলা সাহিত্যের শ্রীবৃদ্ধিতে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে। রাজা রামমোহন রায় ১৮২১ খ্রিঃ ‘ব্রাহ্মণ সেবধি’ প্রকাশ করেন এবং নিজের অনুসারী লেখক গোষ্ঠী গড়ে তোলেন।

১৮৩১ খ্রিঃ প্রকাশিত ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সাপ্তাহিক ‘সংবাদ প্রভাকর’ সাময়িক পত্রের ইতিহাসে নতুন যুগের সৃষ্টি করে। ১৮৩৯ খ্রিঃ এটি প্রথম দৈনিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়। এ পত্রিকাকে ঘিরে কবি সাহিত্যিক চক্র গড়ে ওঠে। হারিয়ে যাওয়া অসংখ্য কবি ও কাব্য এ পত্রিকার মাধ্যমে আলোর মুখ দেখে। স্বদেশ, সমাজ ও সাহিত্য সংক্রান্ত বুদ্ধিদীপ্ত আলোচনা এ পত্রিকাকে ঘিরেই প্রথম প্রকাশিত হতে থাকে।
১৮৪৩ খ্রিঃ প্রকাশিত ‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকা বাংলা গদ্যের ইতিহাসে নবযুগের সৃষ্টি করে। পত্রিকাটি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের তত্ত্ববধানে অক্ষয়কুমারের সম্পাদনায় ব্রাহ্মণধর্ম সম্পর্কিত নানা তথ্য এ পত্রিকায় প্রকাশিত হতো। অক্ষয়কুমারের হাত ধরেই বিজ্ঞান বিষয়ক আলোচনা বাংলা ভাষায় আমদানী ঘটে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর, রাজনারায়ণ বসু প্রমূখ শ্রেষ্ঠ গদ্য লেখক এই পত্রিকার সাথে জাড়িত ছিলেন। এ পত্রিকাকে ঘিরে গড়ে ওঠা গদ্যরীতি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।
সাময়িক পত্র-পত্রিকা
১৮৫১ সালে প্রথম সচিত্র মাসিক পত্রিকা ‘বিবিধার্থ সংগ্রহ’ রাজেন্দ্রলাল মিত্রের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়। বিবিধ গবেষণামূলক আলোচনা এতে স্থান পায়।
১৮৫৪ খ্রিঃ প্যারিচাঁদ মিত্র ও রাধানাথ শিকদারের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় ‘মাসিক পত্রিকা’। স্ত্রীলোকের জন্যও কথ্য ভাষার রীতিকে ঘিরে প্রকাশিত এ পত্রিকা গদ্যের বিকাশে বিশেষ সহায়তা করে। ১৮৫৫ সাল থেকে ‘আলালের ঘরে দুলাল’ ধারাবাহিকভাবে এ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। কথ্যভাষায় বাক্য রচনা, তদ্ভব এবং চলতি ফারসি শব্দের ব্যবহার এ পত্রিকার রচনারীতির বৈশিষ্ট্য ছিল।
এ পর্যন্তআলোচিত পত্রিকাগুলো গদ্যের বিকাশে যথেষ্ট ভূমিকা থাকলেও এ সময়ের বাংলা ভাষায় তখনও কিছুটা জড়তা ছিল। এর পরের সাময়িক পত্র-পত্রিকার ইতিহাস খুব সমৃদ্ধশালী।
১৮৭২ সালে বাঙ্কিমচন্দ্রের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় ‘বঙ্গদর্শন’। বঙ্কিমের প্রায় সব রচনা এতে প্রকাশ পায়। বঙ্গ দর্শনকে ঘিরে খ্যাতি সম্পন্ন এক লেখকগোষ্ঠী গড়ে ওঠে। বাংলা গাদ্যের উৎকর্ষ সাধনে এ সাহিত্য পত্রিকার দান অপরিসীম।
রবীন্দ্রযুগের সূত্রপাত ঘটে দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রতিষ্ঠিত ও সম্পাদিত ১৮৭৭ খ্রিঃ ‘ভারতী’ পত্রিকা প্রকাশিত হলে। বিভিন্ন সময়ে স্বর্ণকুমারী, হিরন্ময়ী দেবী, সরলাদেবী, রবীন্দ্রনাথসহ অনেকে এ পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এ পত্রিকাকে ঘিরে সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত, চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, হেমেন্দ্রকুমার রায় সহ প্রমুখ ব্যক্তিদের নিয়ে ভারতী গোষ্ঠী সাহিত্যিক চক্র গড়ে ওঠে। রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য প্রতিভার পূর্ণ পরিণতি নিয়ে প্রকাশ পায় ‘সাধনা’। এ পত্রিকাটি ঠাকুর বাড়ির লেখকদের প্রতিভার সর্বশ্রেষ্ঠ বাহন ছিল। সবুজ পত্রের কথা না বললে কথা অসমাপ্ত থেকে যাবে। প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় ১৯১৪ সালে সবুজপত্র প্রকাশিত হয়। পত্রিকাটি বুদ্ধিজীবী সাহিত্যিকদের কেন্দ্রবিন্দু ছিল। ‘সবুজপত্র’কে ঘিরে বীরবলী রীতি নামে মৌখিক ভাষারীতি সাহিত্যে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
