বাংলা সম্মান চতুর্থ বর্ষ-   কোর্স কোডঃ ২৪১০১৫

কীভাবে ধ্বনিবিজ্ঞান ও ভাষাতত্ত্ব কোর্সে ভালো করা যায় ?

ধ্বনিবিজ্ঞান ও ভাষাতত্ত্ব – সাজেশন ২০২৪ —- বাংলা  সম্মান চতুর্থ বর্ষের সিলেবাসভূক্ত বিষয় হলো ধ্বনিবিজ্ঞান ও ভাষাতত্ত্ব । অন্য কোর্সের সাথে এ কোর্সের বিস্তর পার্থক্য রয়েছে। বিগত বছরগুলোর ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এ কোর্সের ফলাফল অনেক খারাপ । অনেক শিক্ষার্থী ফেল করে।

দীর্ঘদিন ধরে আমি এ কোর্সের পাঠদান করে আসছি। ফলাফল খারাপ বা ফেল করার কারণ হিসেবে বলা যায় যে, যারা নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকে তারাই ভালো ফলাফল করে। কেননা, এ কোর্সের পাঠ্যসূচিতে যে অধ্যায়গুলো রয়েছে তা শুধু রেফারেন্স বই পড়ে, বাসায় নিজে চেষ্টা করে শেখন-ফল পাওয়া সম্ভব নয়। এর কিছু ব্যাবহারিক দিক রয়েছে। কিছু বিষয় আছে বিশ্লেষণধর্মী।

সিলেবাসভূক্ত বিষয় যা আছে, বা পরীক্ষায় যা আসে তা কোনো একক বই থেকে পাওয়া সম্ভব নয়। শিক্ষার্থীদের পক্ষে এ বিষয়ে রেফারেন্স বা সহায়ক বই সব ক্রয় করা সম্ভব নয়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সবই প্রান্তিক। প্রতিষ্ঠানে নেই পর্যান্ত গ্রন্থাগারিক সুবিধা, আর্থিক অবস্থার কারণে নিজেরাও বই ক্রয় করতে পারে না। 

প্রতিষ্ঠানে ক্লাসরুম স্বল্পতা, শিক্ষার্থীদের ক্লাসবিমুখতা, পরীক্ষার কারণে ক্লাস বন্ধ থাকা ইত্যাদি কারণে শিক্ষার্থীদের পাঠদানে প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। শিক্ষার্থীদের এসব সমস্যার কথা চিন্তা করেই অভিজ্ঞতার আলোকে কিছু সহায়ক প্রশ্ন দেওয়া হলো।  

বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের শিক্ষার্থীদের জন্য ধ্বনিবিজ্ঞান ও ভাষাতত্ত্বের বিগত ১০ বছরের প্রশ্নপত্র সাজানো হলো। এখানে রচনামূলক ও সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন আলাদা করে দেওয়া হয়েছে।

ধ্বনিবিজ্ঞান ও ভাষাতত্ত্ব – সাজেশন ২০২৪

ধ্বনিবিজ্ঞান ও ভাষাতত্ত্ব – সাজেশন ২০২৪——ধ্বনিবিজ্ঞান – ৫০

  1. ধ্বনিউচ্চারণে চিত্রসহ বাক-প্রত্যঙ্গের পরিচয় (১৫, ১৭) / ধ্বনিউচ্চারণে বাকপ্রত্যঙ্গের ভূমিকা লেখ। (১৩)
  2. স্বরধ্বনি বিচারের মাপকাঠিগুলো কী কী? মাপকাঠিগুলোর আলোকে বাংলা স্বরধ্বনিগুলোর পরিচয় দাও। (১৩, ১৮) / মৌলিক স্বরধ্বনি কাকে বলে? কয়টি ও কী কী? / স্বরধ্বনি উচ্চারণে জিহ্বার ভূমিকা। (১৫, ১৯)
  3. দ্বিস্বরধ্বনি কাকে বলে? এর স্বরূপ ব্যাখ্যা করে বাংলা নিয়মিত ও অনিয়মিত দ্বিস্বরধ্বনির পরিচয় দাও। (১৩, ১৭, ১৯)
  4. অর্ধ-স্বরধ্বনির সংজ্ঞা ও এর পরিচয়। (১৪, ১৮)
  5. স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন কী? এর উচ্চারণ প্রক্রিয়া বর্ণনা কর। (১৪) / স্পৃষ্টধ্বনির ধ্বনিতাত্ত্বিক পরিচয়। (১৫, ১৮)
  6. ব্যঞ্জনধ্বনি বিচারের মাপকাঠি কী কী? মাপকাঠির আলোকে ব্যঞ্জনধ্বনিগুলো বিচার কর। / উচ্চারণ-স্থান অনুযায়ী ব্যঞ্জনধ্বনির বিচার। (১৩, ২০) / ঘোষ-অঘোষ, অল্পপ্রাণ-মহাপ্রাণ ব্যঞ্জনধ্বনির পরিচয় ও শ্রেণিবিন্যাস। / উচ্চারণ-রীতি অনুযায়ী ব্যঞ্জনধ্বনির শ্রেণিবিন্যাস। (১৭)
  7. মূলধ্বনি ও সহধ্বনি বলতে কী বোঝ? বাংলা মূলধ্বনি ও সহধ্বনির তালিকা প্রস্তুত কর। (১৭) / ধ্বনিমূল, সহধ্বনি ও যৌগিক ধ্বনি সম্পর্কে উদাহরণসহ আলোচনা কর। (১৯)
  8. বাংলা সংযুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির পরিচয় দাও। যুগ্মীভবন/যুগ্মধ্বনি/যুগ্মীভবন কী? যুগ্মীভবন গঠনের শর্ত ও স্বরূপ। (২০)
  9. আন্তর্জাতিক ধ্বনিলিপি কাকে বলে? এর উদ্ভবের কারণ, ইতিহাস, উদ্দেশ্য। (১৮, ২০) / স্বর ও ব্যঞ্জনের প্রতিলিপি কর। (১২, ১৮, ২০)

