মানসিংহ-ভবানন্দ উপাখ্যান: বাংলা অনার্স ২য় বর্ষ
মানসিংহ-ভবানন্দ উপাখ্যান : অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর
১. প্রশ্ন: মানসিংহ-ভবানন্দ কী জাতীয় কাব্য ? –উত্তর : মঙ্গলকাব্য
২. প্রশ্ন: মঙ্গলকাব্যের মধ্যে মানসিংহ-ভবানন্দ উপাখ্যান কোন্ ধরনের কাব্য ? উত্তর – অন্নদামঙ্গল কাব্য
৩. প্রশ্ন: মানসিংহ-ভবানন্দ কাব্যটির রচয়িতা কে ? উত্তর– ভারতচন্দ্র রায় গুনাকর
৪. প্রশ্ন: ভারতচন্দ্রের জন্ম-মৃত্যু সাল কত ? উত্তর – ১৭১২-১৭৬০ খ্রিঃ
৫. প্রশ্ন: কোন যুদ্ধের আগে অন্নদামঙ্গল রচিত হয় ? উত্তর– পলাশীর যুদ্ধ
৬. প্রশ্ন: পলাশীর যুদ্ধের কত বছর আগে ভারতচন্দ্র এ কাব্য রচনা করেন ? – উত্তর পাঁচ বছর
৭. প্রশ্ন: বাংলাদেশের সর্বশেষ কবি কে ? উত্তর – ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
৮.প্রশ্ন: ভারতচন্দ্র কোথাকার সভাকবি ছিলেন ? উত্তর – কৃষ্ণনগরের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের
৯. প্রশ্ন: মানসিংহ-ভবানন্দ উপাখ্যান কাব্যের নায়ক কে ? উত্তর– ভবানন্দ মজুমদার
১০. প্রশ্ন: ভারতচন্দ্র কাদের বন্দনা করে কাব্যের সূচনা করেছিলেন ? উত্তর-শিব, সূর্য, বিষ্ণু, লক্ষ্মী প্রভৃতি
মানসিংহ-ভবানন্দ উপাখ্যান – তথ্য-কণিকা
১১. প্রশ্ন: মানসিংহ কোথায়/ কোন দেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন ? উত্তর -যশোর
১২. প্রশ্ন মানসিংহের যশোহর যাত্রাপথের পথ প্রদর্শক কে ?উত্তর -ভবানন্দ মজুমদার
১৩. প্রশ্ন মানসিংহের সাথে কার যুদ্ধ হয় ? উত্তর -প্রতাপাদিত্য
১৪. প্রশ্ন বসন্তরায়ের পুত্রের নাম কী ? উত্তর -কচু রায়
১৫. প্রশ্ন মানসিংহ মৃত প্রতাপকে কীভাবে কাকে উপহার দিলেন ? উত্তর -ঘিয়ে ভেজে জাহাঙ্গীরকে উপহার দিলেন

১৬. প্রশ্ন কূবেরের পুত্রের নাম কি ? উত্তর -নলকূবের
১৭. ‘প্রশ্ন আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে’- উক্তিটি কার ? উত্তর – ঈশ্বরী পাটনীর
১৮. প্রশ্ন যশোহরের রাজার নাম কী ছিল ? উত্তর -রাজা প্রতাপাদিত্য
১৯.প্রশ্ন দেবী কোন/কার গৃহ ছেড়ে ভবানন্দের ভবনে আসে ?উত্তর -হরি হোড়ের
২০ .প্রশ্ন যশোহরের রাজা প্রতাপাদিত্যকে দমন করতে কে মানসিংহকে পাঠায় ? উত্তর -সম্রাট জাহাঙ্গীর
মানসিংহ-ভবানন্দ উপাখ্যান : অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর
২১. .প্রশ্ন নারীদের সঙ্গ পেতে কে পছন্দ করে ? উত্তর – নলকুবের
২২. .প্রশ্ন নলকুবেরের নারী বিলাসিতা দেখে অন্নদা দেবী কী ভাবে ? উত্তর – দেবী ভাবে, নলকুবের বুঝি তার পূজা দানে ব্যস্ত।
২৩. .প্রশ্ন নলকুবেরের কাছে ব্রাহ্মণ বেশে কে যায় ? উত্তর – অন্নদা দেবী
২৪. .প্রশ্ন দেবী কাছ থেকে নলকুবের কী অভিশাপ পেল ?