অতি আধুনিক লেখকগোষ্ঠীর মুখপাত্র হিসেবে ১৯২৩ সালে রবীন্দ্র বিরোধীতার নাম করে প্রকাশিত হয় ‘কল্লোল’। অচিন্ত্যসেন গুপ্ত, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ প্রগতিশীল চিন্তার ধারক বাহক অনেক তরুণ লেখক এ পত্রিকাকে ঘিরে গড়ে উঠেছিল। এর সমমনা পত্রিকা ছিল ‘কালিকলম’ (১৯২৬), ‘প্রগতিসাহিত্য পত্র’ (১৯২৭)।
মুসলমান পরিচালিত অসংখ্য পত্রিকা প্রকাশিত হয়েছে। শেখ আব্দুর রহিমের সুধাকর (১৮৮৯), মিহির (১৮৯২), এস,কে,এম মহম্মদ রওশন আলীর ‘কোহিনুর’ (১৮৯৮), নাসির উদ্দীনের সওগাত (১৯১৮), মোজাম্মেল হকের মোসলেম ভারত (১৯২০) ইত্যাদি পত্রিকার কথা বলা যেতে পারে।
সাময়িক পত্র-পত্রিকা
যুগের উত্তাপ ও মনীষীদের আশীর্বাদ নিয়ে ১৯২২ সালে নজরুলের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় ‘ধূমকেতু’। একে ঘিরেই নজরুলের কবিখ্যাতি। ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’-এর মুখপত্র হিসেবে মুক্তবুদ্ধির ধারক বাহক হয়ে ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয় ‘শিখা’।
সাময়িক পত্র-পত্রিকার ইতিহাস আলোচনা করলে দেখা যায় যে, সাহিত্য সৃষ্টির জন্য এদের ভূমিকা বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ। নতুন ভাষারীতি, রচনারীতি, সাহিত্যদর্শণ সৃষ্টিতে সাময়িকপত্রের অবদান চিরদিন স্বীকার করতেই হবে। আধুনিক বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে সমস্ত সাহিত্য শাখাই পত্র-পত্রিকাকে কেন্দ্র করে রচিত হয়েছে। লেখক গোষ্ঠীও সৃষ্টি হয়েছে পত্র পত্রিকাকে কেন্দ্র করে।
মূল তথ্য কণিকা
- আধুনিক বাংলা গদ্যের উন্মেষে উনিশ শতকের পত্র-পত্রিকার বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।
- ‘দিগ্দর্শন’ (১৮১৮): বাংলা গদ্যে প্রবন্ধ রচনার প্রাচীনতম ক্ষেত্র।
- ‘সমাচার দর্পণ’ (১৮১৮): সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি সহজ ও স্পষ্ট গদ্যের প্রচলন ঘটায়।
- ‘সম্বাদ কৌমুদী’ (১৮২১, রাজা রামমোহন রায়): সমাজসংস্কারমূলক প্রবন্ধ, বিদ্যাসাগরের পূর্বসূরি গদ্যচর্চা।
- ‘বঙ্গদূত’ (১৮২৯): ব্যঙ্গরসাত্মক রচনায় গদ্যের নতুন রূপ।
- ‘সংবাদ প্রভাকর’ (১৮৩১, ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত): সাহিত্যের সাথে সাধারণ মানুষের ভাষা ও জীবনকে যুক্ত করে।
- ‘তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা’ (১৮৪৩, দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর): চিন্তাশীল গদ্য, সমাজ-সংস্কার, ধর্মচর্চা ও প্রবন্ধ সাহিত্যে নবজাগরণের ভিত্তি।
- ‘হিন্দু পত্রিকা’, ‘ভারতবর্ষ’, ‘বঙ্গদর্শন’ (বঙ্কিমচন্দ্রের সম্পাদনায়): আধুনিক প্রবন্ধ, সমালোচনা ও সাহিত্যে গদ্যের উচ্চাঙ্গ সৃষ্টি।
- পত্র-পত্রিকার মাধ্যমেই বাংলা গদ্য প্রশাসনিক ভাষা থেকে সাহিত্যিক ও প্রবন্ধমূলক ভাষায় রূপান্তরিত হয়।
- সংবাদপত্রে প্রবন্ধ, সম্পাদকীয়, সমালোচনা, অনুবাদ ইত্যাদির মাধ্যমে গদ্যের বৈচিত্র্য, সহজতা ও প্রাঞ্জলতা বিকশিত হয়।
প্রফেসর মো: আখতার হোসেন, বাংলা বিভাগ, সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজ, যশোর।
রেফারেন্স বই (সহায়ক গ্রন্থ তালিকা)
- দাস, সুকুমার (১৯৫২)। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস। কলকাতা: প্রগতিশীল প্রকাশনী।
- সেন, সুকুমার (১৯৭৮)। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, আধুনিক যুগ। কলকাতা: আনন্দ প্রকাশন।
- চক্রবর্তী, অমলেশ (১৯৯০)। বাংলা গদ্যের ইতিহাস। কলকাতা: সাহিত্য সংসদ।
- ভট্টাচার্য, অরুণকুমার (১৯৯৩)। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস। ঢাকা: বিদ্যাপ্রকাশ।
- Majumdar, Bimanbehari (1955). History of Indian Literature (Vol. II). Calcutta: Modern Book Agency.
- Sengupta, Haridas (1962). The Growth of Bengali Journalism (1818–1831). Calcutta University.
- Datta, Amaresh (ed.) (1988). Encyclopaedia of Indian Literature. New Delhi: Sahitya Akademi.
আলোকিত হলাম স্যার। ❤️🩹
অবিরাম শুভকামনা