ধ্বনিবিজ্ঞান ও ভাষাতত্ত্ব – সাজেশন ২০২৪ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন:

  1. বাকপ্রত্যঙ্গ (১২, ১৯), স্বরযন্ত্রের পরিচয় (১২, ১৪, ১৯) / জিহ্বার ভূমিকা (১৫, ২০) / কোমল তালুর ভূমিকা (১৩) / ঠোঁটের ভূমিকা / শক্ত তালু / স্বরতন্ত্রী / স্বরপথ।
  2. স্পৃষ্ট/স্পর্শ ব্যঞ্জন কয়টি ও কী কী? এদের পরিচয়। (১৩)
  3. ধ্বনিমূল ও সহধ্বনির সংক্ষিপ্ত পরিচয় / পার্থক্য। (১৩, ২০)
  4. স্বরধ্বনি বিচারের মাপকাঠি। (১৭)
  5. ব্যঞ্জনধ্বনি বিচারের মাপকাঠি কয়টি ও কী কী? আলোচনা কর। (১৮)
  6. অর্ধ-স্বরধ্বনি কাকে বলে? / এর গঠন প্রক্রিয়া / পরিচয়। / অর্ধ-স্বরধ্বনি ও যৌগিক ধ্বনির পার্থক্য। (১৯)
  7. উচ্চারণ-রীতি অনুযায়ী ব্যঞ্জনধ্বনি। (১২)
  8. অতিরিক্ত ধ্বনিমূলীয় বৈশিষ্ট্য। (১২)
  9. তাড়নজাত ধ্বনিগুলোর ধ্বনিতাত্ত্বিক পরিচয়। (১৩, ২০)

ধ্বনিবিজ্ঞান ও ভাষাতত্ত্ব – সাজেশন ২০২৪

  1. মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি ও কী কী। (১২, ১৪
  2. শ্বাসাঘাতের সংজ্ঞা দাও। এর স্বরূপ ও শ্রেণিবিভাগ। (১৫, ১৯)
  3. স্বরতরঙ্গ (১২), মীড় (১২), শ্বাসাঘাত, স্বর বা টোন।
  4. দ্বিস্বরধ্বনির পরিচয়/সংখ্যা/বৈশিষ্ট্য। (১৭)
  5. ঘোষধ্বনির পরিচয়। (১৭)
  6. সংযুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির পরিচয়। (১৭, ১৯)
  7. পার্শ্বিক ধ্বনি গঠনে বাকপ্রত্যঙ্গের অবস্থান। (১২, ১৮)
  8. শ্রুতিধ্বনি কী? বাংলা ভাষার শ্রুতিধ্বনির পরিচয়। (১৪)
  9. উষ্মধ্বনির সংজ্ঞা, বাংলা উষ্মধ্বনির উচ্চারণ প্রক্রিয়া। (১৫)