উত্তর -অভিশাপ দিয়ে মৃত্যু ঘটিয়ে তাকে মর্ত্যলোকে পাঠালো।
২৫. .প্রশ্ন ভবানন্দের অন্য নাম কী ? উত্তর– -স্বর্গীয় নাম নলকুবের
২৬. .প্রশ্ন হরিহোড়ের স্ত্রীর নাম কী ছিল ? উত্তর– তিন স্ত্রী থাকার পরে সোহাগীকে বিয়ে করে।
২৭. .প্রশ্ন মানসিংহ-ভবানন্দ উপাখ্যানের চন্দ্রমুখীর ও পদ্মমুখীয়র স্বর্গীয় নাম কী ? উত্তর – চন্দ্রিনী ও পদ্মিনী
২৮. .প্রশ্ন মানসিংহ-ভবানন্দ উপাখ্যানের সাধী-মাধী কারা ? উত্তর – ভবানন্দের স্ত্রীদের দাসী
২৯. .প্রশ্ন অন্নপূর্ণা নদী পারের জন্য কাকে ডাকলেন ? উত্তর – ঈশ্বরী পাটুনীরে
৩০. .প্রশ্ন ‘কোন গুণ নাহি তার কপালে আগুন’Ñ উক্তি কে করেন ? উত্তর – অন্নপূর্ণা
মানসিংহ-ভবানন্দ উপাখ্যান – তথ্য-কণিকা
৩১. .প্রশ্ন ‘কোন গুণ নাহি তার কপালে আগুন’Ñ কার উদ্দেশ্যে করেন ? উত্তর – তার স্বামীর
৩২. .প্রশ্ন দেবীর কীসের ভয়ে নৌকায় পা দিতে পারছিল না ? উত্তর – আলতা থুয়ে যাবার ভয়ে
৩৩. .প্রশ্ন পাটুনি দেবীকে কোথায় পা রাখার জন্য বলেছেন ? উত্তর – সেঁউতির উপর
৩৪. .প্রশ্ন সেঁউতির কাঠ সোনা হয়ে যায় কেন ? উত্তর – দেবীর পা রাখার জন্য
৩৫. .প্রশ্ন সেঁউতি সোনা হয়ে যাওয়ায় পাটুনীর মনে কী ভয় হল ? উত্তর – এ মেয়ে অবশ্যই দেবী
৩৬. .প্রশ্ন কোন মাসে দেবী তার পূজা হওয়ার কথা বলেছেন ? উত্তর – চৈত্র মাসে
৩৭. . প্রশ্ন দেবী প্রথমে কার গৃহে ছিল ? উত্তর – হরি হোড়ের গৃহে
৩৮. .প্রশ্ন হরিহোড়ের গৃহ দেবী ছেড়েছেন কেন ? উত্তর – হরি হোড়ের স্ত্রীদের কোন্দলের কারণে
৩৯. .প্রশ্ন দেবী কার গৃহে থাকার জন্য মনস্থির করেন ? উত্তর – ভবানন্দ মজুমদারের গৃহে
৪০. .প্রশ্ন পাটুনী দেবীর কাছে কী বর চায় ? উত্তর – তার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে
মানসিংহ-ভবানন্দ উপাখ্যান : অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর
৪১. প্রশ্ন ভবানন্দ মন্দিরে গিয়ে কী দেখতে পায় ? উত্তর – অদৃশ্য গন্ধ-নৃত্য-বাদ্য ও গানের শব্দ
৪২. প্রশ্ন মন্দির থেকে ভবানন্দকে দেবী কী দিল ? উত্তর – একটি মনোহর ঝাঁপি
৪৩. ‘প্রশ্ন তোর বংশে মোর দয়া প্রধান থাকিবে’ – উক্তিটি ভবানন্দকে কে বলে ? উত্তর– অন্নদা দেবী
৪৪. প্রশ্ন দেবীর দয়ার বাণী কোথা থেকে ভেসে আসে ? উত্তর – আকাশ থেকে
৪৫. প্রশ্ন সমর অর্থ কী ? উত্তর – যুদ্ধ
৪৬. প্রশ্ন মানসিংহ কোথায় গেল বিভিন্ন খবর নিতে ? উত্তর – বর্ধমানে, মজুমদারের কাছে
৪৭. প্রশ্ন মজুমদারের কাছে গিয়ে মানসিংহ কীসের কথা জানতে পারে ? উত্তর – সুড়ঙ্গের কথা
৪৮. প্রশ্ন মানসিংহ-ভবানন্দ উপাখ্যানের ঘেসেড়ানীর বয়স কত ? উত্তর – ১৫/১৬ বছর
৪৯. প্রশ্ন ঘেসেড়ানী ক্রমে ক্রমে কত জন স্বামী/ভাতার বদলায় ? উত্তর – এগারো জন
৫০. প্রশ্ন চাঁদ বেনে কোন নগরে বাস করত ? উত্তর – চম্পা নগরে
মানসিংহ-ভবানন্দ উপাখ্যান – তথ্য কণিকা
৫১. প্রশ্ন মনসার দুই দাসীর নাম কী ? উত্তর – জানু, মানু
৫২. প্রশ্ন পাতশার সাথে মজুনন্দারের কী নিয়ে কলহ ? উত্তর – ধর্ম নিয়ে
৫৩. প্রশ্ন পাতশা কোন ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন ? উত্তর– মুসলমান ধর্ম ( ইসলাম ধর্ম)
৫৪. প্রশ্ন “আমার বাসনা হয় যত হিন্দু পাই,
উত্তর – সুন্নত দেওয়াই আর কলমা পড়াই”Ñ উক্তিটি কার ? – পাতশা জাহাঙ্গীরের
৫৫. প্রশ্ন মানসিংহ বাঙলায় যাবার পথে কতদিন বৃষ্টিতে আটকে ছিল ? উত্তর – সাত দিন
৫৬ প্রশ্ন মানসিংহ-ভবানন্দ উপাখ্যানের . দাসু, বাসু কে ? উত্তর দিন মজুরি, যারা মজুমদারের সাথে দিল্লি গিয়েছিল।
৫৭. প্রশ্ন পাতশা কে ? উত্তর -জাহাঙ্গীর
৫৮ প্রশ্ন . মজুমদারকে কয়েদ করিল কারা ? উত্তর পাতসার সৈন্যরা
৫৯. প্রশ্ন দিনে মজুরি করেও সুখে থাকে কে ? উত্তর – দাসু
৬০. প্রশ্ন কুড়ি টাকা পণ দিয়ে নতুন কে বিয়ে করেছে ? উত্তর – বাসু
মানসিংহ-ভবানন্দ উপাখ্যান : অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর
৬১. প্রশ্ন মজুমদার কয়েদির মধ্যে কার সাধনা শুরুকরে ? উত্তর – অন্নপূর্ণা দেবীর
৬২. প্রশ্ন দিল্লিতে কে উৎপাত শুরু করে ? উত্তর – অন্নপূর্ণা দেবী
৬৩. প্রশ্ন অন্নপূর্ণা দেবী দিল্লিতে কেন উৎপাত শুরু করে ? উত্তর – ভক্ত মজুমদারকে বাঁচাতে
৬৪. প্রশ্ন অন্নদার সখীর নাম কী ? উত্তর – জয়া
৬৫. প্রশ্ন দিল্লিতে কত সপ্তাহ অন্নের অভাব দেখা দিল ? উত্তর – এক সপ্তাহ
৬৬. প্রশ্ন মজুমদারের বাবার নাম কী ? উত্তর – রাম সমদ্দার
৬৭. প্রশ্ন মজুন্দারের কাছে কে শুদ্ধ হতে চায় ? উত্তর – পাতশা
৬৮. প্রশ্ন ভবানন্দ মজুমদার কাকে রাজ্যভার দিয়ে স্বর্গারোহণ করেন ? উত্তর – পুত্র সীতারাম মজুমদারকে
৬৯. প্রশ্ন ভবানন্দ মজুমদার কোথাকার রাজ দায়িত্ব পান ? উত্তর – বাগুয়ানের
৭০. প্রশ্ন মানসিংহ-ভবানন্দ উপাখ্যানের ভবানন্দের কয় স্ত্রী ? উত্তর – দুই স্ত্রী , চন্দ্রমুখী, পদ্মমুখী
৭১. প্রশ্ন ভবানন্দের প্রথম স্ত্রীর দাসীর নাম কী ? উত্তর – সাধী
ভবানন্দের ২য় স্ত্রীর দাসীর নাম কী ? উত্তর – মাধী
৭২. প্রশ্ন দেবী অন্নদা কীভাবে ভবানন্দকে মুক্ত করেন ?
উত্তর – দিল্লিতে ভূতপ্রেত নামিয়ে এবং অন্ন সংকট সৃষ্টি করে জনজীবন অতিষ্ট করে তোলার পর জাহাঙ্গীর ভবানন্দকে মুক্ত করে দেয়।
৭৩. প্রশ্ন দিল্লি ফিরে যাবার পথে মানসিংহ বাংলার কোন্ তীর্থস্থান ঘুরে দেখেন ? উত্তর – জগন্নাথপুরী
৭৪. প্রশ্ন ভবানন্দ দিল্লিতে যাবার পথে কাদেরকে সঙ্গে নেয় ? – ভবানন্দের ভৃত্যু দাসু ও বাসুকে
৭৫.প্রশ্ন মানসিংহ দিল্লি ফেরার সময় ভবানন্দকে কেন সাথে করে নিয়ে যায় ?
উত্তর সম্রাটের মাধ্যমে ভবানন্দকে পুরস্কৃত করার প্রত্যাশায়।
৭৬. প্রশ্ন প্রতাপাদিত্য কার পায়ে বেড়ি দিতে বলেছিল ? উত্তর – জাহাঙ্গীরের
৭৭. প্রশ্ন মানসিংহ দূতের মাধ্যমে প্রতাপাদিত্যের কাছে কী প্রেরণ করেছিল ? উত্তর – বেড়ি ও তলোয়ার
৭৮. প্রশ্ন প্রতাপাদি বেড়ি ও তলোয়ারের মধ্যে কোনটা গ্রহণ করেছিল আর কী ফেরত দিয়েছিল ?
উত্তর -তলোয়ার গ্রহণ, বেড়ি ফেরত।
৭৯. প্রশ্ন কীভাবে ভবানন্দের প্রতি মানসিংহের বিশ্বাস স্থাপিত হয় ?
উত্তর -দেবীর নির্দেশে ঝড়বৃষ্টি হওয়ায় খাদ্য সংকটে ভবানন্দ সপ্তাহব্যাপী মানসিংহের সৈন্যদের খাদ্য সরবরাহ করার মাধ্যমে।
৮০. প্রশ্ন মানসিংহ বাংলায় এনে তাকে সব বিষয়ে কে সাহায্য করেছিল ? উত্তর ভবানন্দ মজুন্দার।
মানসিংহ-ভবানন্দ উপাখ্যান : অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর
৮১. ‘মানসিংহ-ভবানন্দ’ কাব্য সম্পাদনা করেছেন কে ? – মুহম্মদ আবদুল হাই ও আনোয়ার পাশা
৮২. ‘মানসিংহ-ভবানন্দ’ উপাখ্যান কতটি অনুচ্ছেদে সমাপ্ত ?
Ñ৪৫টি, গ্রন্থ সূচনা থেকে মজুন্দারের স্বর্গযাত্রা।
৮৩. মুসলমান শাসনামলে কারা এদেশে এসে অত্যাচার ও লুট করেছে ? – বর্গীরা
৮৪. বর্গীরা কোথা হতে বাংলায় এসেছিল ? – মহারাষ্ট্র ও সৌরাষ্ট্র হতে
৮৫. অন্নদার প্রথম পূজা প্রচারক কে ছিল ? – হরিহোড়
৮৬. মানসিংহ-ভবানন্দ উপাখ্যানের হরিহোড়ের বাবার নাম কী ? – বিষ্ণু হোড়)
৮৭. হরিহোড়ের নিবাস কোথায় ছিল ? – বাগুয়ান পরগণার বড়গাছি গ্রামে (গাঙ্গিনী নদীর পশ্চিমকূলে)
৮৮. অন্নদার দ্বিতীয় পূজা প্রচারক কে ছিলেন ? – ভবানন্দ মজুমদার
৮৯. ভবানন্দের বাবার নাম কী ? – রাম সমদ্দার
৯০. ভবানন্দের বাড়ি কোথায় ? -বাগুয়ান পরগনার গাঙ্গিনী নদীর পূর্বকূলে অবস্থিত আন্দুলিয়া গ্রামে।
৯১. স্বর্গে ভবানন্দের নাম কী ছিল ? – নলকুবের
৯২. স্বর্গে নলকুবরের লীলা সঙ্গিনীদের নাম কী ? – চন্দ্রিনী, পদ্মিনী
৯৩. স্বর্গের চন্দ্রিনী ও পদ্মিনী মর্তে কী নামে জন্ম নেয় ? – চন্দ্রমুখী, পদ্মমুখী
৯৪. স্বর্গে নলকূবরের বাবার নাম কী ছিল ? – কূবের
৯৫. অন্নদা নলকূবরের আনন্দ অনুষ্ঠানে কী বেশে গিয়েছিল ? ব্রাহ্মণ বেশে
৯৬. অন্নদার সখীর নাম কী ? – জয়া
৯৭. অন্নদাদেবী ভবানন্দের বাড়ি যাবার পথে কোন নদী পার হয়েছিল ? – গাঙ্গিনী নদী
৯৮. দেবী অন্নদা নদীর কোন পাড় হতে কোন পাড়ে গেলেন ? – পশ্চিম পাড় হতে পূর্ব পাড়
৯৯. অন্নদা দেবীর অন্নপূর্ণা নাক কে রেখেছিল ? – দেবীর পিতামহ
১০০. ‘অতিবড় বৃদ্ধপতি সিদ্ধিতে নিপুণ”Ñ একথা দিয়ে কাকে কি বোঝানো হয়েছে ?
– অন্নদার স্বামী শীবকে
মানসিংহ-ভবানন্দ উপাখ্যান : অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর
১০১. কে ভূত নাচাইয়া ফেরে ঘরে ঘরে ? – শিব
১০২. দিল্লির সম্রাটের নাম কী ? – সম্রাট জাহাঙ্গীর ওরফে পাতশা
১০৩. যশোহরের রাজার নাম কী ? – প্রতাপাদিত্য
১০৪. ‘সুয়া যদি নিম দেয় সেহ হয় চিনি
দুয়া যদি চিনি দেয় নিম হয় তিনি’Ñ কেন বলা হয়েছে ? -ভবানন্দের দুই স্ত্রীর প্রসঙ্গে বলা হয়েছে
১০৫. ‘ঈশ্বরীরে পরিচয় কহেন ঈশ্বরী/বুঝহ ঈশ্বরী আমি পরিচয় করি ॥Ñ কে বলে ?
– পাটুনির কাছে দেবী নিজের পরিচয় দেবার সময় একথা বলে
১০৬. ‘কুকথায় পঞ্চমুখ কণ্ঠভরা বিষ।/ কেবল আমার সঙ্গে দ্বন্দ্ব অহির্নশ। কে বা কার উদ্দেশ্যে ? মানসিংহ-ভবানন্দ উপাখ্যানের অন্নদাদেবী তার স্বামীর উদ্দেশ্যে
মানসিংহ-ভবানন্দ উপাখ্যান : অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর
১০৭. ‘যার নামে পার করে ভবপারাবার/ ভাল ভাগ্য পাটুনী তাহারে করে পার”Ñ কেন বলা হয়েছে ?
– অন্নদা দেবীর নামেই সবাই কাজ শুরু করে।
১০৮. “সোনার সেঁউতি দেখি পাটুনীর ভয়/ এত মেয়ে মেয়ে নয় দেবতা নিশ্চয়”Ñ কে বা কেন বলে ?ঈশ্বরী পাটুনী বলে, সেঁউতি সোনা হয়েছে দেখে।
১০৯. প্রামিয়া পাটুনী কহিছে খোড় হাতে
আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতেÑ কে বা কেন বলে ? – ঈশ্বরী পাটুনী বলে।
১১০. ঝড় বৃষ্টি করিবারে মেঘগণে কও
জলে পরিপূর্ণ করি অন্ন হরি লওÑ কেন বলা হয়েছে ?
— অন্নদা দেবী ঝড়বৃষ্টি দিয়ে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির জন্য বিজয়ার সাথে পরামর্শ করছে, যা প্রকারন্তরে অন্নদার পূজা প্রচারে সহায়ক হবে।
১১১. সেই নিরাকার সেই সে সাকার
তাঁরি রূপ ত্রিভূবনেÑ কার উক্তি এবং কেন ?
–ভবানন্দের সাথে পাতশার ধর্মের তর্কতর্কী নিয়ে কবি উক্তিটি করেন।
১১২. “ঈশ্বরের নূর বলি দাড়ির যতন
টিকি কাটি নেড়া মাথা এ যুক্তি কেমন”Ñ কে বা কেন ?
উক্তিটি ভবানন্দের, জাহাঙ্গীরের উক্তির প্রত্যুত্তরে ঈর্ষায় বলে।
১১৩. “পশ্চিমে সূর্য্যরে অস্ত সে মুখে নমাজ
যত করে মুসলমান সকলি অকাজ”Ñ কে বা কেন ? – ভবানন্দ
১১৪. দিবসে মজুরি করে রজনীতে গিয়া ঘরে
নারী লয়ে যে থাকে সে সুখীÑ কে বা কেন ?
– মজুমদারের ভৃত্যু দাসু কয়েদখানায় বসে আফসোসের সাথে একথা বলে।
মানসিংহ-ভবানন্দ উপাখ্যান : তথ্য-কণিকা
- ‘মানসিংহ-ভবানন্দ উপাখ্যান’ একটি মঙ্গলকাব্য।
- ‘মানসিংহ-ভবানন্দ’ উপাখ্যানে ৪৫টি অনুচ্ছেদ।
- মুসলমান শাসনামালে বর্গীরা এদেশে এসে অত্যাচার ও লুট করেছে ।
- অন্নদার পূজা প্রচারকÑ
- প্রথম পুজো প্রচারক Ñ বিষ্ণুহোড়ের পুত্র হরিহোড়।
- হরিহোড়ের বাড়ি Ñ বাগুয়ান পরগনার গাঙ্গিনী নদীর পশ্চিমকূলে অবস্থিত বড়গাছি গ্রামে।
মানসিংহ-ভবানন্দ উপাখ্যান : অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর
- ২য় পুজো প্রচারক: রাম সমদ্দারের পুত্র ভবানন্দ মজুমদার। মায়ের নাম – সীতা।
- স্বর্গীয় নাম — কুবের পুত্র নলকুবর।
- ভবানন্দের স্বর্গীয় স্ত্রী- চন্দ্রিনী ও পদ্মিনী।
- মর্ত্যে তাদের নাম- চন্দ্রমুখী ও পদ্মমুখী।
- গাঙ্গিনী নদীর পাড়ে আসার কারণ —দেবীর শিষ্যবদল, হরিহোড়ের বাড়ি ছেড়ে ভবানন্দের বাড়ি গমনের জন্য।
- অন্নদা হরিহোড়ের বাড়ি ছাড়ার কারণ- হরিহোড়ের স্ত্রীদের অহর্নিশ ঝগড়ায় বিরক্ত হয়ে ।
- গাঙ্গিনী নদীতে খেয়ার মাঝি- ঈশ্বরী পাটুনী।
- ঈশ্বরীরে জিজ্ঞাসিল ঈশ্বরী পাটুনী- এখানে প্রথম ঈশ্বরী কে ? দেবী অন্নদা।
- দ্বিতীয় ঈশ্বরী — খেয়া নৌকার মাঝি।
- অন্নদার অন্নপূর্ণা নাম রেখেছিল – দেবীর পিতামহ।
- ‘অতি বড় বৃদ্ধ পতি সিদ্ধিতে নিপুণ’ – অতি বৃদ্ধ হলেন কে ? শিব।
- ঈশ্বরী পাটুনী দেবীর কাছে চাওয়া বর —- আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে।
- দিল্লির সম্রাটের চোখে ঔদ্ধত্য রাজা হলেন – যশোরের রাজা প্রত্যপাদিত্য।
- প্রত্যপাদিত্যকে শায়েস্তা করতে আসেনÑমানসিংহ।
মানসিংহ-ভবানন্দ উপাখ্যান : অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর
মানসিংহের সৈন্য – সাতদিন ঝড়বৃষ্টির কবলে পড়ে।
মানসিংহকে সাহায্য করে – ভবানন্দ মজুমদার।
কীভাবে সাহায্য করে — দেবী অন্নদার কৃপায়
মানসিংহের সমস্ত সৈন্যকে সাতদিন খাবার সরবরাহ করে।
মানসিংহ দূতের মাধ্যমে প্রত্যপাদিত্যের কাছে প্রেরণ করে — বেড়ি ও তলোয়ার।
প্রতাপাদিত্য গ্রহণ করে — তলোয়ার। আর বেড়ি জাহাঙ্গীরকে পরতে বলে।
তথ্য-কণিকা : মানসিংহ-ভবানন্দ উপখ্যান
- যুদ্ধে জয়লাভ করে — মানসিংহ।
- মানসিংহ রাজা প্রত্যপাদিত্যকে বন্দী করে – খাঁচায় ভরে রাখে। মরে গেলে ঘিয়ে ভেজে দিল্লিতে জাহাঙ্গীরের কাছে নিয়ে যায়।
- মানসিংহ দিল্লি ফেরার সময় ভবানন্দকে সাথে নেওয়ার কারণ – পুরস্কৃত করার প্রত্যাশায়।
- ভবানন্দ দিল্লি যেতে যাদের সাথে নেয় — দাসু-বাসুকে।
- দেবী অন্নদা ভবানন্দকে মুক্ত করেন — দিল্লিতে ভূতপ্রেত নামিয়ে এবং অন্নসংকট সৃষ্টি করে জনজীবন অতিষ্ঠ করে। এতে জাহাঙ্গীর মুক্ত করে দেয়।
তথ্য-কণিকা
- ভবানন্দের স্ত্রী ও দাসী — ১ম স্ত্রী চন্দ্রমুখী। তার দাসী হলো – সাধী।
- ২য় স্ত্রী পদ্মমুখী। তার দাসী হলো- মাধী।
- ভবানন্দ মজুমদার স্বর্গারোহণ করার সময় – পুত্র সীতারাম মজুমদারকে রাজ্যভার দিয়ে স্বর্গারোহণ করেন।
- মানসিংহ-ভবানন্দ কাব্য সম্পাদনা করেছেন —-মুহম্মদ আব্দুল হাই ও আনোয়ার পাশা।
- ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গল কাব্য শেষ করেন — ১৭৫২ সালে।
- ভারতচন্দ্রের জীবনকাল — ১৭১২-১৭৬০ খ্রিষ্টাব্দ।
তথ্য-কণিকা
- বিদেশি প্রভাবমুক্ত বাংলাদেশের সর্বশেষ কবি – ভারতচন্দ্র।
- ভারতচন্দ্র সভাকবি ছিলেন – কৃষ্ণনগরের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন।
- “রাজসভা কবি ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গল গান রাজকন্ঠের মণিমালার মত”- কথাটি বলেছেন – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- ভারতচন্দ্র মঙ্গলকাব্যে কাল্পনিক চরিত্রের বদলে –ঐতিহাসিক চরিত্র ভবানন্দ, জাহাঙ্গীর, মানসিংহ, প্রত্যপাদিত্য প্রমূখকে তাঁর কাব্যে স্থান দিয়েছেন।
- প্রত্যেক মঙ্গলকাব্যের সাধারণ বর্ণনার বিষয় — দেব-দেবী বন্দনা ও হরগৌরী উপাখ্যান।
তথ্য-কণিকা
- ভারতচন্দ্র তাঁর মঙ্গলকাব্য শুরু করেছেন – গণেশায় নমঃ নমঃ বলে।
- ভারতচন্দ্র তাঁর অন্নদামঙ্গল কাব্যে যে-সব দেব-দেবীকে বন্দনা করেছেন – গণেশ, শিব, সূর্য, বিষ্ণু, লক্ষ্মী প্রভৃতি দেব-দেবীর বন্দনা করেছেন।
- ভারতচন্দ্র গ্রন্থ রচনার মূলে রয়েছে — দেবীর স্বপ্নাদেশের কথার বর্ণনা।
- দেবীর স্বপ্নাদেশের বর্ণনার আর যা পাওয়া যায় — সমকালীন রাষ্ট্রনৈতিক গোলযোগের বর্ণনা ।
- গ্রন্থ-সূচনার পর ভারতচন্দ্র যে রাজসভার বর্ণনা — মহারাজ কৃষ্ণ চন্দ্রের।
- সৃষ্টির প্রথম প্রকাশকালে দেবী অন্নপূর্ণা মহামায়া গর্ভধারণ ছাড়াই প্রসব করেন — ব্রহ্মা, বিষ্ণু এবং শিবকে।
তথ্য-কণিকা
- দেবী অন্নদার কীভাবে সর্বভারতীয় হয়ে ওঠার কারণ – দেবীর কাশিতে সুদৃঢ় অবস্থান ।
- কাশি গিয়ে হর ছেড়ে হরিনাম সংকীর্তন শুরু করে — ব্যাসদেব।
- হরিনাম সংকীর্তন শুরু করার কারণে — শিব ব্যাসদেবের বাক ও চলনশক্তি হরণ করে । ব্যাসদেব বিষ্ণুর কথায় শিব ভক্ত হয়।
- ব্যাসদেব বিষ্ণুকে পরিত্যাগ করলে –শিব বলে যে হরি (বিষ্ণু)-কে না ভজলে শিব তার পূজা নেবে না।
- স্বর্গের বসুন্ধর মর্তে জন্ম নেয় — বিষ্ণুহোড়ের ঘরে হরিহোড় নাম নিয়ে।
- হরিহোড়ের দরিদ্র বাবা মা সংসার চালাত—- মাঠে বনে কাঠ-ঘুটে প্রভৃতি কুড়িয়ে এবং তা বিক্রয় করে।
- হরিহোড় প্রচুর অর্থবিত্তের মালিক হয়ে ওঠে— দেবী অন্নদার কৃপায়।
- স্বর্গে বসুন্ধরের স্ত্রীর নাম — বসুন্ধরা।
- বসুন্ধরা মর্তে জন্ম নেয় —-ঝড়ু– দত্তের কন্যারূপে সোহাগী নামে ।
- ঝড়– দত্তের পরিচয় — চন্ডীমঙ্গল কাব্যের সুবিখ্যাত ভাঁড়ু দত্তের বংশধর।
- সোহাগী হরিহোড়ের — চতুর্থ স্ত্রী।
- সোহাগী আসার পর হরিহোড়ের ঘরে যা ঘটে—- হরিহোড়ের সংসারে তুমুল ঝগড়া বিবাদের সূত্রপাত হয় এবং দেবী আর তার ওখানে থাকতে পারে না।
- রাজা প্রতাপাদিত্যের বংশ — বঙ্গজ কায়স্থ।
- রাজা প্রতাপাদিত্যের সৈন্য সামন্তের পরিমাণ — বায়ান্ন হাজার ঢালী, ষোড়শ হলকা হাতি এবং অযুত তরঙ্গ সাথী ছিল।
- প্রতাপাদিত্য সবংশে নিহত করেন — তার খুল্লতাত (চাচাত ভাই) বসন্ত রায়কে ।
- বাদশাহ জাহাঙ্গীরকে প্রতাপ বৃত্তান্ত জানায় — বসন্ত রায়ের এক পুত্র কচু রায় প্রতাপের রানীর কৃপায় বেঁচে যায়। সে গিয়ে জাহাঙ্গীরকে (পাতশাহকে) প্রতাপ সম্পর্কিত ঘটনা জানায়।
- কচু রায়ের কথায় জাহাঙ্গীর বোঝে যে— প্রতাপাদিত্য জাহাঙ্গীরকে তেমন সহ্য করে না। তাই প্রতাপ দমনে মানসিংহকে প্রেরণ করে।
- মানসিংহ যখন বর্ধমানে পৌছে, তখন বর্ধমানের কানুনগো (চাকুরিজীবী মধ্যবিত্ত) ছিলেন — ভবানন্দ মজুমদার।
- মানসিংহ বাংলার বিস্তারিত বিষয় জানে — ভবানন্দ মজুমদারের কাছ থেকে।
- ভবানন্দ মজুমদারের গৃহ ছিল– বাগোয়ানে (নবদ্বীপের কাছে)।
- মানসিংহ বাগোয়ান এলাকায় আসলে — সাত দিন ধরে ঝড়বৃষ্টিসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে পতিত হয় ।
- প্রতাপাদিত্যের পরাজয়ের পর — মানসিংহ বসন্ত রায়ের পুত্র কচু রায়কে যশোরের রাজা করেন ।
- রাজা প্রতাপাদিত্য মারা যায়—- খাঁচায় পুরে দিল্লি আনার পথে অনাহারে প্রতাপাদিত্য মারা যায়।
- দিল্লির কারাগারে ভবানন্দ মজুমদারকে অভয় দান করে — দেবী অন্নদা
- বাঙালির দেবী অন্নদা কর্তৃক দিল্লির সম্রাট লাঞ্ছিত এর কারণ — দীর্ঘকাল দিল্লির সম্রাট বাঙালিকে শাসন করেছে, কবি যেন তারই প্রতিবাদ স্বরূপ বাঙালির দেবীকে দিয়ে সম্রাটকে কবি লাঞ্ছনা করিয়েছেন।
- ভারতচন্দ্র তাঁর কাব্যে বাংলায় বর্গীয় হামলার কারণ হিসেবে দেখিয়েছেন — মুসলমানের উপর ঈশ্বরের অভিশাপজনিত কারণ।
- মুসলমানের দোষে বর্গীয় হামলা হয়েছে,কিন্তু হিন্দুরা বর্গীর উপদ্রবে জর্জরিত কারণ — কবির মতে নগর পুড়িলে দেবালয়ও এড়ায় না।
- কহে রায় গুণাকর অন্নপূর্ণা দয়া কর পরীক্ষিত তনু ভগবানে।— এ পদের তাৎপর্য হলো — পরীক্ষিত রায়, রামতনু রায় ও ভগবান রায়– কবির তিন পুত্রের যেন অভাব না হয় সে প্রার্থনা বাবা হিসেবে কবি দেবীর কাছে করেছেন।
- ভাঁড়– দত্তের সমকক্ষ ভারত চন্দ্র রচিত চরিত্র — বিদ্যাসুন্দর উপাখ্যানের হীরা মালিনী। কথায় হীরার ধার হীরা তার নাম।
- বর্গীরা বাংলায় প্রবেশ করে — মুসলমান রাজাদের পারস্পরিক কোন্দল ও ক্ষমতার পালাবদলের চক্রপথে।
- বর্গীরা যে স্থান থেকে বাংলায় এসেছিল — সৌরাষ্ট্র মহারাষ্ট্র হতে।
- বাংলায় বর্গীর হামলার ভয়াবহতা — বর্গীরা বাংলার লোকজনের অর্থ লুট করে গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়, লোকজনকে হত্যা করে, কোথাও বা বউ ঝিকে লুট করে।
- নলকূবরের নারীসঙ্গকে দেবী অন্নদার মনে যে ধারণা দেয় – নলকূবর বুঝি তার পূজা করছে।
- নলকূবর যে পূজা করে না একথা দেবী অন্নদা জানতে পায় — অন্নদার সাথী জয়া তাকে জানায় যে নলকূবর পূজা করে না, সর্বত্র নারী নিয়ে রঙ্গরসে মেতে থাকে।
- ব্রাহ্মণবেশী যুবকরূপী অন্নদা নলকূবরের কাছে পূজা সম্পর্কে প্রশ্ল করলে — নলকূবর বলে যুবক বয়সে ভোগ না করে যে পূজা করে সে বকধার্মিক।
নলকূবরের উপর দেবী অন্নদার রাগান্বিত হওয়ার কারণ —
ছদ্মবেশী অন্নদার সামনে নলকূবের বলে যে, অন্নদাকে সে ভাল করে চিনে, সে ভিখেরি শিবের স্ত্রী, দিনে তিনবার তাকে বাপের বাড়ি হতে অন্ন ভিক্ষে করে খেতে হয়। অর্থাৎ তাকে পুজো করার কোনো মানে নেই।
দেবী অন্নদা মর্তে পূজা পেতে যাদেরকে শাপ দিয়েছেন— নলকূবর, চন্দ্রিনী ও পদ্মিনীকে।
আপনি তোমার ঘরে যাব
বড় বড় সঙ্কটে বাঁচাব। উক্তিটির পেছনে —
শাপগ্রস্ত নলকূবর মর্তে আসতে অসম্মতি জানালে দেবী অন্নদা তাকে এ অভয় বাণী দিয়েছেন।
ক্স চন্দ্রিনী ও পদ্মিনী মর্তে Ñ দুজনের জন্ম হয় দুই ব্রাহ্মণের ঘরে।
- হরিহোড়ের ঘর ছেড়ে অন্নদা চলে যাওয়ায় হরিহোড়ের অবস্থা কী হয় ? হরিহোড়ের ধনদৌলত ফসলাদি নষ্ট হলে সে পুনরায় দরিদ্র হয়ে যায়।
- হরিহোড়ের স্ত্রী সোহাগীর পরিণতি কী হয় ? — সোহাগী হরিহোড়েসহ আগুনে পুড়ে মারা যায়।
- দেবী অন্নদা হরিহোড়ের ঘর ছাড়ে যেভাবে — দেবী অন্নদা মেয়ের ছদ্মবেশে হরিহোড়ের কাছে গিয়ে বলে যে জামাই এসেছে তাকে নিতে। হরিহোড় তখন ক্রোধ ভরে অন্নদাকে যাও বলে বিদায় নেয়।
- হরিহোড় ও সোহাগীর মৃত্যুর পর পরিণতি — বসুন্ধর ও বসুন্ধরা হয়ে স্বর্গে যায়।
- ঈশ্বরী পাটুনীর কাছে দেবী অন্নদা বিশেষণে স্বামীর পরিচয় দেওয়ার কারণ — কারণ স্বামীর নাম মুখে আনা পাপ।
- অন্নপূর্ণার স্বামীর জন্ম —- অন্নপূর্ণার স্বামী পরম কুলীন, তার জন্ম বিখ্যাত বন্দ্যবংশে।
- ‘অতি বড় বৃদ্ধ পতি সিদ্ধিতে নিপুণ’- এর অর্থ —-এ কথার দুটি অর্থÑ তার স্বামীর বয়স খুব বেশি এবং এ অঞ্চলে তার চেয়ে সিদ্ধি আসক্ত কেউ নেই। অন্যটি হলো, তার স্বামী শিব হচ্ছে সবার বড় দেবতা এবং সিদ্ধ পুরুষ।
- ‘কোন গুণ নাহি তাঁর কপালে আগুন।”’ এর অর্থ —- শিবের ত্রিনয়ন, কপালের নয়ন আগুনের মত জ্বল জ্বল করে।
- ‘কন্ঠভরা বিষ’ এর তাৎপর্য —–অসুরেরা সমুদ্র মন্থন করে মণিমুক্তা লুন্ঠন করার পর সমুদ্রের তলদেশের বিষ আকন্ঠ পান করে শিব নীলকন্ঠ হয়েছিল।
- দেবী অন্নপূর্ণার সতীনের নাম কী —– গঙ্গা।
- দেবী অন্নদা নৌকায় পা রাখেনি কারণ —- নৌকার খোল ভরা জল, জলে তার পায়ের আলতা ধুয়ে যাবে।
- পাটুনী দেবীর পা রাখতে বলে—– সেঁউতির উপর (যা দিয়ে পানি সেচা হয়)।
- সেঁউতির উপর দেবীর পা রাখার পর — সেঁউতি হইল সোনা দেখিতে দেখিতে। তা ছাড়া কাঠের সেউতিতে দেবী পা রাখায় সেউতি হল অষ্টাপদ।
- ভবানন্দের গৃহে দেবীর আগম বার্তা — ভবানন্দকে ঈশ্বরী পাটুনী দিয়েছিল।
- গৃহে দেবীর আগমনে ভবানন্দের বিশ্বাস জন্মে —- ঈশ্বরী পাটুনীর হাতের সোনার সেউতি দেখে।
প্রফেসর মো: আখতার হোসেন
বাংলা বিভাগ
সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজ, যশোর