ধ্বনিবিজ্ঞান ও ভাষাতত্ত্ব – সাজেশন ২০২৪

খ – ঐতিহাসিক ও তুলনামূলক ভাষাবিজ্ঞান – ৫০

  1. ভাষাতত্ত্ব কাকে বলে? ভাষা বিশ্লেষণে ব্যবহৃত পদ্ধতিগুলোর পরিচয় দাও। এ মধ্যে কোনটি আধুনিক ও শ্রেষ্ঠ? লেখ।
  1. ভাষাবিচারে ঐতিহাসিক ও তুলনামূলক পদ্ধতির উপযোগিতা ও সীমাবদ্ধতা লেখ। (১৭, ১৯)
  2. ভাষাবিচারে কালানুক্রমিক বা ঐতিহাসিক পদ্ধতি বলতে কী বোঝায়? এর বৈশিষ্ট্য। (১৪)
  3. বর্ণনামূলক পদ্ধতির পরিচয়। ভাষাবিচারে বর্ণনামূলক পদ্ধতির সাথে তুলনামূলক পদ্ধতির পরিধি ও সম্পর্ক। (১৩) / বর্ণনামূলক পদ্ধতির বৈশিষ্ট্য ও উপযোগিতা। (১৫, ১৮, ২০)
  4. ভাষা পরিবর্তন মূলত ধ্বনিরই পরিবর্তন, আর এ পরিবর্তনের প্রায়ই সুনির্দিষ্ট কারণ থাকে— আলোচনা কর। (১৭) / ধ্বনি পরিবর্তনের কারণগুলো লেখ। / ভাষা পরিবর্তনের কারণগুলো লেখ। / ধ্বনি পরিবর্তনের সাধারণ নিয়ম বা প্রক্রিয়া লেখ। (১৩, ১৫, ১৮, ১৯)
  5. ভাষাবিজ্ঞান কাকে বলে? ভাষাবিজ্ঞানের শাখাগুলোর পরিচয় দাও। (১২, ১৪)
  6. শব্দার্থ বা বাগর্থ বিজ্ঞান কী? শব্দের অর্থ পরিবর্তনের কারণগুলো লেখ। (১৪, ১৯) / বাগর্থতত্ত্ব কী? শব্দের অর্থ পরিবর্তনের বিভিন্ন ধারার পরিচয় লেখ। (১২, ১৫, ১৭)
  7. সাদৃশ্যমূলক পরিবর্তনের ধারণা দাও। সাদৃশ্যের প্রভাবে কীভাবে বাংলায় ধ্বনি পরিবর্তন ঘটে? (১৩, ১৮, ১৯) / সুভাষণ কী?
  8. ভাষার শ্রেণিকরণের পদ্ধতিগুলো কী কী? রূপতাত্ত্বিক শ্রেণিবিন্যাস বলতে কী বোঝ? এ পদ্ধতিতে ভাষার শ্রেণিবিন্যাস করে বাংলা ভাষার অবস্থান নির্ণয় কর। (১৩, ২০) / ভাষার বংশানুক্রমিক শ্রেণিবিন্যাস আলোচনা করে ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর একটি বংশপীঠিকা তৈরি কর এবং বাংলার অবস্থান নির্ণয় কর। (১২, ১৪, ১৭) / বংশগত পদ্ধতির সাহায্যে পৃথিবীর ভাষাসমূহের শ্রেণিবিন্যাস কর। (১৫)
  9. গ্রীম, গ্রাসম্যান ও ভার্ণারের সূত্র ব্যাখ্যা কর। কেন এগুলো পরস্পরের পরিপূরক? (১২, ১৮, ২০)

🔹 সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন

  1. ধ্বনি পরিবর্তনের সাধারণ নিয়ম লেখ (১০টি)।
  2. গ্রীম (১৩, ১৭), গ্রাসম্যান ও ভার্ণারের সূত্র। (১৫, ২০)
  3. ভাষার বংশানুক্রমিক শ্রেণিবিন্যাস।
  4. ভাষার রূপতাত্ত্বিক শ্রেণিবিন্যাস। (১৭, ২০)
  5. তুলনামূলক ভাষাতত্ত্ব। (১২)
  6. ঐতিহাসিক ভাষাতত্ত্ব। (১৩, ১৮, ২০)
  7. ভাষার সংজ্ঞাসহ বৈশিষ্ট্য। (১৪)
  8. শতমগুচ্ছের পরিচয় দাও। (১৪)
  9. ভাষার সংজ্ঞা দাও। (১৯)

ধ্বনিবিজ্ঞান ও ভাষাতত্ত্ব – সাজেশন ২০২৪

  1. অর্থ সংকোচন ও প্রসারণ (১৩) বলতে কী বোঝ?
  2. আঞ্চলিক অভিধানের পরিচয় দাও। (১৮)
  3. অর্থ পরিবর্তনের চারটি প্রক্রিয়া উদাহরণসহ লেখ। (১৩, ১৭, ১৯)
  4. ভাষার সার্বজনীন শ্রেণিকরণের ৪টি বৈশিষ্ট্য। (১২)
  5. আন্তর্জাতিক ধ্বনিলিপি। (১৩)
  6. মূলধ্বনি বা ফনিমি চিহ্নিত করার একটি প্রক্রিয়া বর্ণনা। (১৪)
  7. ভাষাবিজ্ঞানের আলোচ্যবিষয়। (১৫)
  8. টীকা: জোড়কলম শব্দ (১৮), লোকনিরুক্তি (১৮), রূপমূল (১৯), সুভাষণ (১৯), কৃতঋণ শব্দ (১৭, ১৯), উপভাষা (১৮), ভাষার নকশা (১৮, ২০), স্বরসঙ্গতি (২০), অভিশ্রুতি (১৬, ২০), সমাক্ষরলোপ (১৬)।

প্রফেসর মো: আখতার হোসেন,

বাংলা বিভাগ,

সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজ, যশোর।

সহায়ক গ্রন্থের তালিকা:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *